Dhaka ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ছাগলনাইয়া হরিপুর কামাল উদ্দিন মজিদিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শতভাগ পাস ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ মাত্র কয়েক ঘণ্টা! লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা ময়মনসিংহে দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে যুবককে কু/পি/য়ে হ/ত্যা শুক্রবার সালথায় আসছেন ‌ পররাষ্ট প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ফরিদপুর মধুখালী ধ/র্ষ/ণচেষ্টার দায়ে প্রতিবেশী বৃদ্ধের সাত বছরের কারাদণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা মাছ-মুরগি ফিডে ক্ষতিকর উপাদান দুই মাস সময় দিলো সরকার ব্রিকস সম্মেলন অনেক দেরি, এক মাসে বহু কিছু হতে পারে : শামা ওবায়েদ প্রেসিডেন্ট পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা আটোয়ারীতে ৭ শিক্ষক পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে

জিতব কি হারব সেটা নয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া নির্বাচন চাই না: ১১ দলীয় জোট

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে জোটের প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘অলি আহমদের প্রস্তাবক জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। সমর্থক জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য আল আমিন। জোটের পক্ষ থেকে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের চাওয়া সব তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে পূরণ করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে। প্রার্থী, প্রস্তাবক ও সমর্থকের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপিও জমা দেয়া হয়েছে।’ আগামী ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাইয়ে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাধারণত সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল একক প্রার্থী দেয়। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না।’ ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর এবারই আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করে জোটটি। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা জিতব কি হারব, এটা বিষয় নয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন হোক, আমরা সেটা চাই না। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্যই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুনঃ  প্রেসিডেন্ট পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা

 

অলি আহমদকে প্রার্থী করার কারণ ব্যাখ্যা করে বলা হয়, তিনি জাতীয়ভাবে পরিচিত, বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকা একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তিনবার মন্ত্রী ও ছয়বার সংসদ সদস্য ছিলেন। উচ্চশিক্ষিত এই রাজনীতিক দেশের জন্য দীর্ঘদিন অবদান রেখেছেন বলেও দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়েও সমালোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোট দেয়ার সুযোগ থাকা উচিত। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় অনাস্থা ভোট ও অর্থবিল ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় হওয়ার পরও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে অলি আহমাদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারতেন বলেও মন্তব্য করা হয়। এ সময় সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, সচিবালয় নির্বাহী বিভাগের জায়গা। সেখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।রাজনৈতিক সংবাদ আপডেট সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের সুযোগ এখনো রয়েছে। সংসদে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করলে সংশ্লিষ্টরা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল

মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ১১ দলের নেতাদের পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর আমির ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, জাকপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মজিদ আতহারী। এ ছাড়া সংসদ সদস্য আল আমিন, ডা. মাহমুদা মিতু, নাজমুন নাহার নীলুফা, মারদিয়া মমতাজ, কামাল হোসেন, কর্নেল আবদুল বাতেন, জয়নাল আবেদিন ও হাফেজ রাশিদুল ইসলামসহ জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে ২৭ আগস্ট
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ছাগলনাইয়া হরিপুর কামাল উদ্দিন মজিদিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শতভাগ পাস

জিতব কি হারব সেটা নয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া নির্বাচন চাই না: ১১ দলীয় জোট

আপডেটের সময়: ০৫:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে জোটের প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘অলি আহমদের প্রস্তাবক জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। সমর্থক জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য আল আমিন। জোটের পক্ষ থেকে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের চাওয়া সব তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে পূরণ করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে। প্রার্থী, প্রস্তাবক ও সমর্থকের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপিও জমা দেয়া হয়েছে।’ আগামী ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাইয়ে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাধারণত সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল একক প্রার্থী দেয়। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না।’ ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর এবারই আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করে জোটটি। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা জিতব কি হারব, এটা বিষয় নয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন হোক, আমরা সেটা চাই না। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্যই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুনঃ  প্রেসিডেন্ট পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা

 

অলি আহমদকে প্রার্থী করার কারণ ব্যাখ্যা করে বলা হয়, তিনি জাতীয়ভাবে পরিচিত, বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকা একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তিনবার মন্ত্রী ও ছয়বার সংসদ সদস্য ছিলেন। উচ্চশিক্ষিত এই রাজনীতিক দেশের জন্য দীর্ঘদিন অবদান রেখেছেন বলেও দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়েও সমালোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোট দেয়ার সুযোগ থাকা উচিত। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় অনাস্থা ভোট ও অর্থবিল ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় হওয়ার পরও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে অলি আহমাদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারতেন বলেও মন্তব্য করা হয়। এ সময় সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, সচিবালয় নির্বাহী বিভাগের জায়গা। সেখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।রাজনৈতিক সংবাদ আপডেট সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের সুযোগ এখনো রয়েছে। সংসদে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করলে সংশ্লিষ্টরা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্তে জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ১১ দলের নেতাদের পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর আমির ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, জাকপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মজিদ আতহারী। এ ছাড়া সংসদ সদস্য আল আমিন, ডা. মাহমুদা মিতু, নাজমুন নাহার নীলুফা, মারদিয়া মমতাজ, কামাল হোসেন, কর্নেল আবদুল বাতেন, জয়নাল আবেদিন ও হাফেজ রাশিদুল ইসলামসহ জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  পদ্মায় ভয়াবহ ভাঙন, আতঙ্কে ঘর সরাচ্ছেন জাজিরার বাসিন্দারা