
এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালালেও থামছে না নদীর আগ্রাসন। ভাঙন ধেয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে, ফলে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শহড়াবাড়ি যমুনা নদীর ঘাট এলাকায় জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার স্থানে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। এতে প্রায় ৫৫ মিটার অংশের জিও ব্যাগ ও টিউবসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ১৫০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙন ঠেকাতে গত কয়েক দিন ধরে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব সাময়িক উদ্যোগে কাজ হচ্ছে না। তারা ভাঙনরোধে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ি গ্রামে গত বছরের অক্টোবরে যমুনা নদীর আকস্মিক ভাঙনে সমতল ভূমিসহ ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সে সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পানির প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ভাঙনকবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়।
নদীপাড়ের বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















