
দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি৷
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় ২০ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি দাখিল মাদ্রাসা, টেনিক্যাল স্কুল ২টি মধ্যে ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্রাসা ও ২টি টেকনিক্যাল স্কুলে গড় পাশের হার ২৪%। এছাড়া কবাখালী ইউনিয়ন তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষায় ৫ জন অংশ গ্রহন করে ৫ জনেই ফেল করেছে। বাবুছড়া ইউনিয়নের জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষায় ১৯জন অংশ গ্রহন করে ১৯ জনেই ফেল করেছে।
ফেল করেছে ফলাফল ধসের মধ্যেও দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫- ৩জন, দীঘিনালা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ জিপিএ-৫- ২জন, দীঘিনালা বড়াদম উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫-১জন। মোট ৬জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।
দীঘিনালা ২৪টি বিদ্যালয়ের মোট ১৬শ ২২জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় পাশ করেছে ৩৯২জন আর ফেল ১২শত ৩০জন ।
তারাবনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নীলোৎপল চাকমা বলেন, ব্যর্থতা আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে মনে করি৷ আমরা হয়তো ঠিকমতে গাইড দিতে পারি না। এই বিদ্যালয় থেকে ৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ৫জনই ফেল করেছে। এছাড়া এই বিদালয়ে দুর দুরান্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসে পড়ালেখা করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, বিভিন্ন সমস্যা
নিয়মিত ক্লাসে আসতনা, অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ভালোভাবে গাইড করতনা। বিশেষ করে তারা মোবাইলে বিভিন্ন গেইমস আসক্ত ছিল। তার কারনেও ফলাফল এমন বিপর্যয় ঘটছে।
শিক্ষানুরাগী অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আনন্দ মোহন চাকমা বলেন, ফলাফল ধসের প্রধান কারন হলো শিক্ষকদের উদাসিনতা হতে পারে। অভিভাবকদের সচেতনতা অভাব ছিল মনে হয়। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা মনে করি মোবাইলে আসক্ত হওয়ার প্রবনতা বেশি। ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে শিক্ষক ও অভিভাবকরা মিলে পরামর্শ করে উদ্যোগ নিত হবে।
দীঘিনালা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া বলেন, দীঘিনালা উপজেলা এবছর পাশের হার ২৪%। দুইটি বিদ্যালয়ের পাশে হার শূন্য। পাশে হার কেন এত ধস নামল তা খতিয়ে দেখা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 



















