Dhaka ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মাগুরায় শিক্ষক সমিতির দুই নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তরুণের লাশ হস্তান্তর বাঘায় ১০০ গ্রাম শুকনো গাঁজাসহ যুবক আটক প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে “মেন্টাল হেলথ ফেস্ট ২০২৬” অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গাছ কেটে পুকুরের মাছ চুরি করল দুষ্কৃতকারীরা মোরেলগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান: ৪ জনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা তাহিরপুরে মিয়ারচর খেয়া পাড়াপাড়ে মালামালের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার প্রতিবাদে মানববন্ধন নাটোর লালপুরে ইমু হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার হ্যাকিং চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, জব্দ ৫টি ফোন ও ১০ সিম পত্নীতলায় মধইল বি এল উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান শুরু জামালপুরে গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

দীঘিনালায় এসএসসি রেজাল্ট ভরাডুবি, দুই বিদ্যালয়ে সবাই ফেল

দীঘিনালা প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হতাশাজনক ফল হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া ১৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ৪১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৩৫৭ জন। এতে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার সবচেয়ে ভালো ফল করেছে মুকুন্দ নীলিমা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটির ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৩৯ জনের মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৪৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩১ জনের মধ্যে ৫৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। অন্যদিকে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। ছোট মেরুং উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০৪ জনের মধ্যে মাত্র ৩৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। উদাল বাগান উচ্চ বিদ্যালয়, বাবুছড়ামূখ উচ্চ বিদ্যালয় ও পাবলাখালী শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়েও পাসের হার ১৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সবচেয়ে হতাশাজনক ফল হয়েছে জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। যথাক্রমে ১৯ ও ৫ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালী, আলোচনা সভা,সংবর্ধনা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

 

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফলকে শুধু পাস-ফেলের সংখ্যা হিসেবে না দেখে কম ফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকসংকট, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পাঠদান ও পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি খুঁজে বের করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শূন্য পাস ও ২০ শতাংশের নিচে পাসের হার থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত একাডেমিক পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। দীঘিনালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ফলাফল পর্যালোচনা করে যেসব প্রতিষ্ঠানে পাসের হার কম, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  রাঙ্গুনিয়ায় এসএসসি-দাখিলে পাসের হার ৫৩.৫৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ শিক্ষার্থী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মাগুরায় শিক্ষক সমিতির দুই নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

দীঘিনালায় এসএসসি রেজাল্ট ভরাডুবি, দুই বিদ্যালয়ে সবাই ফেল

আপডেটের সময়: ০৭:১৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দীঘিনালা প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হতাশাজনক ফল হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া ১৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ৪১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৩৫৭ জন। এতে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার সবচেয়ে ভালো ফল করেছে মুকুন্দ নীলিমা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটির ১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৩৯ জনের মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৪৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩১ জনের মধ্যে ৫৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। অন্যদিকে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। ছোট মেরুং উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০৪ জনের মধ্যে মাত্র ৩৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। উদাল বাগান উচ্চ বিদ্যালয়, বাবুছড়ামূখ উচ্চ বিদ্যালয় ও পাবলাখালী শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়েও পাসের হার ১৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সবচেয়ে হতাশাজনক ফল হয়েছে জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। যথাক্রমে ১৯ ও ৫ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  পরিশুদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব কেরানীগঞ্জ গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষ সভা

 

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফলকে শুধু পাস-ফেলের সংখ্যা হিসেবে না দেখে কম ফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকসংকট, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পাঠদান ও পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি খুঁজে বের করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শূন্য পাস ও ২০ শতাংশের নিচে পাসের হার থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত একাডেমিক পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। দীঘিনালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ফলাফল পর্যালোচনা করে যেসব প্রতিষ্ঠানে পাসের হার কম, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বগুড়া জেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা