
মোঃ ইউনুছ আলী, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল আধিপত্যবাদ, স্বৈরশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও বিজয়ের দিন। এদিন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় সাধারণ মানুষ ও দেশপ্রেমিক সৈনিকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের সম্মিলিত ভূমিকার মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ডিসপ্লে ও ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের নিয়ে সেরিব্রাল পালসি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি ব্যতিক্রমী র্যালিতে অংশ নেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রাজনৈতিক অধিকার হরণ, একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং রক্ষীবাহিনীর নিপীড়নে দেশ এক ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছিল। পরবর্তী সময়েও জনগণ বিভিন্নভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যেমন সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তেমনি ২০২৪ সালেও তরুণ সমাজ দেশের পরিবর্তনের জন্য রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো আগ্রাসী বা আধিপত্যবাদী শক্তি যেন ভবিষ্যতে দেশের মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ৭ নভেম্বরের ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
তরুণ প্রজন্মকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে তরুণদের আগামী দিনের সুখী, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখতে হবে। এজন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোর ও তাঁদের অভিভাবকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















