Dhaka ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি দেবিদ্বারে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৩০ দিনের কারাদণ্ড ধামরাইয়ে হিফফুজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পলাশবাড়ীতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ পাবনায় নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে জবাই করে হত্যা, ছেলে আটক লালপুরে গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা প্যারেড অনুষ্ঠিত দিলীপ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজা পরিদর্শন কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে উৎসবে মাতোয়ারা ভক্তরা বাঁশখালীর বরুমছড়ায় অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা এমপির নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪, আহত ৩২

সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতীয় সংসদই রাজনৈতিক বিতর্ক, মতবিনিময় ও জাতীয় সমস্যার সমাধানের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, কেউ কেউ জাতীয় সংসদের চেয়ে রাজপথে সমস্যার সমাধান বড় করে দেখছে। কিন্তু সরকার সংসদে জাতীয় সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। সংসদের পরিবর্তে রাজপথকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি। প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়। তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।

আরও পড়ুনঃ  দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব: ডিসি ফরিদা

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল শিক্ষা হলো জনগণের ঐক্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হবে। একই সঙ্গে মব কালচার, সাম্প্রদায়িক হামলা ও সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে তিনি এসব প্রতিরোধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সাংবাদিক-সংস্কৃতিকর্মীদের মানবতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুনঃ  মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় ভোর ৫টা থেকে যৌথ অভিযান, মাঠে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, বিপিজেএ’র সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, সহ-সভাপতি মশিউর রহমান সুমনসহ সংগঠনের সদস্যরা।

আরও পড়ুনঃ  গুলশানের ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজে’ অবৈধ বার, ২৪৪ লিটার মদ ও বিয়ার জব্দ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি

সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৬:০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতীয় সংসদই রাজনৈতিক বিতর্ক, মতবিনিময় ও জাতীয় সমস্যার সমাধানের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, কেউ কেউ জাতীয় সংসদের চেয়ে রাজপথে সমস্যার সমাধান বড় করে দেখছে। কিন্তু সরকার সংসদে জাতীয় সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। সংসদের পরিবর্তে রাজপথকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি। প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়। তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।

আরও পড়ুনঃ  অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ-চীন

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল শিক্ষা হলো জনগণের ঐক্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হবে। একই সঙ্গে মব কালচার, সাম্প্রদায়িক হামলা ও সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে তিনি এসব প্রতিরোধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সাংবাদিক-সংস্কৃতিকর্মীদের মানবতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুনঃ  গুলশানের ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজে’ অবৈধ বার, ২৪৪ লিটার মদ ও বিয়ার জব্দ

সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, বিপিজেএ’র সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, সহ-সভাপতি মশিউর রহমান সুমনসহ সংগঠনের সদস্যরা।

আরও পড়ুনঃ  আশুলিয়ায় সাড়ে ৫ লাখ টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার ২