Dhaka ০৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ গোলাপগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার পলাতক আসামী নরসিংদী থেকে গ্রেফতার সিরাজদিখানে পুকুর ইজারা নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর আহত একাধিক ডিসি জাহিদের আশ্বাসে সীতাকুণ্ডে ছয় ঘণ্টার অবরোধ প্রত্যাহার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শ্রমিকদের আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকলে দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫৫ পরিবারের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশন ও গ্রাউসের ত্রাণ বিতরণ যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: শফিকুর রহমান হাসিমুখের আড়ালে জীবনযুদ্ধ,থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ছোট্ট রাহাতের পাশে জেলা প্রশাসন

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: শফিকুর রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশৃঙ্খলা, ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে। ছোবল দিয়ে সাপ পালিয়ে যাবে, আপনাদের মরদেহ পড়ে থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংসদের ভেতরেও বলেছি, এই বসন্তের কোকিল, যারা বসন্তকালে কুহু কুহু করতে এসেছে, বসন্তকাল পার হওয়ার পর তাদের আর দেখা পাবেন না। আপনাদের যখন গ্রীষ্মকাল কিংবা বর্ষাকাল আসবে, তখন এদের আর খুঁজে পাবেন না। আপনাদের ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাবধান করে দিচ্ছি, বিরোধী দলের চরিত্রহনন বাদ দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতার সমাধানের চেষ্টা করুন। যদি তা করেন এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর হয়, মানুষ আপনাদের সমর্থন করবে। আর যদি মনে করেন, অতীতের মতো স্বৈরাচারী কায়দায় প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমিয়ে দেবেন, স্তব্ধ করে দেবেন, তাহলে আপনাদের দুঃসংবাদ দিচ্ছি, বাংলাদেশে আর তা হবে না। এই জনগণ আর ফ্যাসিবাদকে কখনো কবুল করে নেবে না। ফ্যাসিবাদের কাছে আর মাথা নত করবে না।

আরও পড়ুনঃ  স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে আমাদের মিছিল বড় হবে: নাহিদ

সংঘবদ্ধ জনবল রুখে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়াবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘দিন দিন এর গতি বৃদ্ধি পাবে। একটা জায়গায় গিয়ে এর পূর্ণ সমাধান হবে। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা অনেকটা কমেছে বলে দাবি করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘তার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের জন্য তিনি যে প্রতিবাদ করেছিলেন, তার সুফল এখন মানুষ পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী তিনি কারও গায়ে হাত দেননি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা চাপানো হলো যে তিনি সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন এবং সরকারি কর্মকর্তার গায়ে হাত দিয়েছেন। যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা এর প্রতিবাদ তখনই করেছি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সেদিনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাদের কোনো অপরাধ না থাকলে বরখাস্ত করা হলো কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

মেজর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছিলেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সেখানে ট্রলি পেতে যাত্রীদের লটারির মতো টানাটানি করতে হয়। কেউ পান, কেউ পান না। একটি ট্রলি তিনজন যাত্রীর জন্য হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ তার উত্থাপিত দুর্বলতাও মেনে নেওয়া হয়েছে। ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়েও মেজর আখতারুজ্জামান কথা বলেছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখন গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ মেজর আখতারুজ্জামান। আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। কাজ দিচ্ছে। এর সুফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীরা পাচ্ছেন। বিশেষ করে আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারাভোগের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জেল তো বহু খেটেছি। অনেক প্রতিবাদও করেছি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ফল পাইনি। আপনি পেয়ে গেছেন। আমরা আরও লম্বা সময় জেলে ছিলাম, কিন্তু ফল পাইনি। এক মাসের বিনিময়ে আপনাকে একটা আগের কণ্ঠকে খাঁচায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু খাঁচায় কত দিন বন্দি রাখবেন? রাখতে পারেননি, পারবেনও না। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও লজ্জাজনক মামলা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, তাকে রিমান্ডে নেওয়াও আরেকটি লজ্জার বিষয়।

আরও পড়ুনঃ  শ্রমিকদের আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকলে দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম

 

ভিত্তিহীন এই মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়নি। চোখ বেঁধে, মাথায় হেলমেট ও বুকে সেফটি ভেস্ট পরিয়ে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। এরপরও সেখান থেকে জামিন দেওয়ার সাহস হয়নি। হাইকোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার পর তাকে চেম্বার জজ আদালতে নেওয়া হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সবই লজ্জার, ঘাটে ঘাটে লজ্জা, মহালজ্জা। কিন্তু যাদের লজ্জা থাকার কথা, তাদের তো লজ্জা লাগে না। তিনি আরও বলেন, ‘যার গায়ে কাপড় নেই, তাকে দেখে সম্ভ্রমশীল মানুষ লজ্জা পায়। কিন্তু যার গায়ে কাপড় নেই, তার কোনো লজ্জা নেই। লজ্জা কবে আসবে? লজ্জা কি নির্বাসনে থাকবে? লজ্জা আসা উচিত। জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না যাবে, আমাদের লড়াই তত দিন চলবে। আমাদের প্রিয় সহকর্মী প্রমাণ করেছেন, আমরা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। এটাই আমাদের সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী লীগের দখলে থাকা খেলার মাঠ এখন বিএনপির লোকজনের নিয়ন্ত্রণে: নাহিদ ইসলাম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৬:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশৃঙ্খলা, ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা আড়াল করতে বিরোধী দলকে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে। ছোবল দিয়ে সাপ পালিয়ে যাবে, আপনাদের মরদেহ পড়ে থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংসদের ভেতরেও বলেছি, এই বসন্তের কোকিল, যারা বসন্তকালে কুহু কুহু করতে এসেছে, বসন্তকাল পার হওয়ার পর তাদের আর দেখা পাবেন না। আপনাদের যখন গ্রীষ্মকাল কিংবা বর্ষাকাল আসবে, তখন এদের আর খুঁজে পাবেন না। আপনাদের ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাবধান করে দিচ্ছি, বিরোধী দলের চরিত্রহনন বাদ দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতার সমাধানের চেষ্টা করুন। যদি তা করেন এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর হয়, মানুষ আপনাদের সমর্থন করবে। আর যদি মনে করেন, অতীতের মতো স্বৈরাচারী কায়দায় প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমিয়ে দেবেন, স্তব্ধ করে দেবেন, তাহলে আপনাদের দুঃসংবাদ দিচ্ছি, বাংলাদেশে আর তা হবে না। এই জনগণ আর ফ্যাসিবাদকে কখনো কবুল করে নেবে না। ফ্যাসিবাদের কাছে আর মাথা নত করবে না।

আরও পড়ুনঃ  সরকারের ৮ মাসেই হঠাৎ বড় আন্দোলনে পোশাক শ্রমিকরা

সংঘবদ্ধ জনবল রুখে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়াবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘দিন দিন এর গতি বৃদ্ধি পাবে। একটা জায়গায় গিয়ে এর পূর্ণ সমাধান হবে। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের প্রতিবাদের ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা অনেকটা কমেছে বলে দাবি করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘তার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের জন্য তিনি যে প্রতিবাদ করেছিলেন, তার সুফল এখন মানুষ পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী তিনি কারও গায়ে হাত দেননি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা চাপানো হলো যে তিনি সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন এবং সরকারি কর্মকর্তার গায়ে হাত দিয়েছেন। যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা এর প্রতিবাদ তখনই করেছি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সেদিনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাদের কোনো অপরাধ না থাকলে বরখাস্ত করা হলো কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

মেজর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরে ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছিলেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সেখানে ট্রলি পেতে যাত্রীদের লটারির মতো টানাটানি করতে হয়। কেউ পান, কেউ পান না। একটি ট্রলি তিনজন যাত্রীর জন্য হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে দুই দফায় ৩০০টি নতুন ট্রলি যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ তার উত্থাপিত দুর্বলতাও মেনে নেওয়া হয়েছে। ব্যাগ কাটা ও লাগেজ চুরির বিষয়েও মেজর আখতারুজ্জামান কথা বলেছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখন গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ মেজর আখতারুজ্জামান। আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে। কাজ দিচ্ছে। এর সুফল এখন যুগ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীরা পাচ্ছেন। বিশেষ করে আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের কারাভোগের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জেল তো বহু খেটেছি। অনেক প্রতিবাদও করেছি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ফল পাইনি। আপনি পেয়ে গেছেন। আমরা আরও লম্বা সময় জেলে ছিলাম, কিন্তু ফল পাইনি। এক মাসের বিনিময়ে আপনাকে একটা আগের কণ্ঠকে খাঁচায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু খাঁচায় কত দিন বন্দি রাখবেন? রাখতে পারেননি, পারবেনও না। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও লজ্জাজনক মামলা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, তাকে রিমান্ডে নেওয়াও আরেকটি লজ্জার বিষয়।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী লীগের দখলে থাকা খেলার মাঠ এখন বিএনপির লোকজনের নিয়ন্ত্রণে: নাহিদ ইসলাম

 

ভিত্তিহীন এই মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়নি। চোখ বেঁধে, মাথায় হেলমেট ও বুকে সেফটি ভেস্ট পরিয়ে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। এরপরও সেখান থেকে জামিন দেওয়ার সাহস হয়নি। হাইকোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার পর তাকে চেম্বার জজ আদালতে নেওয়া হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সবই লজ্জার, ঘাটে ঘাটে লজ্জা, মহালজ্জা। কিন্তু যাদের লজ্জা থাকার কথা, তাদের তো লজ্জা লাগে না। তিনি আরও বলেন, ‘যার গায়ে কাপড় নেই, তাকে দেখে সম্ভ্রমশীল মানুষ লজ্জা পায়। কিন্তু যার গায়ে কাপড় নেই, তার কোনো লজ্জা নেই। লজ্জা কবে আসবে? লজ্জা কি নির্বাসনে থাকবে? লজ্জা আসা উচিত। জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরে না যাবে, আমাদের লড়াই তত দিন চলবে। আমাদের প্রিয় সহকর্মী প্রমাণ করেছেন, আমরা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। এটাই আমাদের সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ  দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ