Dhaka ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পত্নীতলায় বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনার আরেক নাম আর্জেন্টিনা ফরিদপুরে কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বাবু হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন “আনন্দের মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা, শিক্ষার মাধ্যমে আলোকিত ভবিষ্যৎ গঠনে চট্টগ্রাম মডেল স্কুল রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা ভুলে যাওয়ার রোগ (ডিমেনশিয়া) বাড়ছে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় পিএমকে’র উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ বিতরণ জনপ্রতিনিধি কাছে অবহেলিত কালিরছড়া এলাকা : বেহাল দশায় জনজীবন বালিয়াডাঙ্গীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়লো বসতবাড়ি, সর্বস্ব হারিয়ে পথে ৩ পরিবার চন্ডিছড়ায় সড়ক-সেতু রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা নিতে এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের নির্দেশ

আসুন বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই: তারেক রহমান

মাসুদ রানা মাসুম, কক্সবাজার ও পার্বত্য ব্যুরো:
বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দিনব্যাপী সফর শেষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার ( ১৩ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ সফরে তিনি একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি এবং বিশাল জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। সফর শেষে বিকেলে তিনি কক্সবাজার ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। সকালেই কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা তাঁকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি সরাসরি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যান। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দিনের প্রথম ভাগে তিনি কক্সবাজার শহর ও আশপাশের এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্যে ছিল উপকূলীয় সড়ক উন্নয়ন, বাঁধ সংস্কার, খাল পুনঃখনন এবং পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।

আরও পড়ুনঃ  সংসদের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী

স্থানীয়রা মনে করছেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। এছাড়া চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এলাকায় জাতীয় পর্যায়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশ রক্ষা ও উপকূলীয় সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এ ধরনের কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দিনের দ্বিতীয় ভাগে কক্সবাজার শহরে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে জনসভা পরিণত হয় গণজোয়ারে। বক্তব্যে তিনি উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বলে জানা গেছে। জনসভাকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নামে। সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণভাবে সফর সম্পন্ন। পুরো সফরকাল জুড়ে কক্সবাজারে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থা একযোগে দায়িত্ব পালন করে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসভাস্থলে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সফর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উন্নয়ন ও পর্যটনে ইতিবাচক প্রভাবের আশা, বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই সফর কক্সবাজারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি আনবে এবং পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: তারেক রহমান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পত্নীতলায় বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনার আরেক নাম আর্জেন্টিনা

আসুন বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই: তারেক রহমান

আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম, কক্সবাজার ও পার্বত্য ব্যুরো:
বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দিনব্যাপী সফর শেষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার ( ১৩ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ সফরে তিনি একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি এবং বিশাল জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। সফর শেষে বিকেলে তিনি কক্সবাজার ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। সকালেই কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা তাঁকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি সরাসরি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যান। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দিনের প্রথম ভাগে তিনি কক্সবাজার শহর ও আশপাশের এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্যে ছিল উপকূলীয় সড়ক উন্নয়ন, বাঁধ সংস্কার, খাল পুনঃখনন এবং পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।

আরও পড়ুনঃ  স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা

স্থানীয়রা মনে করছেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। এছাড়া চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এলাকায় জাতীয় পর্যায়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশ রক্ষা ও উপকূলীয় সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এ ধরনের কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দিনের দ্বিতীয় ভাগে কক্সবাজার শহরে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে জনসভা পরিণত হয় গণজোয়ারে। বক্তব্যে তিনি উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বলে জানা গেছে। জনসভাকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নামে। সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণভাবে সফর সম্পন্ন। পুরো সফরকাল জুড়ে কক্সবাজারে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থা একযোগে দায়িত্ব পালন করে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসভাস্থলে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সফর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উন্নয়ন ও পর্যটনে ইতিবাচক প্রভাবের আশা, বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই সফর কক্সবাজারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি আনবে এবং পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

আরও পড়ুনঃ  সংসদের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী