Dhaka ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ৭ মাসের পরোয়ানাভুক্ত মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের মূল হোতা ‘মালা ভাবি’ গ্রেপ্তার ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক অসুস্থ টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে ডিসির বিভিন্ন দপ্তর, বিদ্যালয় ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন ধুনট উপজেলা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে নারিকেল গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধার মৃত্যু পদ্মায় মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৩ জেলের কারাদণ্ড, এক লাখ মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস ধামইরহাটে প্রশাসনকে ব্যবহার করে দলীয়করণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কাউনিয়ায় তেজপাতা চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের অর্থনৈতিক চিত্র সিলেটে ইয়াবাসহ মাদক কারবারী আটক সিলেটে পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে যুবক খুন, আটক ১

জ্বলছে না চুলা সিএনজি স্টেশনে লাইন ভোগান্তিতে জনজীবন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্রাহকরা কম চাপের গ্যাস পাচ্ছেন। অনেক এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ একেবারেই থাকছে না। ফলে রান্নাবান্নায় ভোগান্তির পাশাপাশি শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনেও গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে। আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কম থাকায় গ্যাস পেতে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে যানবাহনকে। বাসাবাড়িতে অনেকে বাধ্য হয়ে এলপিজি ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। সব মিলিয়ে গ্যাস সংকট এখন শুধু আবাসিক গ্রাহকের সমস্যা নয়, এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প ও সামগ্রিক জনজীবনে। কথা হয় রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা আসমা আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, গ্যাস পাচ্ছি না। এভাবে রান্না করা যায় না। চুলায় রান্না বসিয়ে বসে থাকতে হয়। গ্যাসের চাপ এত কম যে রান্না করতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়। যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ইমরুল হোসেন বলেন, গ্যাস থাকে না তাই বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করি। এতে বাড়তি খরচ দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ  এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ৬ নারী

 

গ্যাসের বিলও দিতে হচ্ছে, আবার সিলিন্ডারের খরচও আছে। অভাবের সংসারে ডাবল খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। সিএনজি অটোরিকশা চালক আনোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, গ্যাসের চাপ থাকে না। গ্যাস নিতে সিরিয়ালেই ২-৩ ঘণ্টা চলে যায়। এতে আমাদের আয় কমেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও খারাপ। গ্যাস সংকটের অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যা এবং বৈরী আবহাওয়া। দুটি এফএসআরইউয়ের ওপর দেশের এলএনজি সরবরাহ নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক সময়ে একটি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির পর সরবরাহ কমে যায়। পরে গতকাল বিকেল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য টার্মিনালও স্বাভাবিকভাবে এলএনজি সরবরাহ করতে পারছে না। এতে গ্যাস সংকট আরও চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে। গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমছে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ৭ মাসের পরোয়ানাভুক্ত মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের মূল হোতা ‘মালা ভাবি’ গ্রেপ্তার

জ্বলছে না চুলা সিএনজি স্টেশনে লাইন ভোগান্তিতে জনজীবন

আপডেটের সময়: ০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্রাহকরা কম চাপের গ্যাস পাচ্ছেন। অনেক এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ একেবারেই থাকছে না। ফলে রান্নাবান্নায় ভোগান্তির পাশাপাশি শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনেও গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে। আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কম থাকায় গ্যাস পেতে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে যানবাহনকে। বাসাবাড়িতে অনেকে বাধ্য হয়ে এলপিজি ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। সব মিলিয়ে গ্যাস সংকট এখন শুধু আবাসিক গ্রাহকের সমস্যা নয়, এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প ও সামগ্রিক জনজীবনে। কথা হয় রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা আসমা আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, গ্যাস পাচ্ছি না। এভাবে রান্না করা যায় না। চুলায় রান্না বসিয়ে বসে থাকতে হয়। গ্যাসের চাপ এত কম যে রান্না করতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়। যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ইমরুল হোসেন বলেন, গ্যাস থাকে না তাই বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করি। এতে বাড়তি খরচ দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার না হলে ক্ষমতায় যিনিই যাবেন হাসিনা হয়ে উঠবেন: নাহিদ ইসলাম

 

গ্যাসের বিলও দিতে হচ্ছে, আবার সিলিন্ডারের খরচও আছে। অভাবের সংসারে ডাবল খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। সিএনজি অটোরিকশা চালক আনোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, গ্যাসের চাপ থাকে না। গ্যাস নিতে সিরিয়ালেই ২-৩ ঘণ্টা চলে যায়। এতে আমাদের আয় কমেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও খারাপ। গ্যাস সংকটের অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যা এবং বৈরী আবহাওয়া। দুটি এফএসআরইউয়ের ওপর দেশের এলএনজি সরবরাহ নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক সময়ে একটি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির পর সরবরাহ কমে যায়। পরে গতকাল বিকেল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য টার্মিনালও স্বাভাবিকভাবে এলএনজি সরবরাহ করতে পারছে না। এতে গ্যাস সংকট আরও চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে। গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমছে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান