
মোঃ সৈয়দ মিয়া ( ব্যুরো চিফ চট্টগ্রাম )
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে হত্যার দুই দিন পরও মামলা হয়নি। এদিকে ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজে অস্ত্র হাতে যেসব সন্ত্রাসীকে দেখা গেছে, তারা প্রত্যেকেই চিহ্নিত অপরাধী। পুলিশের ধারণা, তারা কারও ভাড়া করা কিলার। তাদের ধরতে ঘটনার দিন তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ১৩ জুন দুপুর দেড়টার দিকে রাউজানের চৌমুহনী বাজারে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া পাঁচজনের হাতেই অস্ত্র ছিল। তাদের মধ্যে দুজনের হাতে শর্টগান এবং তিনজনের হাতে পিস্তল ছিল।
ঘটনার সময় গুলির মুখে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে একটি দোকানের সামনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন যুবদল নেতা মাসুদ। সেখানে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়। পরে হামলাকারীদের দুজন ফিরে এসে তার মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
এর আগে গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে রাউজানের পাহাড়তলী এলাকায় মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে।
প্রতিবেদকের নাম 


















