Dhaka ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার পুলিশের জালে তিন মাদক কারবারি, উদ্ধার ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল কোম্পানীগঞ্জে মাদ্রাসায় ভাঙচুরের খবর পেয়ে তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার ৫ পুলিশ, আটক ৭ মান্দায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে ভাঙচুর, সহস্রাধিক কলাগাছ কাটার অভিযোগ কেরানীগঞ্জে রেল চলাচল শুরু, নতুন যাত্রাপথে যুক্ত হলো দক্ষিণাঞ্চল মাগুরা পুলিশ লাইনস স্কুলে এসএসসিতে শতভাগ সাফল্য, কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ৭ বছর পর আদালতের রায়ে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে জায়গা ফিরে পেলেন আতাউর রহমান বন মামলা থেকে বাঁচতে বন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে উসমান গণির মিথ্যা মামলা ও চাঁদাবাজি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে নাগরপুরে ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন মনপুরা পার্কে কাশিমপুর বিএনপির মিলনমেলা, আনন্দ-উচ্ছ্বাসে দিনব্যাপী আয়োজন

দীঘিনালায় দুইটি বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল গড় পাশে হার ২৪% জিপিএ ৫- ৬জন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি৷

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় ২০ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি দাখিল মাদ্রাসা, টেনিক্যাল স্কুল ২টি মধ্যে ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্রাসা ও ২টি টেকনিক্যাল স্কুলে গড় পাশের হার ২৪%। এছাড়া কবাখালী ইউনিয়ন তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষায় ৫ জন অংশ গ্রহন করে ৫ জনেই ফেল করেছে। বাবুছড়া ইউনিয়নের জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষায় ১৯জন অংশ গ্রহন করে ১৯ জনেই ফেল করেছে।
ফেল করেছে ফলাফল ধসের মধ্যেও দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫- ৩জন, দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ জিপিএ-৫- ২জন, দীঘিনালা বড়াদম উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫-১জন। মোট ৬জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা ২৪টি বিদ্যালয়ের মোট ১৬শ ২২জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় পাশ করেছে ৩৯২জন আর ফেল ১২শত ৩০জন ।
তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নীলোৎপল চাকমা বলেন, ব্যর্থতা আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে মনে করি৷ আমরা হয়তো ঠিকমতে গাইড দিতে পারি না। এই বিদ্যালয় থেকে ৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ৫জনই ফেল করেছে। এছাড়া এই বিদালয়ে দুর দুরান্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসে পড়ালেখা করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, বিভিন্ন সমস্যা
নিয়মিত ক্লাসে আসতনা, অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ভালোভাবে গাইড করতনা। বিশেষ করে তারা মোবাইলে বিভিন্ন গেইমস আসক্ত ছিল। তার কারনেও ফলাফল এমন বিপর্যয় ঘটছে।
শিক্ষানুরাগী অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আনন্দ মোহন চাকমা বলেন, ফলাফল ধসের প্রধান কারন হলো শিক্ষকদের উদাসিনতা হতে পারে। অভিভাবকদের সচেতনতা অভাব ছিল মনে হয়। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা মনে করি মোবাইলে আসক্ত হওয়ার প্রবনতা বেশি। ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে শিক্ষক ও অভিভাবকরা মিলে পরামর্শ করে উদ্যোগ নিত হবে।
দীঘিনালা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া বলেন, দীঘিনালা উপজেলা এবছর পাশের হার ২৪%। দুইটি বিদ্যালয়ের পাশে হার শূন্য। পাশে হার কেন এত ধস নামল তা খতিয়ে দেখা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বিসিক শিল্পনগরীতে সরকারি গাছ টেন্ডার বা নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়াই গোপনে বিক্রির অভিযোগ।
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার

দীঘিনালায় দুইটি বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল গড় পাশে হার ২৪% জিপিএ ৫- ৬জন

আপডেটের সময়: ০৬:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি৷

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় ২০ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি দাখিল মাদ্রাসা, টেনিক্যাল স্কুল ২টি মধ্যে ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্রাসা ও ২টি টেকনিক্যাল স্কুলে গড় পাশের হার ২৪%। এছাড়া কবাখালী ইউনিয়ন তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষায় ৫ জন অংশ গ্রহন করে ৫ জনেই ফেল করেছে। বাবুছড়া ইউনিয়নের জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষায় ১৯জন অংশ গ্রহন করে ১৯ জনেই ফেল করেছে।
ফেল করেছে ফলাফল ধসের মধ্যেও দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫- ৩জন, দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ জিপিএ-৫- ২জন, দীঘিনালা বড়াদম উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫-১জন। মোট ৬জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা ২৪টি বিদ্যালয়ের মোট ১৬শ ২২জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় পাশ করেছে ৩৯২জন আর ফেল ১২শত ৩০জন ।
তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নীলোৎপল চাকমা বলেন, ব্যর্থতা আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে মনে করি৷ আমরা হয়তো ঠিকমতে গাইড দিতে পারি না। এই বিদ্যালয় থেকে ৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ৫জনই ফেল করেছে। এছাড়া এই বিদালয়ে দুর দুরান্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসে পড়ালেখা করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, বিভিন্ন সমস্যা
নিয়মিত ক্লাসে আসতনা, অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ভালোভাবে গাইড করতনা। বিশেষ করে তারা মোবাইলে বিভিন্ন গেইমস আসক্ত ছিল। তার কারনেও ফলাফল এমন বিপর্যয় ঘটছে।
শিক্ষানুরাগী অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আনন্দ মোহন চাকমা বলেন, ফলাফল ধসের প্রধান কারন হলো শিক্ষকদের উদাসিনতা হতে পারে। অভিভাবকদের সচেতনতা অভাব ছিল মনে হয়। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা মনে করি মোবাইলে আসক্ত হওয়ার প্রবনতা বেশি। ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে শিক্ষক ও অভিভাবকরা মিলে পরামর্শ করে উদ্যোগ নিত হবে।
দীঘিনালা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া বলেন, দীঘিনালা উপজেলা এবছর পাশের হার ২৪%। দুইটি বিদ্যালয়ের পাশে হার শূন্য। পাশে হার কেন এত ধস নামল তা খতিয়ে দেখা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ইয়াকুব-হান্নানের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম জেলা জুলাই যোদ্ধা সংসদের নতুন কমিটি