Dhaka ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাস্তার বেহাল দশায় ক্ষোভে ফুঁসছে কুমারখালীবাসী, দেখার যেন কেউ নেই ​কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটরের এআই ট্রাফিক ক্যামেরা বন্ধের গুজব ভিত্তিহীন: ডিএমপি মাদারগঞ্জে কাগজপত্র যাচাই করে, প্রায় ১ কিলোমিটার সরকারি রাস্তার জমি উদ্ধার। মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় অভিযোগ তারাগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ২২০, পকেটে ২৫০: রুমা উপজেলায় ভিডব্লিউবি সঞ্চয়ের টাকা গায়েবের অভিযোগ জনকল্যাণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রশংসিত বাঁশখালীর সমাজকর্মী নিজাম উদ্দিন সংস্কারের অপেক্ষায় নজিপুর-গগনপুর সড়ক চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ তারাগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, গাঁজাসহ আটক যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড বিল্লাল তালুকদার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল

সংস্কারের অপেক্ষায় নজিপুর-গগনপুর সড়ক চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর থেকে গগন পুর পর্যন্ত ১৫ কিলো মিটার সড়কের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ভাঙ্গাচোরা, বেশিরভাগ স্থানে রাস্তার কার্পেট উঠে গিয়ে খানাখন্দরে সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পাড়ি জমে ছোট বড় খালের মত রূপ নিচ্ছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকা বাসিকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি নজিপুর, গগনপুর হয়ে চন্ডিপুর, মেসের বাজার, ত্রিমনি, শিমুলিয়া এবং গবরচোবা ভেতর দিয়ে বদলগাছি থানায় গিয়ে পৌঁছেছে তাই এই আঞ্চলিক সড়কটি এই এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজিপুর থেকে গগনপুর ১৫ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১০ থেকে ১১ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। এই এলাকার আশেপাশে কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন ব্যবসায়ী কৃষক চাকরিজীবী এবং হাজারো সাধারণ মানুষ এ পথ ব্যবহার করে নজিপুর উপজেলা এবং বদলগাছি উপজেলা প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সারার জন্য গিয়ে থাকে। এছাড়া স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত যাতায়াত করতে হয় এ রাস্তা দিয়ে।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ২ হাজার ৮০৪

বর্তমানে রাস্তার বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত কার্পেট উঠে যাওয়ার কারণে মোটরসাইকেল অটো রিক্সা ভ্যান অন্যান্য যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা এবং যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ছে তার সঙ্গে ভাড়া ও পরিবহন খরচ বাড়ছে সমান তালে। যখন কোন মুমূর্ষ রুগি এ রাস্তা দিয়ে কোন যানবাহনে সেবার জন্য হাসপাতালে যায় তখন রোগীসহ ও লোকজনের ভোগান্তির ষোল কলা পূর্ণ হয়। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠে।অনেক সময় গর্তে জমে থাকায় চালকরা রাস্তার অবস্থা বুঝতে না পারে বারবার দুর্ঘটনা শিকার হয়। সামনে বর্ষা মৌসুম আসার কারণে এলাকার জনসাধারণ আতঙ্কের আশঙ্কা আরো বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদগাঁও বাজারে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য: ডিসি সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় খরচ হচ্ছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পন্য বাজারে নিতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন বিচারের দাবি

স্থানীয়দের একটাই প্রশ্ন —আর কতদিন এমন দুর্ভোগ সহ্য করতে হবে? এর আগে আমরা এ রাস্তা নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি তবুও প্রশাসনের বিষয়টি নজরে আসেনি। জনগণের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন এমন প্রত্যাশায়ই এলাকাবাসীর।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাস্তার বেহাল দশায় ক্ষোভে ফুঁসছে কুমারখালীবাসী, দেখার যেন কেউ নেই

সংস্কারের অপেক্ষায় নজিপুর-গগনপুর সড়ক চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেটের সময়: ১১:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর থেকে গগন পুর পর্যন্ত ১৫ কিলো মিটার সড়কের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ভাঙ্গাচোরা, বেশিরভাগ স্থানে রাস্তার কার্পেট উঠে গিয়ে খানাখন্দরে সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পাড়ি জমে ছোট বড় খালের মত রূপ নিচ্ছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকা বাসিকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি নজিপুর, গগনপুর হয়ে চন্ডিপুর, মেসের বাজার, ত্রিমনি, শিমুলিয়া এবং গবরচোবা ভেতর দিয়ে বদলগাছি থানায় গিয়ে পৌঁছেছে তাই এই আঞ্চলিক সড়কটি এই এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজিপুর থেকে গগনপুর ১৫ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১০ থেকে ১১ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। এই এলাকার আশেপাশে কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন ব্যবসায়ী কৃষক চাকরিজীবী এবং হাজারো সাধারণ মানুষ এ পথ ব্যবহার করে নজিপুর উপজেলা এবং বদলগাছি উপজেলা প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সারার জন্য গিয়ে থাকে। এছাড়া স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত যাতায়াত করতে হয় এ রাস্তা দিয়ে।

আরও পড়ুনঃ  আমবাগানে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

বর্তমানে রাস্তার বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত কার্পেট উঠে যাওয়ার কারণে মোটরসাইকেল অটো রিক্সা ভ্যান অন্যান্য যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা এবং যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ছে তার সঙ্গে ভাড়া ও পরিবহন খরচ বাড়ছে সমান তালে। যখন কোন মুমূর্ষ রুগি এ রাস্তা দিয়ে কোন যানবাহনে সেবার জন্য হাসপাতালে যায় তখন রোগীসহ ও লোকজনের ভোগান্তির ষোল কলা পূর্ণ হয়। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠে।অনেক সময় গর্তে জমে থাকায় চালকরা রাস্তার অবস্থা বুঝতে না পারে বারবার দুর্ঘটনা শিকার হয়। সামনে বর্ষা মৌসুম আসার কারণে এলাকার জনসাধারণ আতঙ্কের আশঙ্কা আরো বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘বড় আউলিয়া’ থেকে ‘বড়লিয়া’—জনশ্রুতি, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে এক জনপদের পরিচয় সন্ধান

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় খরচ হচ্ছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পন্য বাজারে নিতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  ভোলায় মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামীসহ তিনজন গ্রেফতার

স্থানীয়দের একটাই প্রশ্ন —আর কতদিন এমন দুর্ভোগ সহ্য করতে হবে? এর আগে আমরা এ রাস্তা নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি তবুও প্রশাসনের বিষয়টি নজরে আসেনি। জনগণের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন এমন প্রত্যাশায়ই এলাকাবাসীর।