Dhaka ১১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পানছড়িতে ৩ বিজিবির অভিযানে ৪১৯ ঘনফুটের বেশি অবৈধ কাঠ আটক গণভোটের গণরায় বাস্তবায়িত না হলে, এই সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না: নাহিদ চিরনিদ্রায় চন্দ্রগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা চট্টগ্রামে শুরু হলো শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ নিহত বেড়ে ৮ মির্জাপুরে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদারগঞ্জের সরকারি কর্মকর্তার সীল-স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে, টাকা আত্নসাৎ অভিযোগ ‘বাড়ি আর কত ভাঙব, আর কতবার বানবাম’

শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:২৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৫ সময় দেখুন

ওমর হাসনাত ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরকারি দল- বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজনীতির মাঠের বর্ষীয়ান এ ব্যক্তিত্বের পেশা ছিলো শিক্ষকতা। ছাত্র-ছাত্রী আর ক্লাসরুমের ডায়াস ছেড়ে একসময় নেমে আসেন রাজপথে। সেখান থেকে সংসদ। পেয়েছেন মন্ত্রিত্বও। এখন তিনি রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী। একদিকে তিনি বিএনপির কঠিন সময়ে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন অন্যদিকে লৌহকঠিন আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অন্যতম প্রধান টার্গেট হিসেবে সহ্য করেছেন হামলা-মামলা-কারাবরণ। গত চার দশক রাজপথের আন্দোলন আর দলের সাংগঠনিক রাজনীতিতে অনবদ্য ভূমিকা রেখে এই মুহুর্তে দেশের জনপ্রিয়তম রাজনীতিবিদদের একজন মির্জা ফখরুল। ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা জাতিকে পথ দেখিয়েছে গভীর সংকটময় মুহুর্তে।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ

 

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক যাত্রা ক্ষমতার করিডর ধরে শুরু হয়নি। রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষার মাঠ- রাজপথেই তিনি বারবার প্রশ্ন করেছেন গণবিরোধী ক্ষমতাকে। রাজনৈতিক সচেতন পরিবারে বেড়ে ওঠার ফলে ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মানুষ, সমাজ এবং রাজনীতির প্রতি আগ্রহী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা শেষে যোগ দেন শিক্ষকতা পেশায়। আশির দশকে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯২ সালে বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আর ২০১৬ সালে মহাসচিব নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুনঃ  গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: ইসি সচিব

২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে হন কৃষি প্রতিমন্ত্রী ও পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী। ২০১৮ সালে নির্বাচিত হন বগুড়া-৬ আসনে। ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান সমন্বয়ক ও সাংগঠনিক নির্দেশকের ভূমিকা পালন করেন। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকা মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার করে কয়েকটি মামলার আসামি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। একাধারে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব এবং শক্ত হাতে দলীয় সংকট মোকাবিলা করে দেশের রাজনীতিতে এক অনন্য ব্যাক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন তিনি। রাজপথ থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল ইসলামের মনোনয়ন রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল এক মাইলফলক।

আরও পড়ুনঃ  জিতব কি হারব সেটা নয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া নির্বাচন চাই না: ১১ দলীয় জোট
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পানছড়িতে ৩ বিজিবির অভিযানে ৪১৯ ঘনফুটের বেশি অবৈধ কাঠ আটক

শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল

আপডেটের সময়: ০৫:২৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ওমর হাসনাত ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরকারি দল- বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজনীতির মাঠের বর্ষীয়ান এ ব্যক্তিত্বের পেশা ছিলো শিক্ষকতা। ছাত্র-ছাত্রী আর ক্লাসরুমের ডায়াস ছেড়ে একসময় নেমে আসেন রাজপথে। সেখান থেকে সংসদ। পেয়েছেন মন্ত্রিত্বও। এখন তিনি রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী। একদিকে তিনি বিএনপির কঠিন সময়ে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন অন্যদিকে লৌহকঠিন আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অন্যতম প্রধান টার্গেট হিসেবে সহ্য করেছেন হামলা-মামলা-কারাবরণ। গত চার দশক রাজপথের আন্দোলন আর দলের সাংগঠনিক রাজনীতিতে অনবদ্য ভূমিকা রেখে এই মুহুর্তে দেশের জনপ্রিয়তম রাজনীতিবিদদের একজন মির্জা ফখরুল। ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা জাতিকে পথ দেখিয়েছে গভীর সংকটময় মুহুর্তে।

আরও পড়ুনঃ  গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: ইসি সচিব

 

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক যাত্রা ক্ষমতার করিডর ধরে শুরু হয়নি। রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষার মাঠ- রাজপথেই তিনি বারবার প্রশ্ন করেছেন গণবিরোধী ক্ষমতাকে। রাজনৈতিক সচেতন পরিবারে বেড়ে ওঠার ফলে ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মানুষ, সমাজ এবং রাজনীতির প্রতি আগ্রহী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা শেষে যোগ দেন শিক্ষকতা পেশায়। আশির দশকে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯২ সালে বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আর ২০১৬ সালে মহাসচিব নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুনঃ  সীতাকুণ্ড শিপইয়ার্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনা ‘মর্মান্তিক’

২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে হন কৃষি প্রতিমন্ত্রী ও পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী। ২০১৮ সালে নির্বাচিত হন বগুড়া-৬ আসনে। ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান সমন্বয়ক ও সাংগঠনিক নির্দেশকের ভূমিকা পালন করেন। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকা মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার করে কয়েকটি মামলার আসামি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। একাধারে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব এবং শক্ত হাতে দলীয় সংকট মোকাবিলা করে দেশের রাজনীতিতে এক অনন্য ব্যাক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন তিনি। রাজপথ থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল ইসলামের মনোনয়ন রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল এক মাইলফলক।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ নিহত বেড়ে ৮