
মোঃ শরিফ হোসেন, ভোলা জেলা, প্রতিনিধি: ভোলার বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে, জানা যায় ভোর ভোর ৪ টা বাজে গৃহবধূর মৃত্যুর খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে । নিহত গৃহবধূর নাম ফিমা বেগম (২৬)। ফিমার পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্বামীর পরিবারের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বর্তমানে মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে বোরহানউদ্দিন থানার গঙ্গাপুর ইউনিয়ন (জয়া ৮নং ওয়ার্ড) এর বাসিন্দা আবুল কালাম ও তাছনু বেগমের মেয়ে ফিমা বেগমের সাথে দৌলতখান উপজেলার কলাকোপা ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিঠু হাওলাদারের ছেলে সজিব হাওলাদারের (৩২) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তাবাচ্ছুম নামে দেড় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের প্রথম দেড় বছর সংসার সুখের হলেও এরপর থেকেই দাম্পত্য কলহের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিনিয়ত শাশুড়ির প্ররোচনায় ও কথায় স্বামী সজিব হাওলাদার ফিমাকে মারধর করতেন। গত দেড় মাস আগেও তাদের মধ্যে বড় ধরনের একটি ঝামেলার সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে মিটমাট করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
গতকাল রাতে ফিমার শ্বশুরবাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। সজিবের পরিবারের লোকজনের দাবি, ফিমা বেগম রাতে আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে ফিমার পরিবার। তাদের অভিযোগ, ফিমাকে নির্যাতন করে হত্যা করার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
ঘটনার পর পরই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 


















