Dhaka ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কোনাবাড়ীতে নাসির পালোয়ান হত্যা মামলার আসামি  গ্রেফতার রাস্তার পাশের ডোবাই অজ্ঞাত ব্যক্তি পঁচা গলা লাশ উদ্ধার চাঞ্চল্য পত্নীতলায় মাদারগঞ্জে নিজ ঘরে ফল ব্যবসায়ীর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার একক লড়াই স্থানীয় নির্বাচনে কতটা প্রস্তুত এনসিপি স্বৈরাচার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো ইচ্ছা নেই: তথ্যমন্ত্রী বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে শরণখোলায় ২৫ হাজার তালবীজ রোপণ প্রকল্প ২০২৬ এর শুভ উদ্ধোধন। খুলনায় ভয়ংকর কিশোর গ্যাং একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটির ১২ প্রকল্প কুমিল্লায় বোন-ভাতিজা হত্যা: ট্রেন থেকে মূল আসামি গ্রেপ্তার

স্বৈরাচার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ গণহত্যাকারীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তের জাল বুনছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকার বারবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাগিদ দিলেও ভারত তা শুনছে না। বরং বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ব্রিকস সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরদিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নাটক সাজানো হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী ভারত সরকারের উদ্দেশে বলেন, আপনারা তো আমাদের বন্ধু দেশ দাবি করেন, আমরাও বলি।

 

কিন্তু কেমন বন্ধু আপনারা? যিনি একাত্তরের পর ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ১৪০০ তরুণ-কিশোর, ছাত্র-জনতা ও শ্রমিকের রক্ত পান করেছেন, সেই রক্তপিপাসু শেখ হাসিনাকে আপনারা আশ্রয় দিয়েছেন। তার সাথে যারা গণতন্ত্রকামী মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছে, তারাও সেখানে পালিয়ে রয়েছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী তাদের বারবার ফেরত চেয়েও পাচ্ছে না। তিনি অতীতে শেখ মুজিবের হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত এক সাবেক মেজরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আপনারা যদি সেই সাবেক মেজরকে ধরে শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করতে পারেন, তবে ১৪০০ মানুষকে হত্যাকারী শেখ হাসিনাকে কেন হস্তান্তর করছেন না? তাকে নিয়ে আপনাদের উদ্দেশ্য কী? নিশ্চয়ই কোনো গভীর চক্রান্ত আছে। মুখে বন্ধুত্বের সুমধুর কথা বললেও ভেতরে ভেতরে শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে আপনারা চক্রান্তের জাল বুনছেন। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। অথচ ব্রিকসে আমাদের দেশের প্রতিনিধিকে স্বাধীন সরকারপ্রধান হিসেবে নয়, বরং বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে সাইডলাইনে বসানোর মতো করে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

 

একটি স্বাধীন দেশের মর্যাদা রক্ষায় সেই অসম্মানজনক আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখার প্রতীক। তিনি আরও যোগ করেন, ব্রিকসে যাব না বলার ঠিক পরের দিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট ঘোষণা দিল তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণের সুইচ তো ভারতের ঝাড়খণ্ডে; তারা যখন ইচ্ছা বন্ধ করে চাপ তৈরি করতে চায়। এই কূটকৌশল বোঝার জন্য খুব বড় পণ্ডিত বা পিএইচডিধারী হতে হয় না, দেশের সাধারণ মানুষও তা সহজে বোঝে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কড়া সমালোচনা করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশে সীমাহীন লুণ্ঠন, ব্যাংকের টাকা পাচার, গুম ও গুপ্তহত্যা চলেছে। শীতলক্ষ্যা, পদ্মা ও বুড়িগঙ্গায় সাধারণ মানুষের লাশের মিছিল ভেসেছে। সেই অন্ধকার অধ্যায় থেকে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আজকে দেশে গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সকাল-সন্ধ্যা সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছে। কিন্তু কোনো বিরোধী নেতা কি গুম হয়েছেন? কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়েছে? হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত ভোট হবে ৭ ধাপে

 

কারণ জনগণের বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সময়ের মূল অঙ্গীকার। বর্তমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বর্তমান গ্যাস ও জ্বালানির সমস্যা কোনো কৃত্রিম সংকট নয়। এটি আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্ভূত পরিস্থিতি ও প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে সৃষ্ট একটি বৈশ্বিক সংকট। এর মধ্যেও সরকার পরিস্থিতি সামলাতে দিনরাত চেষ্টা করছে। বিকল্প হিসেবে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো-মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির মাধ্যমে শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এত বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিগত আমলের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণেই দেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী অর্জনকে মুছে ফেলার কোনো অপচেষ্টা এ দেশের সচেতন মানুষ বরদাশত করবে না। সম্প্রতি ডাকসুসহ কয়েকটি জায়গায় অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই : এলজিআরডি মন্ত্রী

 

ঐতিহাসিক ‘মধুর ক্যান্টিন’-কে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানানোর যেকোনো চক্রান্ত শহীদ মধুর মহান আত্মত্যাগের প্রতি চরম অপমান। শহীদ মধু আমাদের ইতিহাসের অংশ। একাত্তরের পরাজিত শক্তি যদি ভিন্ন কায়দায় এর প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে এ দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা ও মুক্তিযোদ্ধারা কঠোর হাতে তা প্রতিহত করবে। মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন, আনিসুজ্জামান খোকন, মেজর (অব.) মিজানসহ মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কোনাবাড়ীতে নাসির পালোয়ান হত্যা মামলার আসামি  গ্রেফতার

স্বৈরাচার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

আপডেটের সময়: ০৫:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ গণহত্যাকারীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তের জাল বুনছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকার বারবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাগিদ দিলেও ভারত তা শুনছে না। বরং বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ব্রিকস সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরদিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নাটক সাজানো হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী ভারত সরকারের উদ্দেশে বলেন, আপনারা তো আমাদের বন্ধু দেশ দাবি করেন, আমরাও বলি।

 

কিন্তু কেমন বন্ধু আপনারা? যিনি একাত্তরের পর ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ১৪০০ তরুণ-কিশোর, ছাত্র-জনতা ও শ্রমিকের রক্ত পান করেছেন, সেই রক্তপিপাসু শেখ হাসিনাকে আপনারা আশ্রয় দিয়েছেন। তার সাথে যারা গণতন্ত্রকামী মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছে, তারাও সেখানে পালিয়ে রয়েছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী তাদের বারবার ফেরত চেয়েও পাচ্ছে না। তিনি অতীতে শেখ মুজিবের হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত এক সাবেক মেজরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আপনারা যদি সেই সাবেক মেজরকে ধরে শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করতে পারেন, তবে ১৪০০ মানুষকে হত্যাকারী শেখ হাসিনাকে কেন হস্তান্তর করছেন না? তাকে নিয়ে আপনাদের উদ্দেশ্য কী? নিশ্চয়ই কোনো গভীর চক্রান্ত আছে। মুখে বন্ধুত্বের সুমধুর কথা বললেও ভেতরে ভেতরে শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে আপনারা চক্রান্তের জাল বুনছেন। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। অথচ ব্রিকসে আমাদের দেশের প্রতিনিধিকে স্বাধীন সরকারপ্রধান হিসেবে নয়, বরং বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে সাইডলাইনে বসানোর মতো করে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

 

একটি স্বাধীন দেশের মর্যাদা রক্ষায় সেই অসম্মানজনক আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখার প্রতীক। তিনি আরও যোগ করেন, ব্রিকসে যাব না বলার ঠিক পরের দিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট ঘোষণা দিল তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণের সুইচ তো ভারতের ঝাড়খণ্ডে; তারা যখন ইচ্ছা বন্ধ করে চাপ তৈরি করতে চায়। এই কূটকৌশল বোঝার জন্য খুব বড় পণ্ডিত বা পিএইচডিধারী হতে হয় না, দেশের সাধারণ মানুষও তা সহজে বোঝে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কড়া সমালোচনা করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশে সীমাহীন লুণ্ঠন, ব্যাংকের টাকা পাচার, গুম ও গুপ্তহত্যা চলেছে। শীতলক্ষ্যা, পদ্মা ও বুড়িগঙ্গায় সাধারণ মানুষের লাশের মিছিল ভেসেছে। সেই অন্ধকার অধ্যায় থেকে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আজকে দেশে গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সকাল-সন্ধ্যা সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছে। কিন্তু কোনো বিরোধী নেতা কি গুম হয়েছেন? কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়েছে? হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  নিরাপদ খাদ্য গড়ে তুলতে পারে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম: খাদ্যমন্ত্রী

 

কারণ জনগণের বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সময়ের মূল অঙ্গীকার। বর্তমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বর্তমান গ্যাস ও জ্বালানির সমস্যা কোনো কৃত্রিম সংকট নয়। এটি আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্ভূত পরিস্থিতি ও প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে সৃষ্ট একটি বৈশ্বিক সংকট। এর মধ্যেও সরকার পরিস্থিতি সামলাতে দিনরাত চেষ্টা করছে। বিকল্প হিসেবে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো-মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির মাধ্যমে শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এত বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিগত আমলের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণেই দেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী অর্জনকে মুছে ফেলার কোনো অপচেষ্টা এ দেশের সচেতন মানুষ বরদাশত করবে না। সম্প্রতি ডাকসুসহ কয়েকটি জায়গায় অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

 

ঐতিহাসিক ‘মধুর ক্যান্টিন’-কে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানানোর যেকোনো চক্রান্ত শহীদ মধুর মহান আত্মত্যাগের প্রতি চরম অপমান। শহীদ মধু আমাদের ইতিহাসের অংশ। একাত্তরের পরাজিত শক্তি যদি ভিন্ন কায়দায় এর প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে এ দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা ও মুক্তিযোদ্ধারা কঠোর হাতে তা প্রতিহত করবে। মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন, আনিসুজ্জামান খোকন, মেজর (অব.) মিজানসহ মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।