
শাকিব আহম্মেদ,লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের লালপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম কেন্দ্রস্থল লালপুর বাজারের ‘ত্রিমোহনী মোড়’। ঈশ্বরদী থেকে আসা সড়ক, লালপুর-মোহিনী পথ এবং বনপাড়া-নাটোর সড়ক—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মিলনস্থল এই মোড়। বুধবার (০৪ নভেম্বর) সরজমিনে দেখা যায় দীর্ঘ দিন ধরে এই কৌশলগত স্থানটিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল মাছের বাজার এবং ফুটপাত দখল করে পরিচালিত হচ্ছিল কিছু স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য। ফলে চরম যানজটের পাশাপাশি প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। ব্যস্ত সড়কের ওপর এমন হট্টগোল আর দুর্ভোগ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের যেন এক নিত্যসঙ্গী বা পরোক্ষ অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অবশেষে এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও সমস্যার অবসান ঘটেছে। বিষয়টি সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের ব্যক্তিগত দৃষ্টিগোচর হয়।
তিনি লালপুর বাজারের ত্রিমোহনী মোড় এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং ফুটপাত ও সড়ক দখলের ফলে সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগের চিত্র স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেন। জনদুর্দশা লাঘবে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে স্থানটি পরিদর্শনে যান এবং বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে আমলে নেন। পরবর্তীকালে প্রশাসনের তড়িৎ ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ত্রিমোহনী মোড় থেকে অবৈধ মাছের বাজার ও ফুটপাতের ব্যবসা অপসারণ করে রাস্তাটি দখলমুক্ত করা হয়। বর্তমানে ত্রিমোহনী মোড় ও আশেপাশের এলাকায় ফিরে এসেছে শৃঙ্খলা। সড়ক ও ফুটপাত সম্পূর্ণ দখলমুক্ত হওয়ায় পথচারীরা এখন নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছেন। যানবাহন চলাচলেও এসেছে স্বাভাবিক গতি। স্থানীয় বাসিন্দারা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী পথচারীরা জানান, “আগে এই মোড় পার হওয়াই ছিল এক বিশাল যুদ্ধ। রাস্তা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকত। এখন ফুটপাত ও সড়ক খালি হওয়ায় নিশ্চিন্তে যাতায়াত করা যাচ্ছে।” প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের জন্য লালপুর বাজারের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সমাজ আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
প্রতিবেদকের নাম 


















