
পত্নীতলা (নওগাঁ) উপজেলা প্রতিনিধিঃ-
পবিত্র ঈদুল আযহা সামনে রেখে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বিভিন পশুর হাটে কুরবানীর পশুর বেচাকিনা ধীরে ধীরে জমে উঠেছে। উপজেলার নজিপুর মাটিন্দর, আকবরপুর ও আশপাশে এলাকার খামারীরা দেশি জাতের গরু, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই হাটে ক্রেতা- বিক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
হাটে দেশি গরু চাহিদা বেশি
এ বছর দেশি জাতের গরুর প্রতি ক্রেতার আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। খামারিরা বলছেন, স্থানীয়ভাবে লালন পালনে করা গরুর বাম তুলনামূলক ভাবে বেশি হলেও ক্রেতারা এসব গরুকেই বেশি পছন্দ করছেন। ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাও বাড়েছে।
নিরাপত্তায় প্রশাসনের প্রস্তুতি
কুরবানীর পশুর হাট গুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাল নোট সনাক্তকরণ ভেটেনারি সেবা এবং হার্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ক্রেতাদের ও বিক্রেতা প্রত্যাশা
হাটে আসা অনেক ক্রেতা জানান, ঈদের আরও কয়েক দিন বাকি থাকায় তারা বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।ক্রেতাদের অভিযোগ, হাটে আনা অনেক গরুর দাম তাদের সামর্থ্যের তুলনায় বেশি চাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বড় আকারের গরুর দাম নিয়ে দর কষাকষি হচ্ছে। ঈদ আসার বাকি দিনগুলিতে পশুর সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে তাদের ধারণা।ছোট আকারের গরুর দাম ৭০ হাজার থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা, মাঝারি আকারের গরু এক লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা, বড় আকারের গরু ২ লাখ থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা তারও বেশি, এবং ছাগল ১৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু বিক্রেতারা বলছেন,গত এক বছরে গবাদি পশুর খাদ্য ওষুধ শ্রমিক ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পশু ব্যায়ও অনেক বেড়েছে। ফলে তারা পশুর ন্যায্য মূল্য প্রত্যাশা করছেন।অনেক বিক্রেতার দাবি, গত বছরে তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি হওয়া স্বাভাবিক।
ক্রেতাদের বক্তব্য
ক্রেতাদের মতে, ঈদের এখনও কিছুদিন বাকি থাকায় তারা আশা করছেন শেষের দিকে বাজারে পশু সরবরাহ আরো বাড়বে এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে।
হাটের বর্তমান চিত্র
নজিপুর সহ পত্নীতলা বিভিন্ন পশুর হাটে প্রতিদিনই পশুর সংখ্যা বাড়ছে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের আগের দিনগুলোতে বেচাকিনা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
সর্বশেষ অবস্থা এখনো পর্যন্ত পশুর হাট গুলোতে বড় ধরনের মূল্য অস্থিরতা দেখা দেয়নি। তবে ঈদের তারিখ যত এগিয়ে আসবে ততই বেচাকেনা হাটের চঞ্চলতা প্রাণচঞ্চল্য বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
প্রতিবেদকের নাম 



















