
পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর থেকে গগন পুর পর্যন্ত ১৫ কিলো মিটার সড়কের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ভাঙ্গাচোরা, বেশিরভাগ স্থানে রাস্তার কার্পেট উঠে গিয়ে খানাখন্দরে সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পাড়ি জমে ছোট বড় খালের মত রূপ নিচ্ছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকা বাসিকে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি নজিপুর, গগনপুর হয়ে চন্ডিপুর, মেসের বাজার, ত্রিমনি, শিমুলিয়া এবং গবরচোবা ভেতর দিয়ে বদলগাছি থানায় গিয়ে পৌঁছেছে তাই এই আঞ্চলিক সড়কটি এই এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজিপুর থেকে গগনপুর ১৫ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১০ থেকে ১১ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। এই এলাকার আশেপাশে কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন ব্যবসায়ী কৃষক চাকরিজীবী এবং হাজারো সাধারণ মানুষ এ পথ ব্যবহার করে নজিপুর উপজেলা এবং বদলগাছি উপজেলা প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সারার জন্য গিয়ে থাকে। এছাড়া স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত যাতায়াত করতে হয় এ রাস্তা দিয়ে।
বর্তমানে রাস্তার বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত কার্পেট উঠে যাওয়ার কারণে মোটরসাইকেল অটো রিক্সা ভ্যান অন্যান্য যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা এবং যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ছে তার সঙ্গে ভাড়া ও পরিবহন খরচ বাড়ছে সমান তালে। যখন কোন মুমূর্ষ রুগি এ রাস্তা দিয়ে কোন যানবাহনে সেবার জন্য হাসপাতালে যায় তখন রোগীসহ ও লোকজনের ভোগান্তির ষোল কলা পূর্ণ হয়। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠে।অনেক সময় গর্তে জমে থাকায় চালকরা রাস্তার অবস্থা বুঝতে না পারে বারবার দুর্ঘটনা শিকার হয়। সামনে বর্ষা মৌসুম আসার কারণে এলাকার জনসাধারণ আতঙ্কের আশঙ্কা আরো বাড়ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় খরচ হচ্ছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পন্য বাজারে নিতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
স্থানীয়দের একটাই প্রশ্ন —আর কতদিন এমন দুর্ভোগ সহ্য করতে হবে? এর আগে আমরা এ রাস্তা নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি তবুও প্রশাসনের বিষয়টি নজরে আসেনি। জনগণের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন এমন প্রত্যাশায়ই এলাকাবাসীর।
প্রতিবেদকের নাম 

















