Dhaka ০১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ধামরাইয়ে চার যানবাহনের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ লামায় সরকারি বমু রিজার্ভ গিলছেন আ’লীগ নেত্রী, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন আয়োজনে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব দেওয়ান হাট এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের ভূমিকা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি হরিনাহাটা বিপ্লবী ফুটবল ক্লাবের উদ্যোগে ২২তম ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শাজাহানপুরে ১৩.৫ কেজি গাঁজাসহ নারী পুরুষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ মাঠে বৃক্ষরোপণ করেছে জেলা ছাত্রদল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন জিয়া মঞ্চের এক, দুই, তিন ইউনিট কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন বগুড়ায় উত্তরের পাঁচ জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে ইতিহাস চর্চা ও গবেষণা সংস্থার দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

শিশুর ভুমিষ্ট হয়েই কাান্না করা অত্যান্ত জরুরি।

হেলাল, পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

শিশু৷ জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নাটা অত্যান্ত জরুরি, শিশু না কান্না করা এবং দুর্বল ভাবে কান্না করা তবে বুঝতে হবে, তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করেনি।

শিশু জন্মের পরপরই কান্নার আগে কাঁদতে শুরু করে। এ কান্না শুনে লেবার রুমে অথবা শিশু যে ঘরে জন্মগ্রহণ করে ভেতরের বাহিরে অপেক্ষমান সবাই খুশি হয়।এ কান্না বিরক্তের কান্না নয়, এ কান্না প্রমাণ করে শিশু সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পেরেছে, এবং স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম হয়েছে। শিশু মাতৃগর্ভে অবস্থান কালে মায়ের দেহ থেকে পরিমিত অক্সিজেন পেতো। শিশুর জন্মের পরপরই দেহের সাথে সব ধরনের সংযোগ পৃথক হয়ে যায়, ফলে তার দেহের সবারহকৃত অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায় । এ মুহূর্তে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়ে, তাই শিশুকে কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস ভরে নিতে হয় ফলে সে অক্সিজেন পায়।

আরও পড়ুনঃ  প্রস্তাবিত স্থানেই বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ,

শিশু যদি জন্মের পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে কান্না না করে, বা দুর্বলভাবে কান্না করে তবে বুঝতে হবে তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন অভাব হয় এবং তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ অক্সিজেন পাওয়ার কথা তা না পাওয়ায় তার মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অক্সিজেনের অভাবে শিশুর খিচুনি হতে পারে। তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিলম্ব হলে (পাঁচ মিনিটের বেশি) শিশুর মস্তিষ্কে চিরদিনের জন্য ক্ষতি হতে পারে। শিশু দীর্ঘ মিয়াদি মানসিক বা দৈহিক প্রতিবন্ধী হতে পারে বা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জন্মের পরপরই আপনার শিশু না কাঁদলে বা দুর্বলভাবে কাঁদলে যত শিগরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ  ​অভাবের নির্মম গ্রাস: কেরানীগঞ্জের খোলামোরায় ৪ সন্তানকে রেখে বাবার চিরবিদায়

ইহা প্রতিরোধের উপায়ঃ-
# বাচ্চা কনসেপ্ট করলে কোন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে চলা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র সেবন করা ফলাপ করে চলা।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে জুলাইয়ের চেতনায় ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান এনসিপির

# প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ ধাই অথবা নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে লেবার করানো।

# কোন কারনে প্রসতির প্রসব বেদনা প্রথম অবস্থায় আট ঘন্টা পার হওয়া মাত্রই, সিজারেনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা ইনডিউসড করা।

পরিশেষে একথা বলতেই হয় যে একটি অসুস্থ বাচ্চা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না, তথা দেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাই সবাইকে নরমাল লেবার বা প্রসূতির প্রসবের সময় যথা সতর্ক অবস্থানে থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ধামরাইয়ে চার যানবাহনের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

শিশুর ভুমিষ্ট হয়েই কাান্না করা অত্যান্ত জরুরি।

আপডেটের সময়: ০৯:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

হেলাল, পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

শিশু৷ জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান্নাটা অত্যান্ত জরুরি, শিশু না কান্না করা এবং দুর্বল ভাবে কান্না করা তবে বুঝতে হবে, তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করেনি।

শিশু জন্মের পরপরই কান্নার আগে কাঁদতে শুরু করে। এ কান্না শুনে লেবার রুমে অথবা শিশু যে ঘরে জন্মগ্রহণ করে ভেতরের বাহিরে অপেক্ষমান সবাই খুশি হয়।এ কান্না বিরক্তের কান্না নয়, এ কান্না প্রমাণ করে শিশু সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পেরেছে, এবং স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম হয়েছে। শিশু মাতৃগর্ভে অবস্থান কালে মায়ের দেহ থেকে পরিমিত অক্সিজেন পেতো। শিশুর জন্মের পরপরই দেহের সাথে সব ধরনের সংযোগ পৃথক হয়ে যায়, ফলে তার দেহের সবারহকৃত অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায় । এ মুহূর্তে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়ে, তাই শিশুকে কান্নার মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস ভরে নিতে হয় ফলে সে অক্সিজেন পায়।

আরও পড়ুনঃ  আগানগর ইস্পাহানি ঘাটে বুড়িগঙ্গায় মালবাহী ট্রাক নিমজ্জিত: উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত

শিশু যদি জন্মের পরে কয়েক মিনিটের মধ্যে কান্না না করে, বা দুর্বলভাবে কান্না করে তবে বুঝতে হবে তার ফুসফুসে পরিমিত বাতাস বা অক্সিজেন অভাব হয় এবং তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ অক্সিজেন পাওয়ার কথা তা না পাওয়ায় তার মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় অক্সিজেনের অভাবে শিশুর খিচুনি হতে পারে। তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিলম্ব হলে (পাঁচ মিনিটের বেশি) শিশুর মস্তিষ্কে চিরদিনের জন্য ক্ষতি হতে পারে। শিশু দীর্ঘ মিয়াদি মানসিক বা দৈহিক প্রতিবন্ধী হতে পারে বা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জন্মের পরপরই আপনার শিশু না কাঁদলে বা দুর্বলভাবে কাঁদলে যত শিগরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনঃ  হালদা নদীতে মানুষের হাত উদ্ধার, মাথা ও শরীরের অন্যান্য অংশের সন্ধান মেলেনি

ইহা প্রতিরোধের উপায়ঃ-
# বাচ্চা কনসেপ্ট করলে কোন অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে চলা বা প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র সেবন করা ফলাপ করে চলা।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি বাস্তবায়নে অবহিতকরণ সভা

# প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ ধাই অথবা নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে লেবার করানো।

# কোন কারনে প্রসতির প্রসব বেদনা প্রথম অবস্থায় আট ঘন্টা পার হওয়া মাত্রই, সিজারেনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা ইনডিউসড করা।

পরিশেষে একথা বলতেই হয় যে একটি অসুস্থ বাচ্চা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না, তথা দেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাই সবাইকে নরমাল লেবার বা প্রসূতির প্রসবের সময় যথা সতর্ক অবস্থানে থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।