Dhaka ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কর্তৃপক্ষের অপেক্ষা নয়, স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কারে ছাত্রদল নেতা রাফা পটিয়ায় তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত : তথ্যই শক্তি-জানবো, জানাবো মির্জাপুরে ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু বদলগাছীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে রাতভর সীমান্ত পাহারায় বিজিবি ও গ্রামবাসী ঢাকা দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান: কাকরাইল থেকে আরামবাগ পর্যন্ত ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত কাউনিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা ফরিদপুরে ৫১ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার নগরকান্দায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ বৃদ্ধ আটক

স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা

কাজী আন্নিল তানভীর, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

​দেশব্যাপী তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নতুন উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশের লক্ষ্যে শুরু হওয়া ‘স্টার্টআপ, সাইন্স প্রজেক্ট এন্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রোগ্রামের ঢাকা জেলা পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর বি এ এফ শাহীন কলেজ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় তিনি ক্ষুদে উদ্ভাবকদের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং তাদের তৈরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পগুলো দেখে তরুণদের অনুপ্রেরণা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
​প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
​বর্তমান সরকারের সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক ও উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী খুঁজে বের করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী এ প্রোগ্রাম আয়োজিত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতাভুক্ত এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এই পুরো প্রোগ্রামটি পরিচালনা করছে। দেশের প্রতিটি প্রান্তের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী এবং তাদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত দলগুলো তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে এই মেলায় অংশ নিচ্ছে।
​প্রতিযোগিতার ধাপ ও পুরষ্কারের বিন্যাস
​সমগ্র আয়োজনটি মূলত ৩টি ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে:
১. উপজেলা পর্যায়: ১২ জুন
২. জেলা পর্যায়: ১৪ জুন
৩. জাতীয় পর্যায়: ২৮ জুন
​চূড়ান্তভাবে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্য থেকে দেশসেরা ১০টি দলকে পুরস্কৃত করা হবে। আগামী ২৮ জুনের জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
​পরিসংখ্যান ও অংশগ্রহণকারীদের তথ্য
​শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলা ও মহানগরীর ১৬টি শিক্ষা থানার সম্ভাব্য ৩৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮১৬টি দল গত ১২ জুন উপজেলা/থানা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। সেখান থেকে বিজয়ী সেরা ৩৭টি দল (৫টি উপজেলা থেকে ১টি করে মোট ৫টি এবং ১৬টি শিক্ষা থানা থেকে ২টি করে মোট৩২টি দল) আজকের জেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
​দলীয় গঠন: প্রতিটি দলে মোট ৫ জন সদস্য রয়েছেন (৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক)।
​আজকের উপস্থিতি: জেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় ১৮৫ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৫০০ জনের এক মিলনমেলায় পরিণত হয় বি এ এফ শাহীন কলেজ প্রাঙ্গণ।
​আজকের জেলা পর্যায়ের ৩৭টি দলের মধ্যে থেকে সেরা ৩টি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে পুরস্কৃত করা হবে এবং সেরা ১৭টি দলকে আগামী ২৮ জুনের জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য নির্বাচিত করা হবে।
​তরুণ শিক্ষার্থীদের একই ছাদের নিচে স্টার্টআপ বিজনেস আইডিয়া, বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনের এই সময়োপযোগী আয়োজনটি ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: তারেক রহমান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কর্তৃপক্ষের অপেক্ষা নয়, স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কারে ছাত্রদল নেতা রাফা

স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা

আপডেটের সময়: ০৭:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

কাজী আন্নিল তানভীর, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

​দেশব্যাপী তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নতুন উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশের লক্ষ্যে শুরু হওয়া ‘স্টার্টআপ, সাইন্স প্রজেক্ট এন্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রোগ্রামের ঢাকা জেলা পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর বি এ এফ শাহীন কলেজ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় তিনি ক্ষুদে উদ্ভাবকদের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং তাদের তৈরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পগুলো দেখে তরুণদের অনুপ্রেরণা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
​প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
​বর্তমান সরকারের সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক ও উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী খুঁজে বের করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী এ প্রোগ্রাম আয়োজিত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতাভুক্ত এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এই পুরো প্রোগ্রামটি পরিচালনা করছে। দেশের প্রতিটি প্রান্তের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী এবং তাদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত দলগুলো তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে এই মেলায় অংশ নিচ্ছে।
​প্রতিযোগিতার ধাপ ও পুরষ্কারের বিন্যাস
​সমগ্র আয়োজনটি মূলত ৩টি ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে:
১. উপজেলা পর্যায়: ১২ জুন
২. জেলা পর্যায়: ১৪ জুন
৩. জাতীয় পর্যায়: ২৮ জুন
​চূড়ান্তভাবে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্য থেকে দেশসেরা ১০টি দলকে পুরস্কৃত করা হবে। আগামী ২৮ জুনের জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
​পরিসংখ্যান ও অংশগ্রহণকারীদের তথ্য
​শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলা ও মহানগরীর ১৬টি শিক্ষা থানার সম্ভাব্য ৩৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮১৬টি দল গত ১২ জুন উপজেলা/থানা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। সেখান থেকে বিজয়ী সেরা ৩৭টি দল (৫টি উপজেলা থেকে ১টি করে মোট ৫টি এবং ১৬টি শিক্ষা থানা থেকে ২টি করে মোট৩২টি দল) আজকের জেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
​দলীয় গঠন: প্রতিটি দলে মোট ৫ জন সদস্য রয়েছেন (৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক)।
​আজকের উপস্থিতি: জেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় ১৮৫ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৫০০ জনের এক মিলনমেলায় পরিণত হয় বি এ এফ শাহীন কলেজ প্রাঙ্গণ।
​আজকের জেলা পর্যায়ের ৩৭টি দলের মধ্যে থেকে সেরা ৩টি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে পুরস্কৃত করা হবে এবং সেরা ১৭টি দলকে আগামী ২৮ জুনের জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য নির্বাচিত করা হবে।
​তরুণ শিক্ষার্থীদের একই ছাদের নিচে স্টার্টআপ বিজনেস আইডিয়া, বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনের এই সময়োপযোগী আয়োজনটি ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আরও পড়ুনঃ  সংসদের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী