Dhaka ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে ভাদুরিয়ায় ১১ দলীয় ঐক্যের স্বাগত মিছিল উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন : ইসি কুলাউড়ায় জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৪ ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ৮ আসামি আটক বরগুনায় বন বিভাগের সামনেই উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল কোথায় গেল পদ্মার সেই রুপালি ইলিশ কেরানীগঞ্জে ‘সরকার ডিজিটাল সিটি হাউজিং’-এর জোরপূর্বক জমি ভরাট, হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে তেঘুরিয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও মানববন্ধন আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি পদ্মায় হঠাৎ জলোচ্ছ্বাস: ২০ নৌকাডুবি, শহররক্ষা বাঁধে ধস, আহত ১৫ চতুর্মুখী রাজনৈতিক ও সামরিক চাপে সউদী যুবরাজ মেধা ও যোগ্যতার যেকোনো অর্জনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: আইনমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর (ইউএনওডিসি) আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালীকরণ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মানবপাচার বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে সংঘটিত গুরুতর, অমানবিক ও নিষ্ঠুর অপরাধগুলোর একটি। এটি প্রতিরোধে আইনকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর (ইউএনওডিসি) আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালীকরণ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মানবপাচার প্রতিরোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। মানবপাচারের সংজ্ঞাকে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করা হয়েছে, যাতে এর বিস্তৃত পরিসরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেন, অনলাইন জুয়া, অনলাইনের মাধ্যমে সংঘটিত পাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মানবপাচারবিষয়ক প্রোটোকল অনুমোদন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী বাংলাদেশ এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মামলা পরিচালনা ও বিচারপ্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জনবল, অভিযোগকারীদের সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ার ধীরগতির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এর জন্য বিচারকদের দোষারোপ করা যায় না; বরং এটি বিচারব্যবস্থার কাঠামোগত ও পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতার বিষয়। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৪৬ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার বিপরীতে বিচারকের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৪০০ জন। সরকার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বৈরাচার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

 

 

বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়া বাংলাদেশিদের বিষয়ে তিনি বলেন, জীবিকা ও উন্নত ভবিষ্যতের সন্ধানে মানুষকে বিদেশে যাওয়া থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত রাখা সম্ভব নয়। তবে বিদেশে গিয়ে অনিয়মিত অভিবাসীতে পরিণত হয়ে অনেক বাংলাদেশি নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হন। তাদের অধিকার সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। আইনমন্ত্রী বলেন, লিগ্যাল এইড অধিদপ্তর অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশাপাশি অভিবাসী কর্মীদেরও আইনগত সহায়তা প্রদান করছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি অভিবাসীরা প্রয়োজন হলে এ সহায়তা নিতে পারেন। এ জন্য লিগ্যাল এইডের হটলাইনও রয়েছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের গঠনমূলক পরামর্শকে সরকার স্বাগত জানায় এবং আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে। মাদক অপরাধ মোকাবিলার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই : এলজিআরডি মন্ত্রী

 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশোধিত আইন মাদকসংক্রান্ত অপরাধ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অনলাইনে মাদক বিক্রি ও ক্রয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় সরকার পুলিশের একটি পৃথক সাইবার ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে। অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রণালয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, ইউএনওডিসি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুনঃ  উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন : ইসি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে ভাদুরিয়ায় ১১ দলীয় ঐক্যের স্বাগত মিছিল

মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: আইনমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৪:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর (ইউএনওডিসি) আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালীকরণ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মানবপাচার বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে সংঘটিত গুরুতর, অমানবিক ও নিষ্ঠুর অপরাধগুলোর একটি। এটি প্রতিরোধে আইনকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর (ইউএনওডিসি) আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালীকরণ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মানবপাচার প্রতিরোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। মানবপাচারের সংজ্ঞাকে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করা হয়েছে, যাতে এর বিস্তৃত পরিসরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেন, অনলাইন জুয়া, অনলাইনের মাধ্যমে সংঘটিত পাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মানবপাচারবিষয়ক প্রোটোকল অনুমোদন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী বাংলাদেশ এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মামলা পরিচালনা ও বিচারপ্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জনবল, অভিযোগকারীদের সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ার ধীরগতির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এর জন্য বিচারকদের দোষারোপ করা যায় না; বরং এটি বিচারব্যবস্থার কাঠামোগত ও পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতার বিষয়। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৪৬ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার বিপরীতে বিচারকের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৪০০ জন। সরকার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্রের সিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ

 

 

বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়া বাংলাদেশিদের বিষয়ে তিনি বলেন, জীবিকা ও উন্নত ভবিষ্যতের সন্ধানে মানুষকে বিদেশে যাওয়া থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত রাখা সম্ভব নয়। তবে বিদেশে গিয়ে অনিয়মিত অভিবাসীতে পরিণত হয়ে অনেক বাংলাদেশি নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হন। তাদের অধিকার সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। আইনমন্ত্রী বলেন, লিগ্যাল এইড অধিদপ্তর অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশাপাশি অভিবাসী কর্মীদেরও আইনগত সহায়তা প্রদান করছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি অভিবাসীরা প্রয়োজন হলে এ সহায়তা নিতে পারেন। এ জন্য লিগ্যাল এইডের হটলাইনও রয়েছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের গঠনমূলক পরামর্শকে সরকার স্বাগত জানায় এবং আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে। মাদক অপরাধ মোকাবিলার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের তিন সিনেটরের বৈঠক

 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশোধিত আইন মাদকসংক্রান্ত অপরাধ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অনলাইনে মাদক বিক্রি ও ক্রয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় সরকার পুলিশের একটি পৃথক সাইবার ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে। অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রণালয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, ইউএনওডিসি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে : আইনমন্ত্রী