
মাসুদ রানা মাসুম, পার্বত্য ব্যুরো: পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন প্রশাসনিক জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন জেলা পরিষদ গঠন করেছে সরকার। গতকাল ২০ আগস্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ৩টি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদগুলোকে বাতিল করে নতুন এই পরিষদ কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও সংশোধনী আইনের অর্পিত ক্ষমতাবলে সরকার প্রতিটি জেলা পরিষদে ১ জন চেয়ারম্যান এবং ১৪ জন সদস্যসহ মোট ১৫ জন করে তিন জেলায় সর্বমোট ৪৫ জন প্রতিনিধিকে অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের নতুন নেতৃত্বের জন্য নিয়োগ প্রদান করেছে।
তিন জেলার নতুন পরিষদ: বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ: সাবেক সংসদ সদস্য মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে গঠিত ১৪ জনের সদস্য কমিটিতে রয়েছেন চনুমং মারমা, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, দনওয়াই ম্রো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউ প্রু খিয়াং, উম্যাসিং মারমা এবং কাজী নিরুতাজ বেগম। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ: জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদারকে (দীপু) চেয়ারম্যান করে গঠিত ১৪ জনের সদস্য কমিটিতে রয়েছেন শাশ্বত চাকমা, বিল্টু চাকমা, সুবিমল চাকমা, অনিল বরণ চাকমা, উথোয়াইমং মারমা, পাইচিং মং মারমা, প্রেমা তালুকদার, তিমথী খিয়াং, সুপর্ণ দেব বর্মণ, মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ ফারুক, নন্দিতা দাশ এবং চন্দ্রা চাকমা।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ: ম্রাসা থোয়াই মারমাকে চেয়ারম্যান করে গঠিত ১৪ জনের সদস্য কমিটিতে রয়েছেন এম এন আবছার, ক্ষেত্র মোহন ত্রিপুরা, আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন, খনি রঞ্জন ত্রিপুরা, কুহেলী দেওয়ান, তাহমিনা সিরাজ সীমা, নারায়ণ ত্রিপুরা, রুমেল মারমা, দেব রানী চাকমা, রিপল চাকমা, শান্তিপ্রিয় চাকমা, মংসাপ্রু চৌধুরী এবং ক্যরী মগ। নতুন এই অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠনের পর থেকেই পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলার নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয়, স্থানীয় জনগণের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা এবং তাঁদের হাত ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও সার্বিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কী ধরনের পরিবর্তন আসে—সেদিকেই এখন নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
প্রতিবেদকের নাম 



















