
মোঃরাসেল জেলা প্রতিনিধি: বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিল্টন দস্তিদারের বিরুদ্ধে টেস্ট রিলিফ (টিআর), কাবিখা ও কাবিটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ না করেই কোটি টাকার সরকারি অর্থ ও খাদ্যশস্য আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত একাধিক গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে এই অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ও খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান ও স্থানীয়দের অভিযোগে জানা গেছে, এসব প্রকল্পের সিংহভাগ কাজই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রয়েছে।বিশেষ করে, উপজেলার তারাছা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক সংস্কার প্রকল্পে লাখ লাখ টাকার বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে অনেক স্থানে কোনো কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “রাস্তা সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকার সরকারি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে শুনলেও বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো কাজই হয়নি।
পিআইও এবং সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট মিলে পুরো টাকাটাই পকেটে পুরেছেন।”অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনেও ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের যোগসাজশে নামমাত্র কমিটি দেখিয়ে কাজ না করেই ভুয়া মাস্টাররোলের মাধ্যমে বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।এই বিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিল্টন দস্তিদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।এলাকাবাসীর দাবি, দুর্গম এই পার্বত্য অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক। একই সাথে সরকারি অর্থ ও খাদ্যশস্য আত্মসাতের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রতিবেদকের নাম 


















