
স্টাফ রিপোর্টারঃ শফিকুল ইসলাম (জামালপুর: জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকায়, প্রতিটি ফিডারে নির্দিষ্ট সময় পরপর লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের অধীনে মোট ১৫ টি ফিডার রয়েছে। তন্মধ্যে মাদারগঞ্জ উপজেলা জোনাল অফিসে ৯ টি ফিডার এবং আদারভিটা সাব-স্টেশনে ৬টি ফিডার রয়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিটি ফিডারে প্রায় দেড় ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। তবে দেড় ঘন্টা পর পর লোডশেডিং হলেও ঘূর্ণায়মান ভাবে আবারও প্রথম ফিডার প্রায় পনেরো ঘন্টা পর বিদ্যুৎ পায় বলেও জানান এজিএম (মাদারগঞ্জ শাখা)। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় গ্রিড থেকে মাদারগঞ্জে বর্তমানে প্রায় ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে, তন্মধ্যে উপজেলার ৯ টি ফিডারে প্রায় ৫ মেগাওয়াট এবং আদারভিটার ৬ টি ফিডারে পায় ২ প্রায় মেগাওয়াট।
অথচ বিপরীতে উপজেলার মোট চাহিদা প্রায় ২০ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৩ মেগাওয়াট। জানা গেছে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে মাদারগঞ্জে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৭ মেগাওয়াটের মতো। এর আগে সরবরাহ ছিল প্রায় ১০ মেগাওয়াট। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি_ হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর এবং উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট এলাকায় তুলনামূলকভাবে লোডশেডিং কম দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আবু সালেহ মোঃ নাঈম। তিনি জানান, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম পাওয়ার কারণেই বর্তমানে লোডশেডিং বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে। এদিকে তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। তাদের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে লোডশেডিং কমিয়ে আনা হোক। শুধু তাই নয়, সাধারণ গ্রাহকেরা আরো জানান যে, রাতদিন ২৪ ঘন্টার মধ্যে আনুমানিক মাত্র ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছি, এতে রেফ্রিজারেটরে সরবরাহকৃত খাদ্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি, সন্ধ্যার পরে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করারও সুযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















