Dhaka ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফরিদগঞ্জে বদরপুর আলিম মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি হলেন সাংবাদিক ফকরুল আলম পাঠান ফরিদগঞ্জে ১৬১ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদককারবারী পুলিশের জালে আটক নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা, সহযোগিতার অভিযোগে ৮ জন গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কাউনিয়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় ৩০ শিক্ষার্থীকে কোরআন ছবক প্রদান নবীন শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে : এমপি বাদশা লালপুর বাজারে স্বস্তি: ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করায় জনসাধারণের চলাচলে এসেছে প্রাণ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দাওয়াতি মাস উপলক্ষে ভোলায় সদস্যগ্রহণ ও দাওয়াতি কার্যক্রম

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: শফিকুর রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশৃঙ্খলা, ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে। ছোবল দিয়ে সাপ পালিয়ে যাবে, আপনাদের মরদেহ পড়ে থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংসদের ভেতরেও বলেছি, এই বসন্তের কোকিল, যারা বসন্তকালে কুহু কুহু করতে এসেছে, বসন্তকাল পার হওয়ার পর তাদের আর দেখা পাবেন না। আপনাদের যখন গ্রীষ্মকাল কিংবা বর্ষাকাল আসবে, তখন এদের আর খুঁজে পাবেন না। আপনাদের ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাবধান করে দিচ্ছি, বিরোধী দলের চরিত্রহনন বাদ দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতার সমাধানের চেষ্টা করুন। যদি তা করেন এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর হয়, মানুষ আপনাদের সমর্থন করবে। আর যদি মনে করেন, অতীতের মতো স্বৈরাচারী কায়দায় প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমিয়ে দেবেন, স্তব্ধ করে দেবেন, তাহলে আপনাদের দুঃসংবাদ দিচ্ছি, বাংলাদেশে আর তা হবে না। এই জনগণ আর ফ্যাসিবাদকে কখনো কবুল করে নেবে না। ফ্যাসিবাদের কাছে আর মাথা নত করবে না।

আরও পড়ুনঃ  দীঘিনালা সীমান্তে বিজিবি - বিএসএফের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত

সংঘবদ্ধ জনবল রুখে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়াবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘দিন দিন এর গতি বৃদ্ধি পাবে। একটা জায়গায় গিয়ে এর পূর্ণ সমাধান হবে। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা অনেকটা কমেছে বলে দাবি করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘তার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের জন্য তিনি যে প্রতিবাদ করেছিলেন, তার সুফল এখন মানুষ পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী তিনি কারও গায়ে হাত দেননি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা চাপানো হলো যে তিনি সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন এবং সরকারি কর্মকর্তার গায়ে হাত দিয়েছেন। যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা এর প্রতিবাদ তখনই করেছি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সেদিনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাদের কোনো অপরাধ না থাকলে বরখাস্ত করা হলো কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

মেজর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছিলেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সেখানে ট্রলি পেতে যাত্রীদের লটারির মতো টানাটানি করতে হয়। কেউ পান, কেউ পান না। একটি ট্রলি তিনজন যাত্রীর জন্য হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ তার উত্থাপিত দুর্বলতাও মেনে নেওয়া হয়েছে। ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়েও মেজর আখতারুজ্জামান কথা বলেছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখন গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ মেজর আখতারুজ্জামান। আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। কাজ দিচ্ছে। এর সুফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীরা পাচ্ছেন। বিশেষ করে আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারাভোগের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জেল তো বহু খেটেছি। অনেক প্রতিবাদও করেছি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ফল পাইনি। আপনি পেয়ে গেছেন। আমরা আরও লম্বা সময় জেলে ছিলাম, কিন্তু ফল পাইনি। এক মাসের বিনিময়ে আপনাকে একটা আগের কণ্ঠকে খাঁচায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু খাঁচায় কত দিন বন্দি রাখবেন? রাখতে পারেননি, পারবেনও না। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও লজ্জাজনক মামলা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, তাকে রিমান্ডে নেওয়াও আরেকটি লজ্জার বিষয়।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজদিখানে পুকুর ইজারা নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর আহত একাধিক

 

ভিত্তিহীন এই মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়নি। চোখ বেঁধে, মাথায় হেলমেট ও বুকে সেফটি ভেস্ট পরিয়ে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। এরপরও সেখান থেকে জামিন দেওয়ার সাহস হয়নি। হাইকোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার পর তাকে চেম্বার জজ আদালতে নেওয়া হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সবই লজ্জার, ঘাটে ঘাটে লজ্জা, মহালজ্জা। কিন্তু যাদের লজ্জা থাকার কথা, তাদের তো লজ্জা লাগে না। তিনি আরও বলেন, ‘যার গায়ে কাপড় নেই, তাকে দেখে সম্ভ্রমশীল মানুষ লজ্জা পায়। কিন্তু যার গায়ে কাপড় নেই, তার কোনো লজ্জা নেই। লজ্জা কবে আসবে? লজ্জা কি নির্বাসনে থাকবে? লজ্জা আসা উচিত। জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না যাবে, আমাদের লড়াই তত দিন চলবে। আমাদের প্রিয় সহকর্মী প্রমাণ করেছেন, আমরা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। এটাই আমাদের সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ  উপকূলীয় এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ চান স্পিকার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফরিদগঞ্জে বদরপুর আলিম মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি হলেন সাংবাদিক ফকরুল আলম পাঠান

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৬:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশৃঙ্খলা, ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে। ছোবল দিয়ে সাপ পালিয়ে যাবে, আপনাদের মরদেহ পড়ে থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংসদের ভেতরেও বলেছি, এই বসন্তের কোকিল, যারা বসন্তকালে কুহু কুহু করতে এসেছে, বসন্তকাল পার হওয়ার পর তাদের আর দেখা পাবেন না। আপনাদের যখন গ্রীষ্মকাল কিংবা বর্ষাকাল আসবে, তখন এদের আর খুঁজে পাবেন না। আপনাদের ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাবধান করে দিচ্ছি, বিরোধী দলের চরিত্রহনন বাদ দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতার সমাধানের চেষ্টা করুন। যদি তা করেন এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর হয়, মানুষ আপনাদের সমর্থন করবে। আর যদি মনে করেন, অতীতের মতো স্বৈরাচারী কায়দায় প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমিয়ে দেবেন, স্তব্ধ করে দেবেন, তাহলে আপনাদের দুঃসংবাদ দিচ্ছি, বাংলাদেশে আর তা হবে না। এই জনগণ আর ফ্যাসিবাদকে কখনো কবুল করে নেবে না। ফ্যাসিবাদের কাছে আর মাথা নত করবে না।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা ও কেরানীগঞ্জে তীব্র দ্রব্যমূল্যের চাপ: কাটছাঁট করেও সংসার চালাতে হিমশিম নিম্ন আয়ের মানুষ ​

সংঘবদ্ধ জনবল রুখে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়াবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘দিন দিন এর গতি বৃদ্ধি পাবে। একটা জায়গায় গিয়ে এর পূর্ণ সমাধান হবে। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা অনেকটা কমেছে বলে দাবি করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘তার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের জন্য তিনি যে প্রতিবাদ করেছিলেন, তার সুফল এখন মানুষ পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী তিনি কারও গায়ে হাত দেননি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা চাপানো হলো যে তিনি সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন এবং সরকারি কর্মকর্তার গায়ে হাত দিয়েছেন। যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা এর প্রতিবাদ তখনই করেছি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সেদিনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাদের কোনো অপরাধ না থাকলে বরখাস্ত করা হলো কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

মেজর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছিলেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সেখানে ট্রলি পেতে যাত্রীদের লটারির মতো টানাটানি করতে হয়। কেউ পান, কেউ পান না। একটি ট্রলি তিনজন যাত্রীর জন্য হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ তার উত্থাপিত দুর্বলতাও মেনে নেওয়া হয়েছে। ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়েও মেজর আখতারুজ্জামান কথা বলেছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখন গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ মেজর আখতারুজ্জামান। আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। কাজ দিচ্ছে। এর সুফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীরা পাচ্ছেন। বিশেষ করে আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারাভোগের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জেল তো বহু খেটেছি। অনেক প্রতিবাদও করেছি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ফল পাইনি। আপনি পেয়ে গেছেন। আমরা আরও লম্বা সময় জেলে ছিলাম, কিন্তু ফল পাইনি। এক মাসের বিনিময়ে আপনাকে একটা আগের কণ্ঠকে খাঁচায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু খাঁচায় কত দিন বন্দি রাখবেন? রাখতে পারেননি, পারবেনও না। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও লজ্জাজনক মামলা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, তাকে রিমান্ডে নেওয়াও আরেকটি লজ্জার বিষয়।

আরও পড়ুনঃ  আট মাসের সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে: র রিজভী

 

ভিত্তিহীন এই মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়নি। চোখ বেঁধে, মাথায় হেলমেট ও বুকে সেফটি ভেস্ট পরিয়ে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। এরপরও সেখান থেকে জামিন দেওয়ার সাহস হয়নি। হাইকোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার পর তাকে চেম্বার জজ আদালতে নেওয়া হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সবই লজ্জার, ঘাটে ঘাটে লজ্জা, মহালজ্জা। কিন্তু যাদের লজ্জা থাকার কথা, তাদের তো লজ্জা লাগে না। তিনি আরও বলেন, ‘যার গায়ে কাপড় নেই, তাকে দেখে সম্ভ্রমশীল মানুষ লজ্জা পায়। কিন্তু যার গায়ে কাপড় নেই, তার কোনো লজ্জা নেই। লজ্জা কবে আসবে? লজ্জা কি নির্বাসনে থাকবে? লজ্জা আসা উচিত। জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না যাবে, আমাদের লড়াই তত দিন চলবে। আমাদের প্রিয় সহকর্মী প্রমাণ করেছেন, আমরা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। এটাই আমাদের সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী লীগের দখলে থাকা খেলার মাঠ এখন বিএনপির লোকজনের নিয়ন্ত্রণে: নাহিদ ইসলাম