Dhaka ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বদলগাছীতে সিএনজি-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত ভোলায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত ফিরোজ ও তার ৩ সহযোগী আটক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে দুর্ভোগ—কালিয়াকৈর পৌরসভার,৭,৮, ৯ নং ওয়ার্ড বাসিন্দাদের দীর্ঘশ্বাস বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাগুরার শ্রীপুরে পালিত হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস রাঙ্গুনিয়ায় পারিবারিক বিরোধে প্রাণ গেল যুবকের, চাচা ও চাচাতো ভাই আটক বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড় ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন: জেলা পরিষদ এবং যৌথ বাহিনীর জরুরি ত্রাণ তৎপরতা চলমান দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে ৭৫ বোতল দেশি মদ উদ্ধার ধামইরহাটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে কোস্ট ফাউন্ডেশন: ১০০০ পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ বিতরণ

বন্যায় চট্টগ্রামে মৎস্যে ক্ষতি শতকোটি, ভুক্তভোগী ১০ হাজার চাষি

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো

গ্রামে ভয়াবহ বন্যায় মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে পুকুর, দিঘি ও ঘের। বেরিয়ে গেছে মাছ। এতে কপালে হাত পড়েছে মৎস্যচাষিদের। অনেকের পথে বসার উপক্রম। জেলায় চলতি বন্যায় শুধু মৎস্য খাতেই ক্ষতি হয়েছে শতকোটি টাকা। প্রায় ১০ হাজার মাছচাষি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় শনিবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা। মোট ১২ হাজার ২৫১টি পুকুর, দিঘি ও খামার ভেসে গেছে, যার মোট আয়তন ৪ হাজার ১০৬ হেক্টর। পুকুর-দিঘি ছাড়াও ৩২০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পুকুর, দিঘি ও ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মাছ বের হয়ে অনেকটা মৎস্যশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

 

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও হাটহাজারী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, এখনো অনেক এলাকা পানির নিচে। তাই ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক হিসাবে মৎস্য খাতে ১০৯ কোটি টাকার ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। মাছ ভেসে যাওয়ায় পুরো জেলায় প্রায় ১০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে গেলে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সহায়তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। সাধারণত সহায়তা হিসেবে সরকারের তরফে মাছের পোনা ও খাদ্য দেওয়া হয় বলে তিনি জানান

আরও পড়ুনঃ  বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বদলগাছীতে সিএনজি-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত

বন্যায় চট্টগ্রামে মৎস্যে ক্ষতি শতকোটি, ভুক্তভোগী ১০ হাজার চাষি

আপডেটের সময়: ০১:৩০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো

গ্রামে ভয়াবহ বন্যায় মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে পুকুর, দিঘি ও ঘের। বেরিয়ে গেছে মাছ। এতে কপালে হাত পড়েছে মৎস্যচাষিদের। অনেকের পথে বসার উপক্রম। জেলায় চলতি বন্যায় শুধু মৎস্য খাতেই ক্ষতি হয়েছে শতকোটি টাকা। প্রায় ১০ হাজার মাছচাষি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় শনিবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা। মোট ১২ হাজার ২৫১টি পুকুর, দিঘি ও খামার ভেসে গেছে, যার মোট আয়তন ৪ হাজার ১০৬ হেক্টর। পুকুর-দিঘি ছাড়াও ৩২০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পুকুর, দিঘি ও ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মাছ বের হয়ে অনেকটা মৎস্যশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরোয়ার আলমগীর

 

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও হাটহাজারী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, এখনো অনেক এলাকা পানির নিচে। তাই ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক হিসাবে মৎস্য খাতে ১০৯ কোটি টাকার ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। মাছ ভেসে যাওয়ায় পুরো জেলায় প্রায় ১০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে গেলে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সহায়তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। সাধারণত সহায়তা হিসেবে সরকারের তরফে মাছের পোনা ও খাদ্য দেওয়া হয় বলে তিনি জানান

আরও পড়ুনঃ  কিছুটা কমতে শুরু করেছে সাঙ্গুর পানি, স্বস্তি ফিরছে বান্দরবান-রুমা-থানছিতে