Dhaka ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় বিদ্যুৎ এখন ঈদের চাঁদের মতো

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩ সময় দেখুন

মাহাদী হাসান অন্তর মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি—খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ এখন আর যায় না, বরং মাঝেমধ্যে আসে। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বর্তমান সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। বিশ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং, কখনো কখনো টানা তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না—যা জনজীবনকে করে তুলেছে অসহনীয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই।

আরও পড়ুনঃ  র‍্যাব হত্যা মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী কাশেম গ্রেপ্তার

 

স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও মসজিদ—সবকিছুই যেন এই বিদ্যুৎ সংকটে অস্থিরতার মধ্যে সময় পার করছে। মানুষ শান্তিতে শিক্ষা গ্রহণ, চিকিৎসা সেবা বা ধর্মীয় প্রার্থনা—কোনোটিই ঠিকমতো পালন করতে পারছে না। দিন দিন সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের ভয়াল থাবায় দেশ এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই দুই উপজেলার বাসিন্দাদের জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অসহনীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় বিদ্যুৎ এখন ঈদের চাঁদের মতো

আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মাহাদী হাসান অন্তর মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি—খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ এখন আর যায় না, বরং মাঝেমধ্যে আসে। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বর্তমান সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। বিশ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং, কখনো কখনো টানা তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না—যা জনজীবনকে করে তুলেছে অসহনীয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই।

আরও পড়ুনঃ  চিলমারীতে কৃষক কৃষাণিদের নিয়ে পার্টনার ফিল্ড কনগ্রেস অনুষ্ঠিত

 

স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও মসজিদ—সবকিছুই যেন এই বিদ্যুৎ সংকটে অস্থিরতার মধ্যে সময় পার করছে। মানুষ শান্তিতে শিক্ষা গ্রহণ, চিকিৎসা সেবা বা ধর্মীয় প্রার্থনা—কোনোটিই ঠিকমতো পালন করতে পারছে না। দিন দিন সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের ভয়াল থাবায় দেশ এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই দুই উপজেলার বাসিন্দাদের জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অসহনীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুরে এলামিন-শামসুল হক সেতুর টোল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন