Dhaka ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাঁশখালীতে নকল চকলেট কারখানায় অভিযান, ৩ লাখ টাকা জরিমানা সাতকানিয়ায় ১৩ মামলার আসামি মাহফুজুল হক গ্রেফতার চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার’ নির্বাচিত হলেন এসআই জহির আমিন দীর্ঘদিন পর কেরানীগঞ্জে এক মঞ্চে গয়েশ্বর ও আমান প্রত্যেকটা প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ওষুধ কেনার টাকাও ছিল না, নাজমার পাশে দাঁড়ালো ঢাকা জেলা প্রশাসন ফরিদা খানম গ্রামপুলিশ হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ের সরকার : জহির উদ্দিন স্বপন পত্নীতলায় সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও সাইকেল বিতরণ মেহেন্দিগঞ্জে চাঞ্চল্য: ১,৫০০ টাকার বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে অবৈধ ক্লিনিক প্রতিষ্ঠানে সিলগালা, রাইস মিলকে জরিমানা

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রোগীদের খাবার ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ থেকে শুরু করে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। সরজমিনে দেখা যায় আজ বুধবার(৪ নভেম্বর) স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসা নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে হাসপাতালটির সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। অভিযোগ রয়েছে, জরুরি সময়ে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। এ ছাড়া হাসপাতাল কম্পাউন্ডের ভেতরে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ করে একাধিক পরিবারের বসবাসের অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পত্নীতলায় ওয়ারী গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু

 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বাদল শেখ নামের এক ব্যক্তি বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। নামেই সরকারি হাসপাতাল, কিন্তু মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অনেক চিকিৎসক বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর জন্য বিভিন্ন মালামাল ও সেবা ক্রয়কে কেন্দ্র করে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, ময়লা কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের লক্ষ্যে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) বাস্তবায়নের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। কমিটিতে তিনি নিজে সভাপতি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সহকারী অধ্যাপক, ইনসিটু) ডা. আব্দুল্লাহ আল মূতী সদস্য এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফরহাদ আলী সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধুনটে বৃক্ষরোপণ

 

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ৪ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে দরপত্র ক্রয় ও জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেল ১টায় দরপত্র খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ছয়টি গ্রুপের দরপত্র মূল্যায়ন শেষে মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্সকে তিনটি, মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে দুটি এবং মেসার্স লাকি ট্রেডার্সকে একটি গ্রুপের কাজের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করে নির্বাচন ও স্পেসিফিকেশন কমিটি। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান তিনটিকে ছয়টি গ্রুপের মালামাল ক্রয়ের অনুমোদন দেয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তবে দরপত্রে অংশ নিতে ব্যর্থ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোস্তফা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী গোলাম মওলা মোস্তফা এ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে দরপত্রে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাঁর পছন্দমতো বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেন। শুধু তাই নয়, পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে হাসপাতালের ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ফলে অনেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনা নির্মাণ ও বসবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে মসজিদের ইমাম বসবাস করেন। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  দীঘিনালায় জাতীয় যুব দিবস পালন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাঁশখালীতে নকল চকলেট কারখানায় অভিযান, ৩ লাখ টাকা জরিমানা

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

আপডেটের সময়: ০৮:১৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রোগীদের খাবার ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ থেকে শুরু করে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। সরজমিনে দেখা যায় আজ বুধবার(৪ নভেম্বর) স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসা নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে হাসপাতালটির সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। অভিযোগ রয়েছে, জরুরি সময়ে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। এ ছাড়া হাসপাতাল কম্পাউন্ডের ভেতরে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ করে একাধিক পরিবারের বসবাসের অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চৌদ্দগ্রামে মাটি খুঁড়তেই মিলল মর্টার শেল সদৃশ বস্তু

 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বাদল শেখ নামের এক ব্যক্তি বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। নামেই সরকারি হাসপাতাল, কিন্তু মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অনেক চিকিৎসক বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর জন্য বিভিন্ন মালামাল ও সেবা ক্রয়কে কেন্দ্র করে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, ময়লা কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের লক্ষ্যে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) বাস্তবায়নের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। কমিটিতে তিনি নিজে সভাপতি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সহকারী অধ্যাপক, ইনসিটু) ডা. আব্দুল্লাহ আল মূতী সদস্য এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফরহাদ আলী সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় যুব দিবসে লক্ষ্মীপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি,আলোচনা সভা ও যুবমেলা

 

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ৪ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে দরপত্র ক্রয় ও জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেল ১টায় দরপত্র খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ছয়টি গ্রুপের দরপত্র মূল্যায়ন শেষে মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্সকে তিনটি, মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে দুটি এবং মেসার্স লাকি ট্রেডার্সকে একটি গ্রুপের কাজের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করে নির্বাচন ও স্পেসিফিকেশন কমিটি। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান তিনটিকে ছয়টি গ্রুপের মালামাল ক্রয়ের অনুমোদন দেয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তবে দরপত্রে অংশ নিতে ব্যর্থ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোস্তফা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী গোলাম মওলা মোস্তফা এ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে দরপত্রে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাঁর পছন্দমতো বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেন। শুধু তাই নয়, পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে হাসপাতালের ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ফলে অনেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনা নির্মাণ ও বসবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে মসজিদের ইমাম বসবাস করেন। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  লালপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার