Dhaka ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নীলফামারীর ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশ উদ্ধার মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান: ধুনটে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই কারবারি আটক শিশুর শৈশব কাটছে ভয়-আতঙ্কে চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলেন ইদ্রিস মিয়া নাগরপুরে ‘বেজি গ্রুপ’-এর প্রধান অমিওসহ গ্রেপ্তার ৪ মেহেন্দিগঞ্জে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ দিয়ে নারীকে অচেতন করে টাকা-স্বর্ণ-ফোন ছিনতাই পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বগুড়া মহানগর ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সমাবেশ ও মিছিল লামায় বালু খেকো চক্রের তান্ডব প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক ও এলাকাবাসীকে গুমের হুমকি পত্নীতলা সীমান্তে আবারো ৭ ভারতীয় নাগরিকের অবস্থান শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান

নীলফামারীর ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশ উদ্ধার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ সময় দেখুন

আরিফ ইসলাম আলাল,ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি: ঢাকার টাঙ্গাইলে মেডিকেল কোচিং পড়ুয়া রাকিব হোসেন (১৬) নামে এক যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিবের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে।

আরও পড়ুনঃ  মেহেন্দিগঞ্জ পৌর ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা।

 

 

একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে ঢাকার একটি দল ডিমলায় এসে তার দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, রাকিব জীবিত আছেন এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয় কি না, সে বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  লালপুরে অনলাইন জুয়া ও আইডি হ্যাকিং চক্রের সক্রিয় সদস্য গ্রেপ্তার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নীলফামারীর ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশ উদ্ধার

নীলফামারীর ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশ উদ্ধার

আপডেটের সময়: ১০:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

আরিফ ইসলাম আলাল,ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি: ঢাকার টাঙ্গাইলে মেডিকেল কোচিং পড়ুয়া রাকিব হোসেন (১৬) নামে এক যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিবের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে।

আরও পড়ুনঃ  মেহেন্দিগঞ্জ মৎস্য অফিসে জনবল সংকট, ২২ দিনের অভিযান নিয়ে শঙ্কা

 

 

একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে ঢাকার একটি দল ডিমলায় এসে তার দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, রাকিব জীবিত আছেন এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয় কি না, সে বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  পবায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের আলোচনা সভায় শফিকুল হক মিলন এমপি