Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী কোম্পানীগঞ্জ ইউনাইটেড হাসপাতালে সিজারের পর প্রসূতির মৃত্যু লোহাগাড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ২৩ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস অসুস্থ হয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হলো মাগুরার জেলা প্রশাসককে কাউনিয়ার হারাগাছ ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সভা ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ঈদগাঁও বাজারে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য: ডিসি সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে দুর্গমতার সুযোগে চকরিয়ার বমু বিলছড়িতে কোটি টাকার সড়কে ‘পুকুরচুরি বালিয়াডাঙ্গীতে নিজ ঘর থেকে গৃহকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শিবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু

ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা: যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সম্বলিত এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। স্মারকলিপি পেশকালে কমিটির নেতৃবৃন্দ উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো: ১. দ্বিমুখী সেতু ও আধুনিক রেলওয়ে স্টেশন: যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) নির্মাণ এবং মাঝখানের স্থায়ী চরে ২০ ফুট উঁচুতে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন। ২. কৃষিভিত্তিক ইপিজেড: চরের উর্বর মাটিতে উৎপাদিত মরিচ, পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন রবি শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং স্থানীয় বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সর্বাধুনিক ‘কৃষিভিত্তিক ইপিজেড’ গড়ে তোলা। ৩. চর ট্যুরিজম: যমুনার বিশাল চরাঞ্চল ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত ‘চর ট্যুরিজম’ বা আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা। স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  মোংলায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত-৮

 

উক্ত স্মারকলিপি পেশ ও গণদাবি আদায়ের সমাবেশে নেতৃত্ব দেন এবং বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, ফুলছড়ির গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু, এবং জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও চরাঞ্চলের মানুষের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর সরকার, ফুলছড়ির বিশিষ্ট সমাজসেবক ওহিদুল ইসলাম জয়, সাঘাটা ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক সামছুল হক, কচুয়াহাট ছিন্নমূল সমিতির প্রতিনিধি দুলু মিয়া এবং প্যানেল চেয়ারম্যান জিহাদুর রহমান মওলা। এ সময় চরাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুটটি পুনরায় পুরোদমে চালু করা এখন সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের সাথে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে। এই মেগা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তারা বর্তমান সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুনঃ  মৌলভীবাজারের রাজনগরে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিসহ ৭ জন গ্রেফতার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী

ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

আপডেটের সময়: ০৬:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা: যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সম্বলিত এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। স্মারকলিপি পেশকালে কমিটির নেতৃবৃন্দ উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো: ১. দ্বিমুখী সেতু ও আধুনিক রেলওয়ে স্টেশন: যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) নির্মাণ এবং মাঝখানের স্থায়ী চরে ২০ ফুট উঁচুতে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন। ২. কৃষিভিত্তিক ইপিজেড: চরের উর্বর মাটিতে উৎপাদিত মরিচ, পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন রবি শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং স্থানীয় বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সর্বাধুনিক ‘কৃষিভিত্তিক ইপিজেড’ গড়ে তোলা। ৩. চর ট্যুরিজম: যমুনার বিশাল চরাঞ্চল ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত ‘চর ট্যুরিজম’ বা আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা। স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  জনবল ও অ্যাম্বুলেন্স সংকটে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা হাসপাতাল চরম দুর্ভোগে রোগীরা

 

উক্ত স্মারকলিপি পেশ ও গণদাবি আদায়ের সমাবেশে নেতৃত্ব দেন এবং বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, ফুলছড়ির গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু, এবং জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও চরাঞ্চলের মানুষের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর সরকার, ফুলছড়ির বিশিষ্ট সমাজসেবক ওহিদুল ইসলাম জয়, সাঘাটা ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক সামছুল হক, কচুয়াহাট ছিন্নমূল সমিতির প্রতিনিধি দুলু মিয়া এবং প্যানেল চেয়ারম্যান জিহাদুর রহমান মওলা। এ সময় চরাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুটটি পুনরায় পুরোদমে চালু করা এখন সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের সাথে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে। এই মেগা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তারা বর্তমান সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুনঃ  নাচোলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন