Dhaka ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম ফরিদগঞ্জের সাবেক এমপি সাংবাদিক মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের ইন্তেকাল চট্টগ্রামে অন্যতম শীর্ষ সস্ত্রাসী’ তালিকাভুক্ত বগার ৪ সহযোগী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় বড়াল নদীতে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ: জাল ও সরঞ্জাম আগুন দিয়ে ধ্বংস পঙ্গু সিএনজি চালকের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন বিসিবি পরিচালক আসিফ রব্বানী নগরকান্দায় ৪৪ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ইয়াকুবপুর শিক্ষা উন্নয়ন বৃত্তি ফাউন্ডেশন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত চরণদ্বীপ দরবারে মাইজভান্ডারী কাফেলার শুভাগমন লালপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার ফুটপাতে দোকান বসালেই মালামাল ক্রোক, মামলা: (ডিএসসিসি) প্রশাসক

ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে কুড়িগ্রামে চীনা বিশেষজ্ঞ দল

মোঃ আলমগীর হোসাইন,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন গতি এসেছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে শনিবার (২৩ মে) দুপুরে প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের একটি প্রতিনিধি দল। দলের সদস্যরা সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন এবং নদীর অবস্থান, সংযোগ সড়ক, নির্মাণ উপযোগিতা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাই। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় খেলনা গাড়ি তুলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ দুর্ভোগ কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের এই তিন উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতে সহজতা আসবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল হবে। এতে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন তারা। সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী জানান, ঈদের পর একটি বিশেষ স্টাডি টিম এসে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও আর্থসামাজিক গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা পরিচালনা করবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  চরণদ্বীপ দরবারে মাইজভান্ডারী কাফেলার শুভাগমন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম

ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে কুড়িগ্রামে চীনা বিশেষজ্ঞ দল

আপডেটের সময়: ০৭:৪২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

মোঃ আলমগীর হোসাইন,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন গতি এসেছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে শনিবার (২৩ মে) দুপুরে প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের একটি প্রতিনিধি দল। দলের সদস্যরা সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন এবং নদীর অবস্থান, সংযোগ সড়ক, নির্মাণ উপযোগিতা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাই। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুনঃ  ইকরচালীতে ১২টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এনামুল হক

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ দুর্ভোগ কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের এই তিন উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতে সহজতা আসবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল হবে। এতে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন তারা। সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী জানান, ঈদের পর একটি বিশেষ স্টাডি টিম এসে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও আর্থসামাজিক গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা পরিচালনা করবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  স্কয়ার মাস্টার বাড়ি বাজারে চীনা ফুশেং সিগারেটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার