Dhaka ০৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফরিদগঞ্জে ১৬১ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদককারবারী পুলিশের জালে আটক নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা, সহযোগিতার অভিযোগে ৮ জন গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কাউনিয়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় ৩০ শিক্ষার্থীকে কোরআন ছবক প্রদান নবীন শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে : এমপি বাদশা লালপুর বাজারে স্বস্তি: ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করায় জনসাধারণের চলাচলে এসেছে প্রাণ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দাওয়াতি মাস উপলক্ষে ভোলায় সদস্যগ্রহণ ও দাওয়াতি কার্যক্রম সিলেটের গোয়াইনঘাটে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে চলছে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ

ঐতিহ্যবাহী রমেশ সুইটসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বিএসটিআইয়ের অভিযানে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

আঃ রাজ্জাক সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার পরিচিত মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান রমেশ সুইটস (রমেশ ঘোষ)-এ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে পরিচালিত অভিযানে খাবারের মান, উৎপাদন পরিবেশ এবং পণ্যের লেবেল ও মেয়াদসংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে।
‎
‎জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধায় দই, মিষ্টি ও ঐতিহ্যবাহী রসমঞ্জুরী বিক্রি করে আসছে। স্থানীয়ভাবে সুপরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটির কাছে ক্রেতাদের প্রত্যাশা থাকলেও খাদ্যপণ্য তৈরি ও সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দইসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে প্রয়োজনীয় লেবেল ও মেয়াদ উল্লেখ না থাকা এবং উৎপাদনস্থলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎
‎অভিযান পরিচালনাকালে এসব অনিয়মের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া জান্নাত দায়িত্ব পালন করেন।
‎
‎স্থানীয় ভোক্তারা বলেন, রমেশ ঘোষ গাইবান্ধার একটি ঐতিহ্যবাহী ও পরিচিত মিষ্টির দোকান। এখানকার দই, মিষ্টি ও রসমঞ্জুরীর সুনাম রয়েছে। কিন্তু ঐতিহ্য ও সুনামের আড়ালে যদি খাদ্য তৈরির পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন থাকে এবং পণ্যের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদসংক্রান্ত তথ্য না থাকে, তাহলে তা ভোক্তাদের জন্য উদ্বেগজনক। সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে খাদ্যের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আরও বেশি।
‎
‎ভোক্তাদের দাবি, শুধু জরিমানা করেই যেন দায়িত্ব শেষ না হয়। প্রতিষ্ঠানটির খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিক্রির পরিবেশ নিয়মিত তদারকি করতে হবে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।
‎
‎ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠানের এমন চিত্র স্থানীয় ক্রেতাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। ব্যবসায়িক সুনাম ধরে রাখতে হলে শুধু পণ্যের পরিচিতি নয়, খাদ্যের মান, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  ফটিকছড়িতে দাখিলের পর আলিমেও সেরা উপজেলায় আবারও ১ম স্থান অর্জন করল মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফরিদগঞ্জে ১৬১ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদককারবারী পুলিশের জালে আটক

ঐতিহ্যবাহী রমেশ সুইটসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বিএসটিআইয়ের অভিযানে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেটের সময়: ০৫:০০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

আঃ রাজ্জাক সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার পরিচিত মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান রমেশ সুইটস (রমেশ ঘোষ)-এ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে পরিচালিত অভিযানে খাবারের মান, উৎপাদন পরিবেশ এবং পণ্যের লেবেল ও মেয়াদসংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে।
‎
‎জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধায় দই, মিষ্টি ও ঐতিহ্যবাহী রসমঞ্জুরী বিক্রি করে আসছে। স্থানীয়ভাবে সুপরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটির কাছে ক্রেতাদের প্রত্যাশা থাকলেও খাদ্যপণ্য তৈরি ও সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দইসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে প্রয়োজনীয় লেবেল ও মেয়াদ উল্লেখ না থাকা এবং উৎপাদনস্থলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎
‎অভিযান পরিচালনাকালে এসব অনিয়মের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া জান্নাত দায়িত্ব পালন করেন।
‎
‎স্থানীয় ভোক্তারা বলেন, রমেশ ঘোষ গাইবান্ধার একটি ঐতিহ্যবাহী ও পরিচিত মিষ্টির দোকান। এখানকার দই, মিষ্টি ও রসমঞ্জুরীর সুনাম রয়েছে। কিন্তু ঐতিহ্য ও সুনামের আড়ালে যদি খাদ্য তৈরির পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন থাকে এবং পণ্যের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদসংক্রান্ত তথ্য না থাকে, তাহলে তা ভোক্তাদের জন্য উদ্বেগজনক। সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে খাদ্যের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আরও বেশি।
‎
‎ভোক্তাদের দাবি, শুধু জরিমানা করেই যেন দায়িত্ব শেষ না হয়। প্রতিষ্ঠানটির খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিক্রির পরিবেশ নিয়মিত তদারকি করতে হবে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।
‎
‎ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠানের এমন চিত্র স্থানীয় ক্রেতাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। ব্যবসায়িক সুনাম ধরে রাখতে হলে শুধু পণ্যের পরিচিতি নয়, খাদ্যের মান, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত