
আব্দুর রাজ্জাক সরকার ,স্টাফ রিপোর্টার,
গাইবান্ধায় আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠা ও জুলাই শহীদদের কবরের টাকা আত্নসাৎ এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে গাইবান্ধা জুলাই শহীদ পরিবারের স্বজনদের উদ্যোগে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলন ৬ জন জুলাই শহীদদের পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহিনা। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন,জেলা নাগরিক পার্টির শীর্ষ কয়েক নেতা শহীদ পরিবারদের বাদ দিয়ে পতিত আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদের প্রায় ৫ লাখ টাকা অনুদানে ৬ জন জুলাই শহীদের কবর পাকা করনের কাজ সম্পুর্ন না করেই দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রেখেছে।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র বর্মনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি ইঞ্জিনিয়ার হারুন অর রশিদ কে দেখিয়ে দেন। পরে তার কাছে থেকে জানতে পারি গাইবান্ধা জেলার ছাত্র শক্তির আহব্বায়ক মেহেদী হাসান সব বিল তুলে নিয়ে গেছে। এই অনিয়মের বিষয়ে জেলা প্রশাসক কে মৌখিক ভাবে অবগত করলেও পরে কোনো এক অদৃশ্য কারনে ব্যবস্থা নেন নি ।
এছাড়াও গাইবান্ধায় জুলাই শহীদ এবং আহতদের পুর্নবাসন কমিটি হয়েছে ওই কমিটিতে কে কে আছে তাও আমরা জানিনা। আমাদের কে পাশ কাটিয়ে অভিযুক্তরা সব কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যা শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী।
তিনি আরো বলেন, এই তথ্য গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে আমাদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দায়ীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপিকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম। সেই সাথে শহীদ পরিবারদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে, শহীদ শাকিলুরের সহধর্মিণী শারমিন, আরিফুলের সহধর্মিণী হালিজা বেগম, নাজমুলের মা গোলেবান, জুয়েল রানার মা জমিলা বেগম, সুজনের সহধর্মিণী লাইজু বেগম উপস্থিত ছিলেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে, গাইবান্ধা জেলার ছাত্র শক্তির আহব্বায়ক মেহেদী হাসান বলেন, আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্নসাৎ এর অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। প্রকল্পের সব কাজ এখনো শতভাগ সম্পুর্ন হয়নি। প্রশাসন ও শহীদ পরিবারের সাথে সমন্বয় করে বাকি কাজ দ্রুত সম্পুর্ন করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 


















