
পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
এক পশলা বৃষ্টিতে যেন জলবদ্ধতা নগরীতে পরিণত হয়েছে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা প্রাণকেন্দ্র নজিপুর বাসস্ট্যান্ড। ২৫ শে মে সোমবার সকাল ৭টার বৃষ্টিতে বাসস্ট্যান্ডের প্রধান সড়ক জুড়ে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, পরীক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ডে হতে নজিপুর টু সাপাহার আঞ্চলিক ব্যস্ততম সড়কটি একপসলা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও রাস্তাও ড্রেনের পার্থক্য বুঝার উপায় নেই। যানবাহনগুলোকে ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে, আর পথচারীরা বাধ্য হয়ে ময়লা পানি মাড়িয়ে চলাচল করছেন। ফলে প্রতিদিন জীবনযাত্রা ব্যাহাত হচ্ছে। এই জলবদ্ধতার মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে, নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে উত্তর দিকে পূর্ব দিকে এবং দক্ষিণ দিকে নতুন করে ঢালাই রাস্তা করার ফলে তিনদিকে অন্তত দুই থেকে তিন ফুট উঁচু হাওয়াই পশ্চিম দিকে রাস্তাটি কোন সংস্কার কাজ না হওয়ায় রাস্তাটি নিচু হওয়ার কারণেই এই জলবদ্ধতা প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হয়। এরকমটাই চিত্র চলতেছে বিগত এক বছর থেকে,যেন এতিম এক নজিপুর পৌরসভা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বছর পর বছর ধরে এ সমস্যা থাকলেও স্থায়ী সমাধানের কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রেন দখল ও নিয়মিত পরিষ্কার- পরিছন্নতার অভাবকে এ- সমস্যার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানের সামনে পানি জমে থাকায় ক্রেতাদের আসা-যাওয়া কমে গেছে। অনেকেই পানি ও কাদার কারণে দোকানে প্রবেশ করতে অনিহা প্রকাশ করছেন। এতে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির আসংকাও দেখা দিয়েছে।
যাত্রীরা ক্ষোপ প্রকাশ করে বলেন, নজিপুর বাসস্ট্যান্ড উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। অথচ সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। এতে জনভোগান্তি দিন দিন বাড়ছেই।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন,পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করা হলে দীর্ঘদিনের জলবদ্ধতার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
নজিপুরবাসীর প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই বাস স্ট্যান্ড এলাকাকে জলবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করবে।
প্রতিবেদকের নাম 



















