Dhaka ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলার চেষ্টা: আটক যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরী হেলালের ভিডিও চিএে ঘুষ গ্রহণ জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চোর সন্দেহে দুই যুবককে পিটিয়ে আহত, একজনের মৃত্যু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের সঙ্গে বিদ্যুৎমন্ত্রীর মতবিনিময় পত্নীতলা খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্ম দিবস উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে, বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ লাইসেন্সবিহীন ৫ ইটভাটায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা, ইউএনও-র কঠোর হুঁশিয়ারি ঈদগাঁও বাস স্টেশন ও বাজারে সড়ক দখল: চরম ভোগান্তিতে পথচারী-রোগীরা নাটোর লালপুরে দুই সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার

রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরী হেলালের ভিডিও চিএে ঘুষ গ্রহণ

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের নৈশ প্রহরী হেলাল তার বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে ভূমি সেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।একই কর্মস্হলে ১২ বছর চাকরির সুবাধে ডালপালা মেলেছে তার।সহকারী কমিশনার ভূমি’র নাম ব্যবহার করে ঘুষ নেয় হেলাল।মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে নামজারি (জমাখারিজ)করেদেন।আরএস ও নামজারি খতিয়ানের ফটোকপি,নামজারি (জমাখারিজ) সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি,নামজারির সহি মুহুরী খতিয়ান,জমির সাবেক ও হাল দাগের সূচি,নামজারি (জমাখারিজ) হয়েছে সে নথির ফটোকপি ও জমির লিজের নথির ফটোকপি,খতিয়ানের নাম সংশোধন সহ ভূমি অন্যান্য সেবা পেতে সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত ঘুষ নেয় হেলাল। নৈশ প্রহরী হেলালের একাধিক ভিডিও চিত্রে ঘুষের টাকা নিতে দেখা যায়।জানা গেছে ২০১৪ সালে রায়পুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে যোগদান করে এই হেলাল। আরো জানা যায় ২০১৮ সালে সরকার সারাদেশে উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরীদের চাকরি বাতিল করে দেন। এরপর তারা মামলা করে চাকরিতে আছেন। সরকারি কোন বেতন নেই বলে জানা যায় কিন্তু হেলাল কি ভাবে চাকরি করেন অভিযোগ রয়েছে।আরো দেখা যায় ফেসবুক পেজ এ একাধিকবার এসিল্যান্ডের সাথে মোবাইল কোর্টে ও যেতো নৈশ প্রহরী হেলাল ।

 

ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে,হেলাল অফিস সহায়কের চেয়ারে বসে আছেন। সে নৈশ প্রহরী হয়েও দিনের আলোতে তাকে দেখা যায়। জনতার পক্ষ থেকে একাধিক ভুক্তভোগী জানায়।হেলাল যোগদানের পর থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে তার কাছে অসম্ভব বলে কিছু থাকে না। ভুক্তভোগীরা একাধিক বার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযোগ জানালেও কোন কাজ হয়নি।জানা যায় ৮ নং দক্ষিন চর বংশীর ইউনিয়নের আবদুর রহমানের পুত্র নিজাম উদ্দিন বলেন তার জমির জমা খারিজ খতিয়ান ও নামজারি (জমাখারিজ) সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি নিতে ৪০০ টাকা নেন হেলাল। দক্ষিন চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দার মাসুদ আলম বলেন তার জমির লিজের নথি তুলতে গেলে হেলাল হয়রানি করেন। কয়েক দিন ঘুরানোর পর ৫০০০ চায় পরে ৩০০০ হাজার টাকা নিয়ে লিজের নথির ফটোকপি দেন হেলাল।উত্তর চরবংশী মনির হোসেন বলেন তাদের জমির নামজারি নথির ফটোকপি নিতে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয় হেলাল । চরবংশীর মফিজ উল্যার পুত্র হানিফ মিয়া বলে নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি ও আরএস খতিয়ান ও দাগ সূচির ফটোকপি নিতে ১০০০ টাকা নেন ও নামজারি (জমাখারিজ)নথি ২ টা ফটোকপি নিতে ২০০০ টাকা চেয়ে নেন নৈশ প্রহরী হেলাল।উওর চরবংশীর নুর মোহাম্মদের পুত্র হাসিম মিয়া বলেন নামজারি (জমাখারিজ)সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি নিতে গেলে টাকা চায় হেলাল ৫০০ টাকা দিলে ফটোকপি করে দেন।উত্তর চরবংশীর আবু কালাম বলেন নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি ও আরএস খতিয়ানও দাগ সূচি ফটোকপি করতে ৮০০ টাকা ঘুষ নেয় হেলাল।উওর চরবংশী ইউনিয়নের বাসিন্দার মো আবুল হাশেম মিয়া বলেন আমি জমাখারিজ এর নথি তুলতে আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চায় ১০০০ টাকা দিলে হেলাল ফটোকপি করে দেন।ও খতিয়ানের ফটোকপি করতে ও টাকা নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী

 

দক্ষিন চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা মন্নান বলে নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি ও তার জমির আরএস খতিয়ান ও দাগ সূচি তুলতে ১০০০ টাকা চেয়ে নেয় হেলাল। উত্তর চরবংশীর কবির হোসেন বলেন নৈশ প্রহরী হেলাল মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে টাকা না দিলে মানুষের গায়ে হাত তুলতেও বলে। উওর চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা সদাগর মিয়া বলেন তার জমির খতিয়ান তুলতে অনেক টাকা নেয়। তাকে হয়রানি করে হেলাল ৬০০ টাকা নিয়ে ও খতিয়ান তুলে দেয়নি। টাকা চাইলে খারাপ ব্যবহার করেন হেলাল । চর আবাবিলের আনোয়ার মিয়া বলেন নামজারি (জমাখারিজ) নথি তুলতে গেলে তাকে হয়রানি করা হয় ১৫০০ টাকা দিলে নামজারির নথির ফটোকপি করেদেন। একাধিক সেবা প্রত্যাশী এ প্রতিবেদককে বলেন জমির অনলাইনে নামজারি আবেদন করতে হলে নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি দিয়ে আবেদন করতে হয়। নৈশ প্রহরী হেলাল সবার কাজ থেকে ২০০ টাকা করে একটা খতিয়ান ফটোকপি করে দিতে নেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভুক্তভোগীরা বলেন নৈশ প্রহরী হেলাল এসিল্যান্ডের কথা বলে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে নামজারি (জমাখারিজ) করে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ভুক্তভোগী বলেন তাদের কাছ থেকে নামজারির ডিসিআর ফি সহ ৩৭০০ টাকা নিছে বলে অভিযোগ রয়েছে।গত কয়েক মাস আগে ও কিছু দিন আগে রায়পুর উপজেলা ভুমি অফিসের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের নিয়ে কয়েকটি পএিকার নিউজ ও ঘুষের টাকা ফেসবুক একাধিক পেজ এ ভাইরাল হয়। সেই পএিকার নিউজ ও ঘুষের টাকার ভিডিও কমেন্টে নৈশ প্রহরী হেলাল এর বিষয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেয়া ঘুষ ও হয়রানি কমেন্টে দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ  আটোয়ারীর হাজী সাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, সাবেক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

 

গরিব অসহায় মানুষের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত ঘুষের টাকাও হাতিয়ে নেন হেলাল। অথচ ভূমি অফিসে সরকারি ফটোকপির মেশিন, সরকারি কাগজ শুধু ফটোকপি করে দিবে তাতেও ঘুষ দিতে হয়। আরো জানা যায় একতরফা মামলা রায় কপি,ওয়ারিশি জমি,যৌথ দলিল,যৌথ খতিয়ানের জমি ও বিতর্কিত জমি নামজারি করলে ঘুষ দিলে নথি সিরিয়ালে রাখেন না। এতে কি ভাবে নামজারি হয়েছে বিবাদী জানতে পারেনা।এতে ভুক্তভোগীরা হয়রানি শিকার হন।আরো জানা যায় ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরী হেলাল প্রতি মাসে ঘুষ নিয়ে লাখ টাকার ও বেশি মাসিক ইনকাম তার।নিয়ম অনুযায়ী অফিসের কোনো স্টাফের হাতে হাতে টাকা নেয়ার সুযোগ নেই।সে সিন্ডিকেট করে নিজের হাতে টাকা নেন হেলাল। আরো জানা যায় নতুন করে ৪০ লাখ টাকার অধিক ব্যয় করে ভবন নির্মাণ করেছেন। নিজ গ্রামে কিনেছেন অনেক সম্পওি,এই সব টাকার উৎস কি ভুক্তভোগীগণ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলে গণমাধ্যম কে জানান। উপরোক্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা কে বক্তব্য নেয়ার জন্য মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করেও উত্তর পাওয়া যায় নাই। উপরোক্ত বিষয়ে অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা বলেন বিষয়টি ইউএনও কে জানান। এই বিষয়ে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অফিসে টাকা নেওয়ার বিধান নেই, প্রমান সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডি ৩২ ও আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলার চেষ্টা: আটক যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড

রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরী হেলালের ভিডিও চিএে ঘুষ গ্রহণ

আপডেটের সময়: ০৭:০৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের নৈশ প্রহরী হেলাল তার বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে ভূমি সেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।একই কর্মস্হলে ১২ বছর চাকরির সুবাধে ডালপালা মেলেছে তার।সহকারী কমিশনার ভূমি’র নাম ব্যবহার করে ঘুষ নেয় হেলাল।মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে নামজারি (জমাখারিজ)করেদেন।আরএস ও নামজারি খতিয়ানের ফটোকপি,নামজারি (জমাখারিজ) সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি,নামজারির সহি মুহুরী খতিয়ান,জমির সাবেক ও হাল দাগের সূচি,নামজারি (জমাখারিজ) হয়েছে সে নথির ফটোকপি ও জমির লিজের নথির ফটোকপি,খতিয়ানের নাম সংশোধন সহ ভূমি অন্যান্য সেবা পেতে সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত ঘুষ নেয় হেলাল। নৈশ প্রহরী হেলালের একাধিক ভিডিও চিত্রে ঘুষের টাকা নিতে দেখা যায়।জানা গেছে ২০১৪ সালে রায়পুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে যোগদান করে এই হেলাল। আরো জানা যায় ২০১৮ সালে সরকার সারাদেশে উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরীদের চাকরি বাতিল করে দেন। এরপর তারা মামলা করে চাকরিতে আছেন। সরকারি কোন বেতন নেই বলে জানা যায় কিন্তু হেলাল কি ভাবে চাকরি করেন অভিযোগ রয়েছে।আরো দেখা যায় ফেসবুক পেজ এ একাধিকবার এসিল্যান্ডের সাথে মোবাইল কোর্টে ও যেতো নৈশ প্রহরী হেলাল ।

 

ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে,হেলাল অফিস সহায়কের চেয়ারে বসে আছেন। সে নৈশ প্রহরী হয়েও দিনের আলোতে তাকে দেখা যায়। জনতার পক্ষ থেকে একাধিক ভুক্তভোগী জানায়।হেলাল যোগদানের পর থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে তার কাছে অসম্ভব বলে কিছু থাকে না। ভুক্তভোগীরা একাধিক বার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযোগ জানালেও কোন কাজ হয়নি।জানা যায় ৮ নং দক্ষিন চর বংশীর ইউনিয়নের আবদুর রহমানের পুত্র নিজাম উদ্দিন বলেন তার জমির জমা খারিজ খতিয়ান ও নামজারি (জমাখারিজ) সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি নিতে ৪০০ টাকা নেন হেলাল। দক্ষিন চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দার মাসুদ আলম বলেন তার জমির লিজের নথি তুলতে গেলে হেলাল হয়রানি করেন। কয়েক দিন ঘুরানোর পর ৫০০০ চায় পরে ৩০০০ হাজার টাকা নিয়ে লিজের নথির ফটোকপি দেন হেলাল।উত্তর চরবংশী মনির হোসেন বলেন তাদের জমির নামজারি নথির ফটোকপি নিতে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয় হেলাল । চরবংশীর মফিজ উল্যার পুত্র হানিফ মিয়া বলে নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি ও আরএস খতিয়ান ও দাগ সূচির ফটোকপি নিতে ১০০০ টাকা নেন ও নামজারি (জমাখারিজ)নথি ২ টা ফটোকপি নিতে ২০০০ টাকা চেয়ে নেন নৈশ প্রহরী হেলাল।উওর চরবংশীর নুর মোহাম্মদের পুত্র হাসিম মিয়া বলেন নামজারি (জমাখারিজ)সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি নিতে গেলে টাকা চায় হেলাল ৫০০ টাকা দিলে ফটোকপি করে দেন।উত্তর চরবংশীর আবু কালাম বলেন নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি ও আরএস খতিয়ানও দাগ সূচি ফটোকপি করতে ৮০০ টাকা ঘুষ নেয় হেলাল।উওর চরবংশী ইউনিয়নের বাসিন্দার মো আবুল হাশেম মিয়া বলেন আমি জমাখারিজ এর নথি তুলতে আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চায় ১০০০ টাকা দিলে হেলাল ফটোকপি করে দেন।ও খতিয়ানের ফটোকপি করতে ও টাকা নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে নাগরপুরে ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন

 

দক্ষিন চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা মন্নান বলে নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি ও তার জমির আরএস খতিয়ান ও দাগ সূচি তুলতে ১০০০ টাকা চেয়ে নেয় হেলাল। উত্তর চরবংশীর কবির হোসেন বলেন নৈশ প্রহরী হেলাল মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে টাকা না দিলে মানুষের গায়ে হাত তুলতেও বলে। উওর চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা সদাগর মিয়া বলেন তার জমির খতিয়ান তুলতে অনেক টাকা নেয়। তাকে হয়রানি করে হেলাল ৬০০ টাকা নিয়ে ও খতিয়ান তুলে দেয়নি। টাকা চাইলে খারাপ ব্যবহার করেন হেলাল । চর আবাবিলের আনোয়ার মিয়া বলেন নামজারি (জমাখারিজ) নথি তুলতে গেলে তাকে হয়রানি করা হয় ১৫০০ টাকা দিলে নামজারির নথির ফটোকপি করেদেন। একাধিক সেবা প্রত্যাশী এ প্রতিবেদককে বলেন জমির অনলাইনে নামজারি আবেদন করতে হলে নামজারি সৃজিত খতিয়ানের ফটোকপি দিয়ে আবেদন করতে হয়। নৈশ প্রহরী হেলাল সবার কাজ থেকে ২০০ টাকা করে একটা খতিয়ান ফটোকপি করে দিতে নেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভুক্তভোগীরা বলেন নৈশ প্রহরী হেলাল এসিল্যান্ডের কথা বলে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে নামজারি (জমাখারিজ) করে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ভুক্তভোগী বলেন তাদের কাছ থেকে নামজারির ডিসিআর ফি সহ ৩৭০০ টাকা নিছে বলে অভিযোগ রয়েছে।গত কয়েক মাস আগে ও কিছু দিন আগে রায়পুর উপজেলা ভুমি অফিসের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের নিয়ে কয়েকটি পএিকার নিউজ ও ঘুষের টাকা ফেসবুক একাধিক পেজ এ ভাইরাল হয়। সেই পএিকার নিউজ ও ঘুষের টাকার ভিডিও কমেন্টে নৈশ প্রহরী হেলাল এর বিষয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেয়া ঘুষ ও হয়রানি কমেন্টে দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ  আটোয়ারীর হাজী সাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, সাবেক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

 

গরিব অসহায় মানুষের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত ঘুষের টাকাও হাতিয়ে নেন হেলাল। অথচ ভূমি অফিসে সরকারি ফটোকপির মেশিন, সরকারি কাগজ শুধু ফটোকপি করে দিবে তাতেও ঘুষ দিতে হয়। আরো জানা যায় একতরফা মামলা রায় কপি,ওয়ারিশি জমি,যৌথ দলিল,যৌথ খতিয়ানের জমি ও বিতর্কিত জমি নামজারি করলে ঘুষ দিলে নথি সিরিয়ালে রাখেন না। এতে কি ভাবে নামজারি হয়েছে বিবাদী জানতে পারেনা।এতে ভুক্তভোগীরা হয়রানি শিকার হন।আরো জানা যায় ভূমি অফিসের নৈশ প্রহরী হেলাল প্রতি মাসে ঘুষ নিয়ে লাখ টাকার ও বেশি মাসিক ইনকাম তার।নিয়ম অনুযায়ী অফিসের কোনো স্টাফের হাতে হাতে টাকা নেয়ার সুযোগ নেই।সে সিন্ডিকেট করে নিজের হাতে টাকা নেন হেলাল। আরো জানা যায় নতুন করে ৪০ লাখ টাকার অধিক ব্যয় করে ভবন নির্মাণ করেছেন। নিজ গ্রামে কিনেছেন অনেক সম্পওি,এই সব টাকার উৎস কি ভুক্তভোগীগণ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলে গণমাধ্যম কে জানান। উপরোক্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা কে বক্তব্য নেয়ার জন্য মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করেও উত্তর পাওয়া যায় নাই। উপরোক্ত বিষয়ে অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা বলেন বিষয়টি ইউএনও কে জানান। এই বিষয়ে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অফিসে টাকা নেওয়ার বিধান নেই, প্রমান সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় ১৮০ পিস ইয়াবা ও ৬৯ হাজার টাকা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আটক