Dhaka ০৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নাটোরে জুয়ার আসর থেকে ৩৯ হাজার টাকাসহ চারজন আটক নারায়ণগঞ্জে ইজিবাইক গ্যারেজ ও ঝুটের গুদামে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৭টি প্রতিষ্ঠান নাটোরের বড়াইগ্রামের ভরতপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিকিৎসা অবহেলায় মায়ের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করলেন এম পি পুত্র আসিফ সিরাজ রব্বানী গোপালগঞ্জ জেলার বাটিকামারী গ্রামে ভুয়া আমিন বানিয়ে জমি দখলের চেষ্টা ও গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উপবন এক্সপ্রেসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বরমচালের যাত্রীর মৃত্যু তাহিরপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় বাড়িঘর ভাঙচুর,লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শপথের আগে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন: মির্জা ফখরুল নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। একই সঙ্গে ডিমের দাম বেড়ে ডজনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার খরচ বেড়েই চলেছে। হিমশিম খাচ্ছেন সংসার চালাতে গিয়ে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র। বাজার ও এলাকাভেদে পণ্যের দামে কিছুটা পার্থক্যও দেখা যায়। মাংসের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে মিলছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি। ইলিশের দামও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা। ক্রেতারা বলছেন, ২৫০ টাকার নিচে এখন কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তেলাপিয়াও কেজিপ্রতি আড়াইশ টাকা। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। বিক্রেতারা জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমলেও পরদিন আবার দাম বেড়ে যায়। যেদিন যেমন আসে সেদিন তেমন দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতেই এখন বড় অঙ্কের টাকা খরচ হচ্ছে। এক পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও অন্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। অথচ আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন কয়েক দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও বিরোধীদলীয় নেতা

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নাটোরে জুয়ার আসর থেকে ৩৯ হাজার টাকাসহ চারজন আটক

নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। একই সঙ্গে ডিমের দাম বেড়ে ডজনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার খরচ বেড়েই চলেছে। হিমশিম খাচ্ছেন সংসার চালাতে গিয়ে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র। বাজার ও এলাকাভেদে পণ্যের দামে কিছুটা পার্থক্যও দেখা যায়। মাংসের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে মিলছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও বিরোধীদলীয় নেতা

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি। ইলিশের দামও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা। ক্রেতারা বলছেন, ২৫০ টাকার নিচে এখন কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তেলাপিয়াও কেজিপ্রতি আড়াইশ টাকা। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। বিক্রেতারা জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমলেও পরদিন আবার দাম বেড়ে যায়। যেদিন যেমন আসে সেদিন তেমন দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতেই এখন বড় অঙ্কের টাকা খরচ হচ্ছে। এক পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও অন্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। অথচ আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন কয়েক দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

আরও পড়ুনঃ  কম দামে পোশাক দিয়েও ইউরুপের বাজার ধরে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ