Dhaka ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মির্জাপুরে তুচ্ছ ঘটনায় ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু বই ছাপিয়ে তুলছেন হোল্ডিং টেক্স,ব্যাংক হিসাবে জমা না হলেও হচ্ছে তিলক পকেটে নগরীর কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী ১২৭তম নজরুল জয়ন্তীতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ​ভোলায় কোস্ট গার্ড ও বিআইডব্লিউটিএ’র যৌথ অভিযান যাত্রীসহ অবৈধ ট্রলার জব্দ, আটক ১ কাউনিয়ায় বেইলী ব্রিজের কাছে হানিফ পরিবহনের বাস দুর্ঘটনা পাহাড়ে শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে রাজপথে শিক্ষার্থীরা, ধর্ষকের ফাঁসির দাবি কুড়িগ্রামে সেতু ধস প্রাণ গেল একজনের বিচ্ছিন্ন তিন ইউনিয়নের যোগাযোগ নন্দীগ্রামে ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা বিতরণ জৈন্তাপুর সীমান্তে মানবপাচার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৪

ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে কুড়িগ্রামে চীনা বিশেষজ্ঞ দল

মোঃ আলমগীর হোসাইন,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন গতি এসেছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে শনিবার (২৩ মে) দুপুরে প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের একটি প্রতিনিধি দল। দলের সদস্যরা সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন এবং নদীর অবস্থান, সংযোগ সড়ক, নির্মাণ উপযোগিতা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাই। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার গায়েব - দুই কর্মচারী আটক

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ দুর্ভোগ কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের এই তিন উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতে সহজতা আসবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল হবে। এতে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন তারা। সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী জানান, ঈদের পর একটি বিশেষ স্টাডি টিম এসে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও আর্থসামাজিক গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা পরিচালনা করবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  পত্নীতলায় পুকুরে ভেসে উঠলো অজ্ঞাত লাশ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মির্জাপুরে তুচ্ছ ঘটনায় ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে কুড়িগ্রামে চীনা বিশেষজ্ঞ দল

আপডেটের সময়: ০৭:৪২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

মোঃ আলমগীর হোসাইন,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন গতি এসেছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে শনিবার (২৩ মে) দুপুরে প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের একটি প্রতিনিধি দল। দলের সদস্যরা সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন এবং নদীর অবস্থান, সংযোগ সড়ক, নির্মাণ উপযোগিতা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাই। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের শেষ বিদায়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ দুর্ভোগ কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের এই তিন উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতে সহজতা আসবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল হবে। এতে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন তারা। সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী জানান, ঈদের পর একটি বিশেষ স্টাডি টিম এসে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও আর্থসামাজিক গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা পরিচালনা করবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসার শিক্ষককে গ্রেফতার