Dhaka ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় বিদ্যুৎ এখন ঈদের চাঁদের মতো

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৫ সময় দেখুন

মাহাদী হাসান অন্তর মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি—খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ এখন আর যায় না, বরং মাঝেমধ্যে আসে। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বর্তমান সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। বিশ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং, কখনো কখনো টানা তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না—যা জনজীবনকে করে তুলেছে অসহনীয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই।

আরও পড়ুনঃ  সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাথে হিন্দু মহাজোটের আলোচনা

 

স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও মসজিদ—সবকিছুই যেন এই বিদ্যুৎ সংকটে অস্থিরতার মধ্যে সময় পার করছে। মানুষ শান্তিতে শিক্ষা গ্রহণ, চিকিৎসা সেবা বা ধর্মীয় প্রার্থনা—কোনোটিই ঠিকমতো পালন করতে পারছে না। দিন দিন সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের ভয়াল থাবায় দেশ এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই দুই উপজেলার বাসিন্দাদের জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অসহনীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় বিদ্যুৎ এখন ঈদের চাঁদের মতো

আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মাহাদী হাসান অন্তর মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি—খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় বিদ্যুৎ এখন আর যায় না, বরং মাঝেমধ্যে আসে। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বর্তমান সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। বিশ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং, কখনো কখনো টানা তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না—যা জনজীবনকে করে তুলেছে অসহনীয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় খাম্বা আছে, তার আছে, কিন্তু কারেন্ট নেই।

আরও পড়ুনঃ  সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ফরহাদ হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

 

স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও মসজিদ—সবকিছুই যেন এই বিদ্যুৎ সংকটে অস্থিরতার মধ্যে সময় পার করছে। মানুষ শান্তিতে শিক্ষা গ্রহণ, চিকিৎসা সেবা বা ধর্মীয় প্রার্থনা—কোনোটিই ঠিকমতো পালন করতে পারছে না। দিন দিন সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের ভয়াল থাবায় দেশ এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই দুই উপজেলার বাসিন্দাদের জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অসহনীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আরও পড়ুনঃ  ফুয়েল কার্ড ছাড়া মিলবে না তেল নীলফামারীতে