
দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধিঃ খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় ঐতিহ্যবাহী কামাকুছড়া ধর্ম্মাংকুর (ধলাইমা) বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বস্তু দানের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ৩৪তম কঠিন চীবর দান হাজারো পূণ্যার্থীদের সমাগমে বিহার প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ২ দিনব্যাপী কঠিন চীবর দান।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৯ ঘটিকায় সমবেত পূণ্যার্থীরা পঞ্চশীল গ্রহণ করে বুদ্ধমূর্তিদান, সঙ্ঘদান, অষ্টপরিস্কারদানের মাধ্যমে মহতী পুণ্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর দীঘিনালা থানা শাখার উপদেষ্টা প্রধান ভদন্তঃ শ্রদ্ধা লংকার মহাস্থবির মহোদয়।
বেইন বুনা অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমৎ তেজবংশ মহাস্থবির। এরপর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো পূণ্যার্থী বেইনবুনায় অংশ গ্রহন করেন। তুলা থেকে সুতা তৈরী করে রং করার মধ্যে ২৪ ঘন্টার বিতরে যে কাপড়টি বানানো হয় সেটি ভিক্ষু সংঘের নিকট দান করা হয়। বিনয় কর্ম মাধ্যমে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ওই কাপড়টি কঠিনে রুপান্তর করেন৷
স্বাগত বক্তব্য দেন ২নং বোয়ালখালী ইউপি চেয়ারম্যান বাবু চয়ন বিকাশ চাকমা ও সর্দ্ধম দেশনা প্রদান করেন,ভদন্তঃ চন্দ্রকীর্তি মহাস্থবির, ভদন্তঃ সুগত বংশ স্থবির,প্রভাষক ভদন্তঃ শীলভদ্র মহাস্থবির প্রমূখ৷
অনুষ্ঠানকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতন। দীঘিনালা অধিনায়ক লে. কর্নেল আল আমিন এসইউপি,পিএসসি মহোদয় বেইনবুনা মঞ্চ পরিদর্শনে আসলে অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য করেন ৷ বুদ্ধের অহিংসা মৈত্রীর বাণীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান করেন৷
মহান ধর্মীয় পূণ্যানুষ্ঠানকে ঘিরে দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, “কঠিন চীবর দান উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে । নজরদারি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও বিহার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।”
আয়োজক কমিটি সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।
প্রতিবেদকের নাম 


















