Dhaka ১১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে দুঃস্থদের মাঝে কুরবানির গোস্ত বিতরণ কাহালুতে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ ঈদ উপলক্ষ্যে সম্প্রীতির চিলমারী এর টি-২০ ক্রিকেট টূর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত নোয়াপাড়া মিনি ফুচকা পার্কে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়! শুভাঢ্যা ইউনিয়নে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও দর্শনার্থীদের ঢল কক্সবাজার ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে , বাড়ছে পর্যটকের ভিড় চকরিয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিসে লুটপাট মামলার এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেফতার ৩০শে মে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী: জুরাইনে প্রস্তুতি মঞ্চ পরিদর্শন করলেন তানভীর আহমেদ রবিন ভোলার দৌলতখান উপজেলায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

ঢাকা সদরঘাটে উপচে পড়া ভিড়, নিরাপদে বাড়ি ফেরার আকুতি

স্টাফ রিপোর্টার, আব্দুর রহমান মোল্লা: পবিত্র ঈদ ও ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ছেড়ে নাড়ির টানে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে লাখো মানুষ। প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনালে নেমেছে ঘরমুখী মানুষের ঢল। আজ মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সদরঘাট এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই। সদরঘাটের প্রতিটি পল্টুন, গ্যাংওয়ে এবং পন্টুনে নোঙর করে রাখা লঞ্চগুলো এখন কানায় কানায় পূর্ণ। উপচে পড়া ভিড় ও চিরচেনা সদরঘাট সদরঘাটে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা কাঁধে ব্যাগ, মাথায় ভারী বোঁচকা এবং হাতে লাগেজ নিয়ে চরম দুর্ভোগ উপেক্ষা করে লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করছেন। সদরঘাটের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে পল্টুন পর্যন্ত সর্বত্রই শুধু মানুষের মাথা। তপ্ত আবহাওয়া আর উপচে পড়া ভিড়ের কারণে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। অনেককে আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক লঞ্চ থেকে অন্য লঞ্চে লাফিয়ে পার হতেও দেখা গেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও প্রার্থনা উৎসবের এই আনন্দের মাঝেও যাত্রীদের মনে কাজ করছে এক অজানা আতঙ্ক। প্রতিবছরই এই সময়ে সদরঘাটে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এবং তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ছোট-বড় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদযাত্রায় জায়গা নেই পিকআপেও ভাড়া তিনগুণ

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটাই প্রার্থনা—যাতে মহান রাব্বুল আলামিন সবাইকে রহমতের চাদর দিয়ে ঢেকে রাখেন এবং সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে সুস্থ ও নিরাপদে প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছানোর তৌফিক দান করেন। যাত্রীদের অনেকেই বলছেন,
​”ভিড় যতই হোক, পরিবারের সাথে ঈদ করার আনন্দই আলাদা। তবে কর্তৃপক্ষের উচিত যাত্রী সুরক্ষায় সর্বোচ্চ নজর দেওয়া, যাতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী কোনো লঞ্চ না নেয়। ​প্রশাসনের তৎপরতা ও বর্তমান পরিস্থিতি ​ভিড় সামাল দিতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদরঘাট টার্মিনালে কঠোর অবস্থানে রয়েছে নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) স্বেচ্ছাসেবীরা। মাইকিং করে যাত্রীদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই না করার জন্য লঞ্চ মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
​তবে সাধারণ যাত্রীদের দাবি, শুধু ঘাটেই নয়, মাঝনদীতেও যেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারি বজায় রাখে। সকল বাধা ও ভয় পেরিয়ে প্রতিটি মানুষ তার প্রিয়জনের হাসিমুখ দেখুক এবং সবার যাত্রা নিরাপদ হোক—এটাই এখন সদরঘাটের সাধারণ চিত্র ও প্রত্যাশা।

আরও পড়ুনঃ  পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের অটুট সম্পর্কের প্রশংসায় শি জিনপিং
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে দুঃস্থদের মাঝে কুরবানির গোস্ত বিতরণ

ঢাকা সদরঘাটে উপচে পড়া ভিড়, নিরাপদে বাড়ি ফেরার আকুতি

আপডেটের সময়: ০৬:২২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, আব্দুর রহমান মোল্লা: পবিত্র ঈদ ও ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ছেড়ে নাড়ির টানে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে লাখো মানুষ। প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনালে নেমেছে ঘরমুখী মানুষের ঢল। আজ মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সদরঘাট এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই। সদরঘাটের প্রতিটি পল্টুন, গ্যাংওয়ে এবং পন্টুনে নোঙর করে রাখা লঞ্চগুলো এখন কানায় কানায় পূর্ণ। উপচে পড়া ভিড় ও চিরচেনা সদরঘাট সদরঘাটে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা কাঁধে ব্যাগ, মাথায় ভারী বোঁচকা এবং হাতে লাগেজ নিয়ে চরম দুর্ভোগ উপেক্ষা করে লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করছেন। সদরঘাটের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে পল্টুন পর্যন্ত সর্বত্রই শুধু মানুষের মাথা। তপ্ত আবহাওয়া আর উপচে পড়া ভিড়ের কারণে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। অনেককে আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক লঞ্চ থেকে অন্য লঞ্চে লাফিয়ে পার হতেও দেখা গেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও প্রার্থনা উৎসবের এই আনন্দের মাঝেও যাত্রীদের মনে কাজ করছে এক অজানা আতঙ্ক। প্রতিবছরই এই সময়ে সদরঘাটে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এবং তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ছোট-বড় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটাই প্রার্থনা—যাতে মহান রাব্বুল আলামিন সবাইকে রহমতের চাদর দিয়ে ঢেকে রাখেন এবং সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে সুস্থ ও নিরাপদে প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছানোর তৌফিক দান করেন। যাত্রীদের অনেকেই বলছেন,
​”ভিড় যতই হোক, পরিবারের সাথে ঈদ করার আনন্দই আলাদা। তবে কর্তৃপক্ষের উচিত যাত্রী সুরক্ষায় সর্বোচ্চ নজর দেওয়া, যাতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী কোনো লঞ্চ না নেয়। ​প্রশাসনের তৎপরতা ও বর্তমান পরিস্থিতি ​ভিড় সামাল দিতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদরঘাট টার্মিনালে কঠোর অবস্থানে রয়েছে নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) স্বেচ্ছাসেবীরা। মাইকিং করে যাত্রীদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই না করার জন্য লঞ্চ মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
​তবে সাধারণ যাত্রীদের দাবি, শুধু ঘাটেই নয়, মাঝনদীতেও যেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারি বজায় রাখে। সকল বাধা ও ভয় পেরিয়ে প্রতিটি মানুষ তার প্রিয়জনের হাসিমুখ দেখুক এবং সবার যাত্রা নিরাপদ হোক—এটাই এখন সদরঘাটের সাধারণ চিত্র ও প্রত্যাশা।

আরও পড়ুনঃ  ঈদযাত্রায় জায়গা নেই পিকআপেও ভাড়া তিনগুণ