Dhaka ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বন্দর থানা এলাকায় আত্মসাথের ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য ও গাড়ি উদ্ধার: আটক -২ মাগুরায় জেলা তথ্য অফিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, উন্নয়ন বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপেক্ষিত ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা,উপজেলা ছাত্রসেনার স্মারকলিপি পেশ রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন মনপুরায় সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতের জন্য ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসট্রিবিউশন এর মহাপরিকল্পনা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ধানের হাটে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য সিরাজগঞ্জে শাশুড়ীর পরকীয়ার বলি হলেন পুত্রবধু মেঘে ঢাকা পাহাড়ের স্বর্গরাজ্য: পর্যটনের রোমাঞ্চকর দিগন্তে পার্বত্য কন্যা বান্দরবান লামায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন অগ্রগতির ওপর প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত নিয়ম না মেনেই চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, সময়ের আগেই গেটে ঝুললো তালা

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাট অস্তিত্ব সংকটে

জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা প্রতিনিধি মির্জাপুর টাংগাইল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাট এখন চরম অস্তিত্ব সংকটে। ক্রেতা- বিক্রেতার অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের ভয় ও সরকারি ইজারা মূল্য বৃদ্ধি এবং ইজারাদারদের হাট পরিচালনা ব্যায় বৃদ্ধি হওয়ায় উভয় সংকটে এই হাট পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী এলাকায় নতুন নতুন হাট গড়ে ওঠায় ঐতিহ্য হারাতে বসেছে এই হাটটি। ক্রেতা-বিক্রেতা ও স্থানীয়দের অভিযোগের মুখে হাটের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। একসময় টাঙ্গাইল ও আশেপাশের অঞ্চলের মানুষের কাছে পশুর হাটের বিশ্বস্ত নাম ছিল মির্জাপুরের কাইতলা হাট। প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো এই প্রাঙ্গণ। কিন্তু সেই ব্যস্ত চিত্র এখন কেবলই স্মৃতি। বর্তমানে হাটে পশুর আমদানি যেমন কমছে, তেমনি কমছে ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত খাজনা আদায়ই এই হাটের জনপ্রিয়তায় ধস নামিয়েছে। বর্তমানে একটি পশু বিক্রি করলে বিক্রেতাকে দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা এবং ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ১২০০ টাকা খাজনা। খরচের কারণে সাধারণ মানুষ এই হাট বিমুখ হয়ে পড়ছেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে কক্সবাজার পৌঁছেছেন

 

​এক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ জানিয়েছেন, ভাই, হাটের অবস্থা বেশি ভালো না। আমরা ৩-৪টা হাট ধরে দেখছি, কোনোটাতে আগের মতো গরু আসছে না। এখন আমরা কী করবো বুঝতে পারছি না। এদিকে হাট ইজারাদারের দাবি ভিন্ন। তাদের মতে, সরকারি ইজারা মূল্য অতিরিক্ত হওয়ায় এবং হাটের পরিচালনার খরচ মেটাতে তারা এই খাজনা আদায়ে বাধ্য হচ্ছেন। তবে পার্শ্ববর্তী উপজেলায় নতুন হাট গড়ে ওঠায় কাইতলা হাটের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে, যা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আশেপাশের অঞ্চলের অবৈধ পশু হাট বসানো বন্ধ করে দ্রুত এই খাজনা ব্যবস্থা সংস্কার করা না হলে এবং সরকারি উদ্যোগে ইজারা কমিয়ে না আনলে হারিয়ে যেতে পারে মির্জাপুরের এই ঐতিহ্যবাহী কাইতলা হাট।

আরও পড়ুনঃ  বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি - হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক - মশিউর রহমান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বন্দর থানা এলাকায় আত্মসাথের ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য ও গাড়ি উদ্ধার: আটক -২

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাট অস্তিত্ব সংকটে

আপডেটের সময়: ০৮:৫০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা প্রতিনিধি মির্জাপুর টাংগাইল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাট এখন চরম অস্তিত্ব সংকটে। ক্রেতা- বিক্রেতার অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের ভয় ও সরকারি ইজারা মূল্য বৃদ্ধি এবং ইজারাদারদের হাট পরিচালনা ব্যায় বৃদ্ধি হওয়ায় উভয় সংকটে এই হাট পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী এলাকায় নতুন নতুন হাট গড়ে ওঠায় ঐতিহ্য হারাতে বসেছে এই হাটটি। ক্রেতা-বিক্রেতা ও স্থানীয়দের অভিযোগের মুখে হাটের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। একসময় টাঙ্গাইল ও আশেপাশের অঞ্চলের মানুষের কাছে পশুর হাটের বিশ্বস্ত নাম ছিল মির্জাপুরের কাইতলা হাট। প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো এই প্রাঙ্গণ। কিন্তু সেই ব্যস্ত চিত্র এখন কেবলই স্মৃতি। বর্তমানে হাটে পশুর আমদানি যেমন কমছে, তেমনি কমছে ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত খাজনা আদায়ই এই হাটের জনপ্রিয়তায় ধস নামিয়েছে। বর্তমানে একটি পশু বিক্রি করলে বিক্রেতাকে দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা এবং ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ১২০০ টাকা খাজনা। খরচের কারণে সাধারণ মানুষ এই হাট বিমুখ হয়ে পড়ছেন।

আরও পড়ুনঃ  জার্মানির রাষ্ট্রদূতের চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন

 

​এক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ জানিয়েছেন, ভাই, হাটের অবস্থা বেশি ভালো না। আমরা ৩-৪টা হাট ধরে দেখছি, কোনোটাতে আগের মতো গরু আসছে না। এখন আমরা কী করবো বুঝতে পারছি না। এদিকে হাট ইজারাদারের দাবি ভিন্ন। তাদের মতে, সরকারি ইজারা মূল্য অতিরিক্ত হওয়ায় এবং হাটের পরিচালনার খরচ মেটাতে তারা এই খাজনা আদায়ে বাধ্য হচ্ছেন। তবে পার্শ্ববর্তী উপজেলায় নতুন হাট গড়ে ওঠায় কাইতলা হাটের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে, যা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আশেপাশের অঞ্চলের অবৈধ পশু হাট বসানো বন্ধ করে দ্রুত এই খাজনা ব্যবস্থা সংস্কার করা না হলে এবং সরকারি উদ্যোগে ইজারা কমিয়ে না আনলে হারিয়ে যেতে পারে মির্জাপুরের এই ঐতিহ্যবাহী কাইতলা হাট।

আরও পড়ুনঃ  গোবিন্দগঞ্জে ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক