Dhaka ০৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দ্বিতীয় ধাপে চালুর পর গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হলো যমুনা সার কারখানার উৎপাদন কেরানীগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা ডালিয়া আক্তার হত্যা: ৩ জন গ্রেফতার, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন ​ সুবর্ণচরে একই পরিবারের দুই শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু জামালপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড গোদাগাড়ীতে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ১ কেজি ৬৭৭ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার আজ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, উৎসবের আনন্দে মুখর বৌদ্ধ ও হিন্দু সম্প্রদায় নাটোরের লালপুরে শীতের আগমনী বার্তা: খেজুরের রস ও গুড় উৎপাদনে ব্যস্ত গাছিরা এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম ফরিদগঞ্জের সাবেক এমপি সাংবাদিক মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের ইন্তেকাল চট্টগ্রামে অন্যতম শীর্ষ সস্ত্রাসী’ তালিকাভুক্ত বগার ৪ সহযোগী গ্রেপ্তার

পরীক্ষা দুই দিন পেছালে কী হতো শিক্ষামন্ত্রীকে রুমিন ফারহানার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:১৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৮৫ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এইচএসসির মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এবং বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান বিষয় পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরও কেন তা দুই-একদিন পেছানো হলো না, তা জানতে চেয়ে জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের মতামত বিশ্লেষণ করেই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ভুলের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী। সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সংসদে স্পিকারের মাধ্যমে সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপন করে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষাটি কিছুটা পেছানোর জন্য অনুরোধ করেছিল, কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যে কারণে ঢাকায় আন্দোলনও হয়েছে। এইচএসসির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, যেটার ওপর আগামীতে একটা ছেলে বা মেয়ের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে তা নির্ভর করে। আর পদার্থবিজ্ঞানের মতো বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের এই দাবি বিবেচনার কী সমস্যা ছিল, কেন পরীক্ষাটি অন্তত একদিন বা দুইদিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়া গেল না, তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রায় ২ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনার অর্থ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

চট্টগ্রামে বন্যার কারণে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়িসহ পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আগেই স্থগিত করা হয়েছিল। চলমান পরিস্থিতির ওপর সরকার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছিল এবং ৬৪ জেলার এসপি, আটটি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল। এমনকি আবহাওয়ার পূর্বাভাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়। তারা সবাই পরিস্থিতি অনুকূলে থাকবে বলে জানানোর পর, বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠে পানি জমে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও ডিসির সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে কেন্দ্রের পাঁচতলা ভবনে নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। সাময়িক দুর্যোগের কারণে শিক্ষার্থীদের কাপড় ভিজে গেলে বিকল্প কাপড়ের ব্যবস্থা করে এক ঘণ্টা বিলম্বে পরীক্ষা শুরু করা হয় এবং তাদের পরীক্ষার সময়সীমাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসনকে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে পরীক্ষা বন্ধ বা বিলম্বে নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া ছিল বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন মডারেশনের প্রক্রিয়াটি দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব পেয়েছে মাত্র চার মাস, ফলে এই প্রশ্নগুলো বিগত সরকারের আমলের মডারেটরদের তৈরি। তবুও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকার বিষয়টি চিহ্নিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ওই দুটি প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর (ফুল ক্রেডিট) দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জাইমার জন্মদিনে দুই হাজার অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ‎মীর শাহে আলম ফাউন্ডেশনের
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দ্বিতীয় ধাপে চালুর পর গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হলো যমুনা সার কারখানার উৎপাদন

পরীক্ষা দুই দিন পেছালে কী হতো শিক্ষামন্ত্রীকে রুমিন ফারহানার

আপডেটের সময়: ০৮:১৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এইচএসসির মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এবং বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান বিষয় পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরও কেন তা দুই-একদিন পেছানো হলো না, তা জানতে চেয়ে জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের মতামত বিশ্লেষণ করেই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ভুলের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী। সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সংসদে স্পিকারের মাধ্যমে সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপন করে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষাটি কিছুটা পেছানোর জন্য অনুরোধ করেছিল, কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যে কারণে ঢাকায় আন্দোলনও হয়েছে। এইচএসসির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, যেটার ওপর আগামীতে একটা ছেলে বা মেয়ের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে তা নির্ভর করে। আর পদার্থবিজ্ঞানের মতো বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের এই দাবি বিবেচনার কী সমস্যা ছিল, কেন পরীক্ষাটি অন্তত একদিন বা দুইদিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়া গেল না, তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রায় ২ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  মায়ের স্মৃতি আর শিকড়ের টানে কমলনগরে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ

 

চট্টগ্রামে বন্যার কারণে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়িসহ পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আগেই স্থগিত করা হয়েছিল। চলমান পরিস্থিতির ওপর সরকার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছিল এবং ৬৪ জেলার এসপি, আটটি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল। এমনকি আবহাওয়ার পূর্বাভাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়। তারা সবাই পরিস্থিতি অনুকূলে থাকবে বলে জানানোর পর, বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠে পানি জমে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও ডিসির সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে কেন্দ্রের পাঁচতলা ভবনে নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। সাময়িক দুর্যোগের কারণে শিক্ষার্থীদের কাপড় ভিজে গেলে বিকল্প কাপড়ের ব্যবস্থা করে এক ঘণ্টা বিলম্বে পরীক্ষা শুরু করা হয় এবং তাদের পরীক্ষার সময়সীমাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসনকে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে পরীক্ষা বন্ধ বা বিলম্বে নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া ছিল বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন মডারেশনের প্রক্রিয়াটি দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব পেয়েছে মাত্র চার মাস, ফলে এই প্রশ্নগুলো বিগত সরকারের আমলের মডারেটরদের তৈরি। তবুও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকার বিষয়টি চিহ্নিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ওই দুটি প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর (ফুল ক্রেডিট) দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান