Dhaka ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ নিহত বেড়ে ৮ মির্জাপুরে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদারগঞ্জের সরকারি কর্মকর্তার সীল-স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে, টাকা আত্নসাৎ অভিযোগ ‘বাড়ি আর কত ভাঙব, আর কতবার বানবাম’ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট-তল্লাশি বাড়িয়েছে ডিএমপি সীতাকুণ্ড শিপইয়ার্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনা ‘মর্মান্তিক’ ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে: রিজভী জ্বলছে না চুলা সিএনজি স্টেশনে লাইন ভোগান্তিতে জনজীবন যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নেত্রকোনায় কবরস্থানের জমিতে দোকান নির্মাণ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৫৬

জ্বলছে না চুলা সিএনজি স্টেশনে লাইন ভোগান্তিতে জনজীবন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্রাহকরা কম চাপের গ্যাস পাচ্ছেন। অনেক এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ একেবারেই থাকছে না। ফলে রান্নাবান্নায় ভোগান্তির পাশাপাশি শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনেও গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে। আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কম থাকায় গ্যাস পেতে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে যানবাহনকে। বাসাবাড়িতে অনেকে বাধ্য হয়ে এলপিজি ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। সব মিলিয়ে গ্যাস সংকট এখন শুধু আবাসিক গ্রাহকের সমস্যা নয়, এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প ও সামগ্রিক জনজীবনে। কথা হয় রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা আসমা আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, গ্যাস পাচ্ছি না। এভাবে রান্না করা যায় না। চুলায় রান্না বসিয়ে বসে থাকতে হয়। গ্যাসের চাপ এত কম যে রান্না করতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়। যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ইমরুল হোসেন বলেন, গ্যাস থাকে না তাই বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করি। এতে বাড়তি খরচ দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ  আকাশেই গতিপথ বদলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেয় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র

 

গ্যাসের বিলও দিতে হচ্ছে, আবার সিলিন্ডারের খরচও আছে। অভাবের সংসারে ডাবল খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। সিএনজি অটোরিকশা চালক আনোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, গ্যাসের চাপ থাকে না। গ্যাস নিতে সিরিয়ালেই ২-৩ ঘণ্টা চলে যায়। এতে আমাদের আয় কমেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও খারাপ। গ্যাস সংকটের অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যা এবং বৈরী আবহাওয়া। দুটি এফএসআরইউয়ের ওপর দেশের এলএনজি সরবরাহ নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক সময়ে একটি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির পর সরবরাহ কমে যায়। পরে গতকাল বিকেল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য টার্মিনালও স্বাভাবিকভাবে এলএনজি সরবরাহ করতে পারছে না। এতে গ্যাস সংকট আরও চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে। গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমছে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ নিহত বেড়ে ৮

জ্বলছে না চুলা সিএনজি স্টেশনে লাইন ভোগান্তিতে জনজীবন

আপডেটের সময়: ০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্রাহকরা কম চাপের গ্যাস পাচ্ছেন। অনেক এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ একেবারেই থাকছে না। ফলে রান্নাবান্নায় ভোগান্তির পাশাপাশি শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনেও গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে। আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কম থাকায় গ্যাস পেতে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে যানবাহনকে। বাসাবাড়িতে অনেকে বাধ্য হয়ে এলপিজি ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। সব মিলিয়ে গ্যাস সংকট এখন শুধু আবাসিক গ্রাহকের সমস্যা নয়, এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প ও সামগ্রিক জনজীবনে। কথা হয় রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা আসমা আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, গ্যাস পাচ্ছি না। এভাবে রান্না করা যায় না। চুলায় রান্না বসিয়ে বসে থাকতে হয়। গ্যাসের চাপ এত কম যে রান্না করতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়। যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ইমরুল হোসেন বলেন, গ্যাস থাকে না তাই বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করি। এতে বাড়তি খরচ দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ  ‘বাড়ি আর কত ভাঙব, আর কতবার বানবাম’

 

গ্যাসের বিলও দিতে হচ্ছে, আবার সিলিন্ডারের খরচও আছে। অভাবের সংসারে ডাবল খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। সিএনজি অটোরিকশা চালক আনোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, গ্যাসের চাপ থাকে না। গ্যাস নিতে সিরিয়ালেই ২-৩ ঘণ্টা চলে যায়। এতে আমাদের আয় কমেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও খারাপ। গ্যাস সংকটের অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যা এবং বৈরী আবহাওয়া। দুটি এফএসআরইউয়ের ওপর দেশের এলএনজি সরবরাহ নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক সময়ে একটি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির পর সরবরাহ কমে যায়। পরে গতকাল বিকেল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য টার্মিনালও স্বাভাবিকভাবে এলএনজি সরবরাহ করতে পারছে না। এতে গ্যাস সংকট আরও চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে। গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমছে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  জিতব কি হারব সেটা নয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া নির্বাচন চাই না: ১১ দলীয় জোট