Dhaka ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা, রাজস্ব সভায় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি ভোক্তা পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী পতেঙ্গা ন্যাশনাল ক্লাবের ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বিজিএস ও রানার্স আপ- ফ্রেন্ডস ফর এভার দল গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সামনে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কালভার্ট নাগরপুরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের চেষ্টা ওপেন হাউজ ডে” অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার চিলমারীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন  ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন দল বড় করতে চায় এনসিপি

নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা, রাজস্ব সভায় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:২২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪ সময় দেখুন

মোঃ রাব্বি রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের অভিযোগে আলোচিত ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তদন্তে খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের সত্যতা পাওয়া গেছে। রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর জয়ন্ত রায় হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। পরদিন গোড়গ্রাম ইউনিয়ন প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  আজকের জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ শিক্ষিকাকে শোকজ

পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও জমি দখলমুক্ত হয়নি। একই এলাকায় মোঃ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধেও সরকারি খাসজমিতে ৮টি দোকানঘর নির্মাণ, ৫ জনের কাছে বিক্রি এবং একটি মসজিদ স্থানান্তর করে বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে ১২ জানুয়ারি চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধন হয় এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যেই ১৩ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট তহসিলদারের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ তদন্তের আশ্বাস দিলে ১৫ জানুয়ারি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার সরেজমিনে তদন্ত করেন। ৬ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে চলছে টেংরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার জানান, হাজীগঞ্জ বাজারে খাসজমি দখল ও বিক্রির বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা, রাজস্ব সভায় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

আপডেটের সময়: ০৪:২২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ রাব্বি রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের অভিযোগে আলোচিত ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তদন্তে খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের সত্যতা পাওয়া গেছে। রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর জয়ন্ত রায় হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। পরদিন গোড়গ্রাম ইউনিয়ন প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও জমি দখলমুক্ত হয়নি। একই এলাকায় মোঃ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধেও সরকারি খাসজমিতে ৮টি দোকানঘর নির্মাণ, ৫ জনের কাছে বিক্রি এবং একটি মসজিদ স্থানান্তর করে বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে ১২ জানুয়ারি চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধন হয় এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যেই ১৩ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট তহসিলদারের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ তদন্তের আশ্বাস দিলে ১৫ জানুয়ারি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার সরেজমিনে তদন্ত করেন। ৬ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  আজকের জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ শিক্ষিকাকে শোকজ

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার জানান, হাজীগঞ্জ বাজারে খাসজমি দখল ও বিক্রির বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাথে হিন্দু মহাজোটের আলোচনা