
জাহাঙ্গীর আলম প্রতিনিধি মির্জাপুর টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই খামারপাড়া এলাকায় ১৫ বছরের এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী ও তার আপন খালুর অবৈধ পরকীয়া সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসায় এলাকা জুড়ে চরম চাঞ্চল্য ও জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। গত ৫ মাস ধরে আড়ালে চলা এই অনৈতিক সম্পর্কের জের ধরে সম্প্রতি ওই কিশোরী ঘর ছাড়ে।
নিখোঁজ ও উদ্ধার
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী গত ৫ দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। স্বজনরা তাকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। নেট দুনিয়ায় তথ্য ছড়ানোর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় অভিযুক্ত খালুর আস্তানা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় স্থানীয়রা।
‘কবুল’ বলে বৈবাহিক নাটক
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কোনো ধর্মীয় কিংবা আইনি প্রমাণের তোয়াক্কা না করে, নিজেরা নিজেরা হুজুর সেজে মুখে ‘কবুল’ বলে বিবাহিত পরিচয়ে ঘরসংসার করছিল তারা। অপ্রাপ্তবয়স্ক ভাগ্নিকে প্রলোভন ও ব্রেইনওয়াশ করে সম্পর্কের এই নাটক সাজানো হয় বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।
এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও আইনি বিচারের দাবি
পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের এমন চরম অবক্ষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রতিবেশীরা মারাত্মক ক্ষুব্ধ। সচেতন নাগরিকদের মতে, ১৫ বছর বয়সী কিশোরীটি আইনের দৃষ্টিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাকে ফুঁসলিয়ে ও ব্রেইনওয়াশ করে অনৈতিক পথে ধাবিত করার পেছনে বড় কোনো প্রলোভন বা ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা প্রশাসনের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সামাজিক অনাচার ও অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রলোভনের মতো অপরাধ রোধে অভিযুক্ত খালুর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
প্রতিবেদকের নাম 



















