Dhaka ০৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে ২৮ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দীঘিনালায় বৌদ্ধ বিহারে ২দিনব্যাপী ৩৪তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত যুব সমাজের আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পুতুল ডামুড্যায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বক্তব্যের প্রতিবাদে ভেদরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ ইপিজেড থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি ঘোষণা: সভাপতি – আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইমরান ফরিদপুরের নগরকান্দায় চরযশোরদী ইউনিয়নে লটারির মাধ্যমে নারী কর্মী নিয়োগ পবায় নিজ বাড়ির ছাদে ছুরিকাঘাতে কৃষক খুন কাশফুলে সেজেছে বাঁশখালীর গন্ডামারা, মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে ডিবির অভিযান, ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট

দীঘিনালায় এসএসসি রেজাল্ট ভরাডুবি, দুই বিদ্যালয়ে সবাই ফেল

দীঘিনালা প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হতাশাজনক ফল হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া ১৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ৪১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৩৫৭ জন। এতে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার সবচেয়ে ভালো ফল করেছে মুকুন্দ নীলিমা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটির ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৩৯ জনের মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৪৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩১ জনের মধ্যে ৫৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। অন্যদিকে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। ছোট মেরুং উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০৪ জনের মধ্যে মাত্র ৩৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। উদাল বাগান উচ্চ বিদ্যালয়, বাবুছড়ামূখ উচ্চ বিদ্যালয় ও পাবলাখালী শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়েও পাসের হার ১৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সবচেয়ে হতাশাজনক ফল হয়েছে জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। যথাক্রমে ১৯ ও ৫ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুরের নগরকান্দায় চরযশোরদী ইউনিয়নে লটারির মাধ্যমে নারী কর্মী নিয়োগ

 

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফলকে শুধু পাস-ফেলের সংখ্যা হিসেবে না দেখে কম ফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকসংকট, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পাঠদান ও পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি খুঁজে বের করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শূন্য পাস ও ২০ শতাংশের নিচে পাসের হার থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত একাডেমিক পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। দীঘিনালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ফলাফল পর্যালোচনা করে যেসব প্রতিষ্ঠানে পাসের হার কম, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ॥ বিএনপির সংবাদ বর্জনের ঘোষণা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাজশাহীতে ২৮ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

দীঘিনালায় এসএসসি রেজাল্ট ভরাডুবি, দুই বিদ্যালয়ে সবাই ফেল

আপডেটের সময়: ০৭:১৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দীঘিনালা প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হতাশাজনক ফল হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া ১৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ৪১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৩৫৭ জন। এতে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার সবচেয়ে ভালো ফল করেছে মুকুন্দ নীলিমা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটির ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৩৯ জনের মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৪৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩১ জনের মধ্যে ৫৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। অন্যদিকে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। ছোট মেরুং উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০৪ জনের মধ্যে মাত্র ৩৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। উদাল বাগান উচ্চ বিদ্যালয়, বাবুছড়ামূখ উচ্চ বিদ্যালয় ও পাবলাখালী শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়েও পাসের হার ১৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সবচেয়ে হতাশাজনক ফল হয়েছে জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। যথাক্রমে ১৯ ও ৫ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে লগি বৈঠা দিয়ে হত্যকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

 

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফলকে শুধু পাস-ফেলের সংখ্যা হিসেবে না দেখে কম ফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকসংকট, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পাঠদান ও পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি খুঁজে বের করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শূন্য পাস ও ২০ শতাংশের নিচে পাসের হার থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত একাডেমিক পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। দীঘিনালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ফলাফল পর্যালোচনা করে যেসব প্রতিষ্ঠানে পাসের হার কম, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  শ্রীপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে বাবার মৃত্যু