
শাকিব আহম্মেদ, লালপুর উপজেলা (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের লালপুর উপজেলার ২নং ঈশ্বরদী ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের কাশেম মন্ডলের বাড়ি থেকে পঁচারবাড়ী অভিমুখী প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন চরম খানাখন্দ, কাদা-পানি ও তীব্র দুর্গন্ধময় পরিবেশে রূপ নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার না হওয়া এবং স্থানীয় মহিষের খামারগুলোর বর্জ্য অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাস্তায় ফেলার কারণে বছর জুড়েই পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
শনিবার (১৯ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামীণ এই সড়কটির বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে জমে রয়েছে নোংরা পানি ও প্যাচপ্যাচে কাদা। পিচ্ছিল রাস্তায় চাকা দেবে যাওয়া গভীর খাদ ও গর্ত পার হয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী, বয়োবৃদ্ধ, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও স্থানীয় যানবাহন। সামান্য বৃষ্টি কিংবা স্বাভাবিক সময়েও রাস্তাটি চলাচলের একদম অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তাটির দুই পাশে কয়েকজন বাসিন্দার মহিষের খামার রয়েছে। খামারগুলোর যাবতীয় গোবর, আবর্জনা ও বিষাক্ত ময়লা পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রেখে তা সরাসরি রাস্তার ওপর ভাসিয়ে দেওয়া হয়। ফলে পুরো এলাকায় ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ এবং একই সঙ্গে বাড়ছে ডেঙ্গুসহ নানা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি।
ভুক্তভোগী এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়া সত্ত্বেও খামারের বর্জ্য ও ড্রেনেজ না থাকার কারণে এখন হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটির পানি নিষ্কাশনে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে এবং খামারিদের বেপরোয়া বর্জ্য অপসারণ বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের দীর্ঘদিনের এই কষ্ট লাঘবে সড়কটি দ্রুত পাকা ও টেকসই সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
প্রতিবেদকের নাম 



















