Dhaka ০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শরণখোলায় ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ। আটোয়ারীর দিঘিপাড়ায় আগাছা নাশক স্প্রেতে ৩০ বিঘা জমির ধান ধ্বংস ১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে ভাদুরিয়ায় ১১ দলীয় ঐক্যের স্বাগত মিছিল উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন : ইসি কুলাউড়ায় জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৪ ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ৮ আসামি আটক বরগুনায় বন বিভাগের সামনেই উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল কোথায় গেল পদ্মার সেই রুপালি ইলিশ কেরানীগঞ্জে ‘সরকার ডিজিটাল সিটি হাউজিং’-এর জোরপূর্বক জমি ভরাট, হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে তেঘুরিয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও মানববন্ধন আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি পদ্মায় হঠাৎ জলোচ্ছ্বাস: ২০ নৌকাডুবি, শহররক্ষা বাঁধে ধস, আহত ১৫

মেধা ও যোগ্যতার যেকোনো অর্জনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৫ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের হাফেজদের সংবর্ধনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেছেন, দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, সরকার রাষ্ট্রীয় অবস্থান থেকে সেই অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সউদী আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিজয়ী হাফেজদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যে পুরস্কার জিতে এসেছেন, এটি শুধু আপনাদেরই ব্যক্তিগত অর্জন নয়, আমি মনে করি, এটি বাংলাদেশের সকল মুসলমানের গৌরব ও অর্জন।

আরও পড়ুনঃ  আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি: প্রধানমন্ত্রী

 

হাফেজদের উৎসাহিত ও সম্মান জানানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন পর হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো হয়েছে-এ বিষয়ে আপনারা যা উল্লেখ করেছেন, তা মূলত বর্তমান সরকারের একটি নীতিরই অংশ। দেশের সন্তানরা, যারা দেশের ভবিষ্যৎ, তারা তাদের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে যা অর্জন করবে, তাকে রাষ্ট্রীয় অবস্থান থেকে মূল্যায়ন করা হবে। মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারলে এর সুফল অবশ্যই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং দেশ পাবে। অনুষ্ঠানে বিজয়ী মাদরাসা শিক্ষকদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যার আশু সমাধানের আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। এর সমাধানের কোনো পথ আমাদের হাতে রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে যতটুকু সম্ভব আমরা দেখার চেষ্টা করব। ভবিষ্যতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে নিয়ম মেনে জানাবেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।

আরও পড়ুনঃ  মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের পথে ঢাকা: তিন দলের ভিন্ন সমীকরণ

 

দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কাজের ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু লক্ষ্য একই-দেশে শান্তি স্থাপন করা, যাতে সবাই মিলে ভালো থাকতে পারি। আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই এবং সকলকে নিয়ে একসঙ্গে একটি ভালো পরিবর্তন আনতে চাই। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী হাফেজদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বই তুলে দেন এবং তাদের কণ্ঠে প্রতিযোগিতায় তিলাওয়াতকৃত সূরার অংশ বিশেষ শ্রবণ করেন। উল্লেখ্য, সউদী আরবে অনুষ্ঠিত বিশ্বের ১৩৩টি দেশের এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে ১ম স্থান অর্জন করেন। এছাড়া ৩০ পারা বিভাগে হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩য় স্থান অর্জন করেন। একই প্রতিযোগিতায় ১৫ পারা বিভাগে হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান এবং ৩০ পারা বিভাগে হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩য় স্থান অধিকার করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ বিজয়ী হাফেজদের শিক্ষক কাইয়ুম মোল্ল্যা, মুঈনুদ্দীন মজুমদার, আবু বকর ও সাজেদা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্রের সিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

শরণখোলায় ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ।

মেধা ও যোগ্যতার যেকোনো অর্জনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৫:০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের হাফেজদের সংবর্ধনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেছেন, দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, সরকার রাষ্ট্রীয় অবস্থান থেকে সেই অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সউদী আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিজয়ী হাফেজদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যে পুরস্কার জিতে এসেছেন, এটি শুধু আপনাদেরই ব্যক্তিগত অর্জন নয়, আমি মনে করি, এটি বাংলাদেশের সকল মুসলমানের গৌরব ও অর্জন।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

 

হাফেজদের উৎসাহিত ও সম্মান জানানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন পর হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো হয়েছে-এ বিষয়ে আপনারা যা উল্লেখ করেছেন, তা মূলত বর্তমান সরকারের একটি নীতিরই অংশ। দেশের সন্তানরা, যারা দেশের ভবিষ্যৎ, তারা তাদের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে যা অর্জন করবে, তাকে রাষ্ট্রীয় অবস্থান থেকে মূল্যায়ন করা হবে। মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারলে এর সুফল অবশ্যই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং দেশ পাবে। অনুষ্ঠানে বিজয়ী মাদরাসা শিক্ষকদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যার আশু সমাধানের আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। এর সমাধানের কোনো পথ আমাদের হাতে রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে যতটুকু সম্ভব আমরা দেখার চেষ্টা করব। ভবিষ্যতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে নিয়ম মেনে জানাবেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।

আরও পড়ুনঃ  একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটির ১২ প্রকল্প

 

দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কাজের ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু লক্ষ্য একই-দেশে শান্তি স্থাপন করা, যাতে সবাই মিলে ভালো থাকতে পারি। আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই এবং সকলকে নিয়ে একসঙ্গে একটি ভালো পরিবর্তন আনতে চাই। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী হাফেজদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বই তুলে দেন এবং তাদের কণ্ঠে প্রতিযোগিতায় তিলাওয়াতকৃত সূরার অংশ বিশেষ শ্রবণ করেন। উল্লেখ্য, সউদী আরবে অনুষ্ঠিত বিশ্বের ১৩৩টি দেশের এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে ১ম স্থান অর্জন করেন। এছাড়া ৩০ পারা বিভাগে হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩য় স্থান অর্জন করেন। একই প্রতিযোগিতায় ১৫ পারা বিভাগে হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান এবং ৩০ পারা বিভাগে হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩য় স্থান অধিকার করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ বিজয়ী হাফেজদের শিক্ষক কাইয়ুম মোল্ল্যা, মুঈনুদ্দীন মজুমদার, আবু বকর ও সাজেদা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  কমছে বিশ্বের সঞ্চিত পানি