Dhaka ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বদলগাছীতে সিএনজি-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত ভোলায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত ফিরোজ ও তার ৩ সহযোগী আটক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে দুর্ভোগ—কালিয়াকৈর পৌরসভার,৭,৮, ৯ নং ওয়ার্ড বাসিন্দাদের দীর্ঘশ্বাস বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাগুরার শ্রীপুরে পালিত হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস রাঙ্গুনিয়ায় পারিবারিক বিরোধে প্রাণ গেল যুবকের, চাচা ও চাচাতো ভাই আটক বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড় ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন: জেলা পরিষদ এবং যৌথ বাহিনীর জরুরি ত্রাণ তৎপরতা চলমান দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে ৭৫ বোতল দেশি মদ উদ্ধার ধামইরহাটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে কোস্ট ফাউন্ডেশন: ১০০০ পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ বিতরণ

বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য অঞ্চল ব্যুরো: বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। আজ রোববার (১২ জুলাই) টানা চতুর্থ দিনের মতো জেলার সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। একই সঙ্গে জেলার সাতটি উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর পাহাড়ধস এবং বন্যার পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে জেলার সাতটি উপজেলায় থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যা ও পাহাড়ধসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ চললেও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা হতদরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষের অভিযোগ, সেখানে পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। এদিকে জেলা শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, বাজারে মাছ, মাংস, শাকসবজিসহ অনেক প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  নোয়াখালীতে রাতের আঁধারে অধ্যক্ষের কক্ষ খুলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বদলের অভিযোগ চৌধুরী হাট ডিগ্রি কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে

 

অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে সকাল থেকে রুমা ও থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে বিকালের দিকে বন্যার পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক সহায়তায় প্রশাসন কাজ করছে। জেলাজুড়ে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং একটি জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আরও পড়ুনঃ  টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল, জোয়ার ও বিদ্যুৎহীনতায় নাকাল বাঁশখালীবাসী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বদলগাছীতে সিএনজি-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত

বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেটের সময়: ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য অঞ্চল ব্যুরো: বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। আজ রোববার (১২ জুলাই) টানা চতুর্থ দিনের মতো জেলার সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। একই সঙ্গে জেলার সাতটি উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর পাহাড়ধস এবং বন্যার পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে জেলার সাতটি উপজেলায় থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যা ও পাহাড়ধসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ চললেও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা হতদরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষের অভিযোগ, সেখানে পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। এদিকে জেলা শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, বাজারে মাছ, মাংস, শাকসবজিসহ অনেক প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  নাইক্ষ্যংছড়িতে ৬ শ্রমিক অপহরণের মূল হোতা মিজানুর গ্রেফতার

 

অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে সকাল থেকে রুমা ও থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে বিকালের দিকে বন্যার পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক সহায়তায় প্রশাসন কাজ করছে। জেলাজুড়ে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং একটি জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আরও পড়ুনঃ  টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল, জোয়ার ও বিদ্যুৎহীনতায় নাকাল বাঁশখালীবাসী