Dhaka ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মাদারগঞ্জে গতকালের পর, আবারও আজ হিটস্ট্রোকে কৃষকের মৃত্যু….. নীলফামারীতে গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে প্রশাসন পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য ধোপাছড়ি শীলঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটিতে সভাপতি হলেন আব্দুল মান্নান রানা অভাবের দেয়ালে বন্দি রিকশাচালকের ৩ হাজার পাতার স্বপ্ন! ক্যান্সারের সঙ্গে জীবনযুদ্ধ: অসহায় নব মুসলিম জাকারিয়ার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শনির আখড়া জিয়া সরণি রুটে ময়লার স্তূপ: চরম দুর্ভোগে পথচারী ও এলাকাবাসী সমবায়কে উপেক্ষা করে পল্লী উন্নয়ন নয়: জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস কমিটিতে ইউসিসিএ সভাপতিদের বাদ দেওয়া কেন উদ্বেগজনক কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম সাঘাটায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, ছয় মাসের শিশুকে নিয়ে দিশেহারা পুত্রবধূ

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশসহ ৫ দেশের জাহাজ চলতে পারবে: ইরান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ১১৬ সময় দেখুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের জাহাজ এই জলপথ দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, যদিও যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তেহরানের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র এবং বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তান। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকেই প্রণালীতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে ইরান, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

 

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমে যে দাবি করা হচ্ছে প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ, তা সঠিক নয়। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশের শিপিং কোম্পানি নিরাপদ যাতায়াতের জন্য তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং যেসব দেশকে ‘বন্ধু’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, তাদের জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ভারতসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ এই পথ ব্যবহার করেছে এবং বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে বলে তার বিশ্বাস। এসব দেশের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। তবে আরাগচি স্পষ্ট করে দেন, যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বা শত্রুপক্ষ হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোর জাহাজের জন্য এই পথ বন্ধই থাকবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কিছু উপসাগরীয় দেশের জাহাজ চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

 

এদিকে চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানগামী একটি কনটেইনার জাহাজকে হরমুজ প্রণালীতে আটকে দেয় ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা থেকে করাচিগামী ‘সেলেন’ নামের জাহাজটির প্রয়োজনীয় ট্রানজিট অনুমতি না থাকায় সেটিকে মাঝপথ থেকেই ফিরিয়ে দেয় ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বর্তমানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নজরদারির মাধ্যমে প্রণালীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে ইরান। শিপিং বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন যেখানে প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করে, সেখানে মার্চের প্রথম ২৫ দিনে এ সংখ্যা প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। গবেষণা সংস্থা কেপলারের তথ্য বলছে, এই সময়ে মাত্র ১৫৫টি জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে ৯৯টি ছিল তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার। এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক বাজারে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিমান সংস্থা থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত সবখানেই খরচ বাড়ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা চাপের মুখে পড়ছে। অনেক দেশ আবার জরুরি সহায়তা পরিকল্পনা নেওয়ার কথাও ভাবছে।

আরও পড়ুনঃ  ​নয়া পল্টনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মাদারগঞ্জে গতকালের পর, আবারও আজ হিটস্ট্রোকে কৃষকের মৃত্যু…..

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশসহ ৫ দেশের জাহাজ চলতে পারবে: ইরান

আপডেটের সময়: ০৪:১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের জাহাজ এই জলপথ দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, যদিও যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তেহরানের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র এবং বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তান। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকেই প্রণালীতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে ইরান, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

 

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমে যে দাবি করা হচ্ছে প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ, তা সঠিক নয়। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশের শিপিং কোম্পানি নিরাপদ যাতায়াতের জন্য তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং যেসব দেশকে ‘বন্ধু’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, তাদের জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ভারতসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ এই পথ ব্যবহার করেছে এবং বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে বলে তার বিশ্বাস। এসব দেশের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। তবে আরাগচি স্পষ্ট করে দেন, যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বা শত্রুপক্ষ হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোর জাহাজের জন্য এই পথ বন্ধই থাকবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কিছু উপসাগরীয় দেশের জাহাজ চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

 

এদিকে চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানগামী একটি কনটেইনার জাহাজকে হরমুজ প্রণালীতে আটকে দেয় ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা থেকে করাচিগামী ‘সেলেন’ নামের জাহাজটির প্রয়োজনীয় ট্রানজিট অনুমতি না থাকায় সেটিকে মাঝপথ থেকেই ফিরিয়ে দেয় ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বর্তমানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নজরদারির মাধ্যমে প্রণালীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে ইরান। শিপিং বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন যেখানে প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করে, সেখানে মার্চের প্রথম ২৫ দিনে এ সংখ্যা প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। গবেষণা সংস্থা কেপলারের তথ্য বলছে, এই সময়ে মাত্র ১৫৫টি জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে ৯৯টি ছিল তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার। এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক বাজারে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিমান সংস্থা থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত সবখানেই খরচ বাড়ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা চাপের মুখে পড়ছে। অনেক দেশ আবার জরুরি সহায়তা পরিকল্পনা নেওয়ার কথাও ভাবছে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ