
জিহাদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল, দশমিনা, গলাচিপা ও দুমকী উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম বগা ফেরিঘাট। এই রুটে পারাপারের জন্য দুটি ফেরি বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে মাত্র একটি দিয়ে কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে চলছে যানবাহন পারাপার। অন্য ফেরিটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় ঘাটের দুই পাড়ে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই অঞ্চলের চার উপজেলার লাখো মানুষ।বগা ফেরিঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী, মোটরসাইকেল ও বড় বড় মালবাহী ট্রাকের দীর্ঘ লাইন। তোরণ ও ব্যানার সংলগ্ন এই ঘাটটিতে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে ওপারে যাওয়ার জন্য। ট্রলারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ক্ষোভ ফেরি সংকটের কারণে নিরুপায় হয়ে অনেক সাধারণ যাত্রী ট্রলার বা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় নদী পারাপার হচ্ছেন। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, এই সুযোগে ট্রলার চালক ও ইজারাদাররা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি টাকা ভাড়া আদায় করছেন। একদিকে ফেরির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা, অন্যদিকে ট্রলারে অতিরিক্ত অর্থদণ্ড— দুইয়ে মিলে সাধারণ জনগণের ক্ষোভ এখন চরমে।
মন্ত্রী পরিদর্শনের পর জোরালো হচ্ছে সেতুর দাবি স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুদিন আগেই সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এই বগা ফেরিঘাট এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে গেছেন। মন্ত্রীর এই পরিদর্শনের পর থেকেই স্থানীয় চার উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ও দাবি আরও জোরালো হয়েছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও চালকদের এখন একটাই জোরালো দাবি— “আমরা আর জোড়াতালির ফেরি চাই না, বগা নদীতে স্থায়ী সেতু চাই।” পটুয়াখালীর এই গুরুত্বপূর্ণ চার উপজেলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের জন্য বগা নদীতে দ্রুত একটি আধুনিক সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
প্রতিবেদকের নাম 



















