Dhaka ১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দীঘিনালায় প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত ট্রাফিক আইন ও গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাউছিয়া আহমদিয়া মীর ছাহারা দাখিল মাদ্রাসার অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির লক্ষ্যে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার জন্য ২১ হাজার পানির ট্যাংক, রাস্তা, সেতু ও মাদক নির্মূলের দাবি জানালেন এমপি আব্দুল আলীম চট্টগ্রাম নগরীর খাল-ছড়ার দখল না ছাড়লে আইনানুগ ব্যবস্থা : চসিক মেয়র অসহায় ও কর্মজীবী মানুষের ফ্রি চিকিৎসক সেবায় ওয়াল্টন প্লাজা মোংলায় মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন পত্নীতলায় কাস্টমসের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মালামাল ধ্বংস দিনাজপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ, নারীসহ আটক ৪ তারেক রহমানের সফরে নতুন উচ্চতায় যেতে পারে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক

ধুনটে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যমুনা নদীর ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালালেও থামছে না নদীর আগ্রাসন। ভাঙন ধেয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে, ফলে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শহড়াবাড়ি যমুনা নদীর ঘাট এলাকায় জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার স্থানে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। এতে প্রায় ৫৫ মিটার অংশের জিও ব্যাগ ও টিউবসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ১৫০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

জানা গেছে, ভাঙন ঠেকাতে গত কয়েক দিন ধরে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব সাময়িক উদ্যোগে কাজ হচ্ছে না। তারা ভাঙনরোধে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফের ব্যবস্থাপনায় ৫দিন ব্যাপী শোহাদা-ই কারবালা মাহফিলের ৩য় দিবস সম্পন্ন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ি গ্রামে গত বছরের অক্টোবরে যমুনা নদীর আকস্মিক ভাঙনে সমতল ভূমিসহ ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সে সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পানির প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ  মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জে মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

পরবর্তীতে ভাঙনকবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দীঘিনালায় প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত

ধুনটে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যমুনা নদীর ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

আপডেটের সময়: ০১:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালালেও থামছে না নদীর আগ্রাসন। ভাঙন ধেয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে, ফলে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শহড়াবাড়ি যমুনা নদীর ঘাট এলাকায় জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার স্থানে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। এতে প্রায় ৫৫ মিটার অংশের জিও ব্যাগ ও টিউবসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ১৫০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঘোড়াঘাটে গ্রামীণ নারীদের সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

জানা গেছে, ভাঙন ঠেকাতে গত কয়েক দিন ধরে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব সাময়িক উদ্যোগে কাজ হচ্ছে না। তারা ভাঙনরোধে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ি গ্রামে গত বছরের অক্টোবরে যমুনা নদীর আকস্মিক ভাঙনে সমতল ভূমিসহ ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সে সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পানির প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ  পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে বনভূমি দখল

পরবর্তীতে ভাঙনকবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।