Dhaka ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফরিদগঞ্জে নবাগত ইউএনও এর সাথে জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রায়পুরের এসিল্যান্ড নিগার সুলতানাকে চট্টগ্রাম বিভাগে ন্যস্ত গাজীপুরে ট্রাকচাপায় পথচারী ও মাছ ব্যবসায়ী নিহত, মেয়ের বিয়ের আনন্দের ঘরে শোক গাইবান্ধায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা ও.আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মৃত্যুর পরও দীর্ঘদিনের সঙ্গীর থেকে বিচ্ছিন্ন হলেন না স্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি, ৫ অক্টোবর অবস্থান কর্মসূচির ডাক টাঙ্গাইলে একদিনে ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ: পৌর উদ্যানে মহুয়ার চারা রোপণ করলেন জেলা প্রশাসক লালপুরে ১০টি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশদের হাজিরা প্যারেড ও অফিসার ইনচার্জের দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৩ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুরে হামলার শিকার বেসরকারি সংস্থা রাড্ডা এমসিএইচের কার্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার অভিযোগ, ভাঙচুরের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও তা ঠেকাতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাড্ডা এমসিএইচ পরিদর্শনে যান আসিফ মাহমুদ। বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রসূতি ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল। বৃহস্পতিবার হামলার সময় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির চারটি ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সেখানে ‘সমমনা দোকানদার সমিতি লিমিটেড’-এর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়। রোববার পরিদর্শনের সময় এনসিপির কর্মীরা সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলেন।

আরও পড়ুনঃ  ‘সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া এত বড় অপকর্ম করার সাহস কেউ করবে না: শফিকুর রহমান

 

 

একই সঙ্গে দোকানদার সমিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি নিদর্শনও সরিয়ে দেওয়া হয়। পরিদর্শন শেষে আসিফ মাহমুদ বলেন, রাড্ডার ভেতর থেকে ওষুধ, ইনজেকশন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করে নেওয়া হয়েছে। এমনকি দরিদ্র শিশুদের জন্য রাখা টিকাও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।তিনি বলেন, ‘আপনারা ধনীদের থেকে চাঁদাবাজি করেন, ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদাবাজি করেন। ইসিবিতে আমরা দেখলাম সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে আপনারা গতকাল ভয়ানক ধ্বংসযজ্ঞ চালাইছেন। আপনারা এখানে গরিব বাচ্চাদের টিকাটা পর্যন্ত ছাড়েন নাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ‘মবতন্ত্রের কবর রচনা’ সংক্রান্ত বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের লজ্জা হয়। আমরা দেখেছি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব নেয়ার পরে বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশে আজ থেকে মবতন্ত্রের কবর রচনা করা হলো’’। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? মবতন্ত্র দিয়ে ঠিক তিনটা জায়গায় দুইদিনের মধ্যে একটা স্বাস্থ্য সেবা ক্লিনিক, একটা স্টুডিও আরেকটা প্রতিষ্ঠানের কবর রচনা করলেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

 

 

এই ঘটনার সাথে জড়িত কারা? আমরা দেখলাম সিসিটিভি ক্যামেরায়—পুলিশ এসে দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে এক্সকেভেটর, ট্রাক আনা হয়েছে। একটা এক্সকেভেটর যখন আসে, পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম কী হওয়া উচিত? যে এই এক্সকেভেটরের এখানে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমতি আছে কি না। তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে আমি যদি আমার বাড়িও ভাঙতে চাই এক্সকেভেটর দিয়ে; আমার পুলিশের অনুমতি নিতে হয়, সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিতে হয়। তো পুলিশ এসে এখানে মবতন্ত্র যাতে কায়েম করতে পারে, এটা নিশ্চিত করেছে। যখন ভাঙচুর শুরু হয়েছে, তখন পুলিশ এখান থেকে হেঁটে চলে গেছে। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ পুরোনো বাংলা সিনেমার একটি দৃশ্যের সঙ্গে বিষয়টির তুলনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন এসে দেখলাম—প্রবেশপথে পুলিশ, ভেতরে পুলিশ। ওই যে বাংলা ছায়াছবিতে একটা জিনিস আছে না যে, ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ আসছে। তো এখানেও ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে পরিদর্শন করতে।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তাসনিম জারার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফরিদগঞ্জে নবাগত ইউএনও এর সাথে জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ

আপডেটের সময়: ০৪:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুরে হামলার শিকার বেসরকারি সংস্থা রাড্ডা এমসিএইচের কার্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার অভিযোগ, ভাঙচুরের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও তা ঠেকাতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাড্ডা এমসিএইচ পরিদর্শনে যান আসিফ মাহমুদ। বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রসূতি ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল। বৃহস্পতিবার হামলার সময় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির চারটি ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সেখানে ‘সমমনা দোকানদার সমিতি লিমিটেড’-এর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়। রোববার পরিদর্শনের সময় এনসিপির কর্মীরা সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

 

 

একই সঙ্গে দোকানদার সমিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি নিদর্শনও সরিয়ে দেওয়া হয়। পরিদর্শন শেষে আসিফ মাহমুদ বলেন, রাড্ডার ভেতর থেকে ওষুধ, ইনজেকশন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করে নেওয়া হয়েছে। এমনকি দরিদ্র শিশুদের জন্য রাখা টিকাও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।তিনি বলেন, ‘আপনারা ধনীদের থেকে চাঁদাবাজি করেন, ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদাবাজি করেন। ইসিবিতে আমরা দেখলাম সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে আপনারা গতকাল ভয়ানক ধ্বংসযজ্ঞ চালাইছেন। আপনারা এখানে গরিব বাচ্চাদের টিকাটা পর্যন্ত ছাড়েন নাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ‘মবতন্ত্রের কবর রচনা’ সংক্রান্ত বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের লজ্জা হয়। আমরা দেখেছি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব নেয়ার পরে বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশে আজ থেকে মবতন্ত্রের কবর রচনা করা হলো’’। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? মবতন্ত্র দিয়ে ঠিক তিনটা জায়গায় দুইদিনের মধ্যে একটা স্বাস্থ্য সেবা ক্লিনিক, একটা স্টুডিও আরেকটা প্রতিষ্ঠানের কবর রচনা করলেন।

আরও পড়ুনঃ  নবাবগঞ্জের শালখুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা

 

 

এই ঘটনার সাথে জড়িত কারা? আমরা দেখলাম সিসিটিভি ক্যামেরায়—পুলিশ এসে দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে এক্সকেভেটর, ট্রাক আনা হয়েছে। একটা এক্সকেভেটর যখন আসে, পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম কী হওয়া উচিত? যে এই এক্সকেভেটরের এখানে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমতি আছে কি না। তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে আমি যদি আমার বাড়িও ভাঙতে চাই এক্সকেভেটর দিয়ে; আমার পুলিশের অনুমতি নিতে হয়, সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিতে হয়। তো পুলিশ এসে এখানে মবতন্ত্র যাতে কায়েম করতে পারে, এটা নিশ্চিত করেছে। যখন ভাঙচুর শুরু হয়েছে, তখন পুলিশ এখান থেকে হেঁটে চলে গেছে। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ পুরোনো বাংলা সিনেমার একটি দৃশ্যের সঙ্গে বিষয়টির তুলনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন এসে দেখলাম—প্রবেশপথে পুলিশ, ভেতরে পুলিশ। ওই যে বাংলা ছায়াছবিতে একটা জিনিস আছে না যে, ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ আসছে। তো এখানেও ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে পরিদর্শন করতে।

আরও পড়ুনঃ  ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে পাইথল ইউনিয়নবাসী ঐক্যবদ্ধ, হুঁশিয়ারি