Dhaka ০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
‎গাজীপুরে তেল উৎপাদনকারী কারখানায় আগুন, আধ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন দাবিতে কাউনিয়ায় মানববন্ধন রাঙ্গুনিয়ায় পার্টনার প্রকল্পের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, কৃষকদের মাঝে বীজ-সার ও গাছের চারা বিতরণ মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জে মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন মাদকবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হালুয়াঘাট: মাদকের বিরুদ্ধে ১৩ সংগঠনের হুঙ্কার ঘোড়াঘাটে গ্রামীণ নারীদের সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন আজ কবি রুদ্রের ৩৫তম মুত্যুবার্ষীকি রাস্তার বেহাল দশায় ক্ষোভে ফুঁসছে কুমারখালীবাসী, দেখার যেন কেউ নেই ​কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটরের এআই ট্রাফিক ক্যামেরা বন্ধের গুজব ভিত্তিহীন: ডিএমপি মাদারগঞ্জে কাগজপত্র যাচাই করে, প্রায় ১ কিলোমিটার সরকারি রাস্তার জমি উদ্ধার।

মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জে মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মুরাদনগরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জ বাজারে গরুর মাংসের বাজারে চলছে চরম নৈরাজ্য ও ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব। সরকারি নির্দেশনা এবং বাজার মনিটরিংয়ের তোয়াক্কা না করে মাংস ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ক্রেতাদের পকেট কাটছেন। শুধু অতিরিক্ত মূল্য রাখাই নয়, মাংসের মান, ওজন এবং জবাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে গা শিউরে ওঠার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ। ২০ জুন (শনিবার) সকালে ​সরেজমিনে কোম্পানীগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া দামকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। কোনো দোকানেই ঝুলছে না বাধ্যতামূলক মূল্যতালিকা। উৎসব-পার্বণ কিংবা সাধারণ দিন—সব সময়ই কৃত্রিম সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে এই সিন্ডিকেট চক্র দাম বাড়িয়ে রাখছে। অথচ একই উপজেলার অন্য প্রান্ত বা পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাংসের দামে রয়েছে বিশাল ফারাক। বাজারে সিন্ডিকেটের এই একচেটিয়া আধিপত্যের কারণে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা মাংসের স্বাদ ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছেন। ​বাজারের সবচেয়ে রহস্যজনক এবং উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক মাংস ব্যবসায়ীকে কোনো পশু জবাই না করেই গরুর বিভিন্ন অংশ যেমন—কলিজা, ফেপসা, হাড় ও নাড়ীভুঁড়ি বিক্রি করতে দেখা যায়। সাধারণ ক্রেতাদের মনে এখন একটা বড় প্রশ্ন—যদি ওই দোকানে কোনো গরু জবাই-ই না হয়ে থাকে, তবে এই অঙ্গগুলো কোথা থেকে আসছে? স্থানীয়দের আশঙ্কা, রাতের আঁধারে কোনো অসুস্থ, মৃত বা চোরাই পশু অন্য কোথাও জবাই করে সেই মাংস ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এনে এই বাজারে তাজা মাংসের সাথে মিশিয়ে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ​

আরও পড়ুনঃ  নাগেশ্বরীতে ভয়াবহ লোডশেডিং: গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, দ্রুত সমাধানের দাবি

 

পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য যেকোনো পশু জবাইয়ের আগে প্রাণিসম্পদ বিভাগের রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি সার্জন বা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক। পশুটি গর্ভবতী বা অসুস্থ কিনা, তা যাচাই করে ছাড়পত্র নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জ বাজারে এই আইনের কোনো বাস্তব প্রয়োগ নেই। খামারি থেকে ভোক্তা পর্যন্ত আসতে মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্য এবং নিয়মিত তদারকির অভাবে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে চলছে মাংস বিক্রির কাজ। ​ এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুরাদনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মেজবাহুল জান্নাত মিনি জানান, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য যেকোনো পশু জবাইয়ের আগে প্রাণিসম্পদ বিভাগের রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি সার্জন বা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে এবং পশুটি গর্ভবতী বা অসুস্থ কি না, তা যাচাই করে ছাড়পত্র নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে বাণিজ্যিকভাবে নিয়মিত পশু জবাই হয় বলে শুনেছি, কিন্তু আমাদের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে বা ছাড়পত্র নিয়ে কোনো ব্যবসায়ী পশু জবাই করেন না। আমরা এ ধরনের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। অভিযোগ রয়েছে কোম্পানীগঞ্জ মাংস বাজারের দেলোয়ার হোসেনের দোকানে ফেপসা কিনতে গিয়ে ওজনে কারচুপি এবং অতিরিক্ত চর্বি ও গরুর অন্যান্য অংশ মিলিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বদরুন নাহার নামের এক নারী ক্রেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঙুল কেটে ফেলার চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক ওই মাল গছিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধার হাশেমবাজারে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

 

এর পাশাপাশি অসংখ্য ক্রেতাদের অভিযোগ, ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লা ব্যবহার করলেও কৌশলে ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভালো মাংসের সাথে অতিরিক্ত চর্বি, নিম্নমানের হাড় ও পচা-বাঁসি মাংস মিশিয়ে দেওয়া এখন এখানকার নিত্যদিনের চিত্র। ক্রেতারা নির্দিষ্ট অংশের মাংস চাইলে জোরপূর্বক চর্বি ও হাড় ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাজারে আসা একাধিক সাধারণ ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোম্পানীগঞ্জ বাজারে কোনো আইন নেই, ব্যবসায়ীরা যা ইচ্ছা তা-ই করছে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মূল্যতালিকা নেই, দামও ৮০০ টাকা। প্রশাসন যদি এখনই এখানে এসে জরিমানা এবং কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এই উৎসব বন্ধ হবে না। ​খাদ্যে ভেজাল রোধ, ওজনে কারচুপি বন্ধ এবং সিন্ডিকেটের হাত থেকে সাধারণ ক্রেতাদের বাঁচাতে কোম্পানীগঞ্জ মাংস বাজারে অনতিবিলম্বে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের যৌথ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। বাজার মনিটরিং জোরদার করে দোষী ব্যবসায়ীদের মোটা অঙ্কের জরিমানা ও দোকান সিলগালা করার মতো কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না করলে এই নৈরাজ্য থামানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

‎গাজীপুরে তেল উৎপাদনকারী কারখানায় আগুন, আধ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জে মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

আপডেটের সময়: ০৪:২৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মুরাদনগরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জ বাজারে গরুর মাংসের বাজারে চলছে চরম নৈরাজ্য ও ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব। সরকারি নির্দেশনা এবং বাজার মনিটরিংয়ের তোয়াক্কা না করে মাংস ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ক্রেতাদের পকেট কাটছেন। শুধু অতিরিক্ত মূল্য রাখাই নয়, মাংসের মান, ওজন এবং জবাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে গা শিউরে ওঠার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ। ২০ জুন (শনিবার) সকালে ​সরেজমিনে কোম্পানীগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া দামকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। কোনো দোকানেই ঝুলছে না বাধ্যতামূলক মূল্যতালিকা। উৎসব-পার্বণ কিংবা সাধারণ দিন—সব সময়ই কৃত্রিম সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে এই সিন্ডিকেট চক্র দাম বাড়িয়ে রাখছে। অথচ একই উপজেলার অন্য প্রান্ত বা পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাংসের দামে রয়েছে বিশাল ফারাক। বাজারে সিন্ডিকেটের এই একচেটিয়া আধিপত্যের কারণে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা মাংসের স্বাদ ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছেন। ​বাজারের সবচেয়ে রহস্যজনক এবং উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক মাংস ব্যবসায়ীকে কোনো পশু জবাই না করেই গরুর বিভিন্ন অংশ যেমন—কলিজা, ফেপসা, হাড় ও নাড়ীভুঁড়ি বিক্রি করতে দেখা যায়। সাধারণ ক্রেতাদের মনে এখন একটা বড় প্রশ্ন—যদি ওই দোকানে কোনো গরু জবাই-ই না হয়ে থাকে, তবে এই অঙ্গগুলো কোথা থেকে আসছে? স্থানীয়দের আশঙ্কা, রাতের আঁধারে কোনো অসুস্থ, মৃত বা চোরাই পশু অন্য কোথাও জবাই করে সেই মাংস ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এনে এই বাজারে তাজা মাংসের সাথে মিশিয়ে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ​

আরও পড়ুনঃ  ২৩ জুন ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি

 

পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য যেকোনো পশু জবাইয়ের আগে প্রাণিসম্পদ বিভাগের রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি সার্জন বা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক। পশুটি গর্ভবতী বা অসুস্থ কিনা, তা যাচাই করে ছাড়পত্র নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জ বাজারে এই আইনের কোনো বাস্তব প্রয়োগ নেই। খামারি থেকে ভোক্তা পর্যন্ত আসতে মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্য এবং নিয়মিত তদারকির অভাবে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে চলছে মাংস বিক্রির কাজ। ​ এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুরাদনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মেজবাহুল জান্নাত মিনি জানান, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য যেকোনো পশু জবাইয়ের আগে প্রাণিসম্পদ বিভাগের রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি সার্জন বা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে এবং পশুটি গর্ভবতী বা অসুস্থ কি না, তা যাচাই করে ছাড়পত্র নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে বাণিজ্যিকভাবে নিয়মিত পশু জবাই হয় বলে শুনেছি, কিন্তু আমাদের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে বা ছাড়পত্র নিয়ে কোনো ব্যবসায়ী পশু জবাই করেন না। আমরা এ ধরনের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। অভিযোগ রয়েছে কোম্পানীগঞ্জ মাংস বাজারের দেলোয়ার হোসেনের দোকানে ফেপসা কিনতে গিয়ে ওজনে কারচুপি এবং অতিরিক্ত চর্বি ও গরুর অন্যান্য অংশ মিলিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বদরুন নাহার নামের এক নারী ক্রেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঙুল কেটে ফেলার চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক ওই মাল গছিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধার হাশেমবাজারে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

 

এর পাশাপাশি অসংখ্য ক্রেতাদের অভিযোগ, ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লা ব্যবহার করলেও কৌশলে ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভালো মাংসের সাথে অতিরিক্ত চর্বি, নিম্নমানের হাড় ও পচা-বাঁসি মাংস মিশিয়ে দেওয়া এখন এখানকার নিত্যদিনের চিত্র। ক্রেতারা নির্দিষ্ট অংশের মাংস চাইলে জোরপূর্বক চর্বি ও হাড় ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাজারে আসা একাধিক সাধারণ ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোম্পানীগঞ্জ বাজারে কোনো আইন নেই, ব্যবসায়ীরা যা ইচ্ছা তা-ই করছে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মূল্যতালিকা নেই, দামও ৮০০ টাকা। প্রশাসন যদি এখনই এখানে এসে জরিমানা এবং কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এই উৎসব বন্ধ হবে না। ​খাদ্যে ভেজাল রোধ, ওজনে কারচুপি বন্ধ এবং সিন্ডিকেটের হাত থেকে সাধারণ ক্রেতাদের বাঁচাতে কোম্পানীগঞ্জ মাংস বাজারে অনতিবিলম্বে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের যৌথ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। বাজার মনিটরিং জোরদার করে দোষী ব্যবসায়ীদের মোটা অঙ্কের জরিমানা ও দোকান সিলগালা করার মতো কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না করলে এই নৈরাজ্য থামানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  ফেরির অভাবে সন্ন্যাসী-কলারোণ ঘাট এখন মরণফাঁদ, জীবনঝুঁকিতে চার উপজেলার মানুষ